জুড়ীতে সোলার সেচ সুবিধায় বদলে যাচ্ছে ফসলি মাঠ
অনাবাদি জমির প্রায় ৬০ বিঘা চাষের আওতায়
- আপডেট সময় : ০৮:৪৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
- / 213
মৌলভীবাজারের জুড়ীতে দীর্ঘদিন ধরে অনাবাদি ও হুড়ী হিসেবে পরিচিত জমি অবশেষে চাষের আওতায় এসেছে। Flood Reconstruction Emergency Assistance Project (FREAP) এর আওতায় নির্মিত সোলার পাম্প ও বারিড পাইপের শুভ উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের যুগিমোড়া মাঠে কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার সূচনা হলো। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে সোলার পাম্প ও বারিড পাইপ ব্যবস্থা উদ্বোধন করা হয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে যুগিমোড়া এলাকার প্রায় ৬০ বিঘা জমি চাষের আওতায় এসেছে, যা এতদিন সেচ সুবিধার অভাবে অনাবাদি অথবা এক ফসলি জমি হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যুগিমোড়া মাঠে কখনোই বোরো ধানের আবাদ হয়নি। এটি মূলত এক ফসলি জমি, যেখানে শুধু আমন ধান চাষ হতো। নতুন সোলার সেচ ব্যবস্থার ফলে এখন থেকে বোরো ধানসহ শীত ও গ্রীষ্মকালীন বিভিন্ন সবজি চাষ করা সম্ভব হবে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই সেচ ব্যবস্থায় বিদ্যুতের কোনো খরচ নেই, যা কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমাতে সহায়ক হবে। উদ্বোধনের পরপরই জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে চাষাবাদ শুরু হয়েছে। স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ। তাদের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগের ফলে শুধু ফসল উৎপাদনই নয়, বরং পুরো এলাকার অর্থনৈতিক ও কৃষিভিত্তিক চিত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

এ বিষয়ে জুড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল আলম খান বলেন,
Flood Reconstruction Emergency Assistance Project (FREAP) এর আওতায় নির্মিত সোলার পাম্প ও বারিড পাইপের মাধ্যমে গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের যুগিমোড়া এলাকায় প্রায় ৬০ বিঘা অনাবাদি জমি চাষের আওতায় এসেছে। এই মাঠটি এতদিন শুধু আমন ধানের এক ফসলি জমি ছিল। সেচ সুবিধা নিশ্চিত হওয়ায় এখন থেকে বোরো ধানসহ শীত ও গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষ করা যাবে। এতে কোনো বিদ্যুৎ খরচ না থাকায় কৃষকরা সরাসরি লাভবান হবেন। এই উদ্যোগ যুগিমোড়া এলাকার কৃষিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।” কৃষি বিভাগ আশা করছে, এই সোলার সেচ প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভবিষ্যতে জুড়ী উপজেলার অন্যান্য অনাবাদি ও হুড়ী জমিও পর্যায়ক্রমে চাষের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

ষাটমা/এমরান;খোর্শেদ

























