১০:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ভিনিসিয়ুসের জোড়া আঘাতে উড়ল ব্রাজিল, নকআউট নিশ্চিত করে ফিরলেন নেইমার Logo মৌলভীবাজারে জামিনে মুক্ত জামায়াত নেতা খিজির আহমদ Logo কুলাউড়ায় কাদিপুর ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন কাতারের উদ্যোগে প্রবাসী নেতৃবৃন্দকে সংবর্ধনা Logo মৌলভীবাজারে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত, শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তাদের পুরস্কার প্রদান Logo অসুস্থ কাঙালিনী সুফিয়ার চিকিৎসার দায়িত্ব নিল এবি গ্রুপ ফাউন্ডেশন Logo সিলেট চেম্বারে এসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য এআই বিষয়ক কর্মশালা Logo জুড়ীতে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতির বিরুদ্ধে উপজেলা যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল Logo বড়লেখায় মোবাইল কোর্টে মাদক কারবারির ১৫ দিনের কারাদণ্ড Logo বড়লেখায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইনে ৩২ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা Logo এমবাপ্পের জোড়া গোলে ইরাককে উড়িয়ে নকআউট নিশ্চিত করল ফ্রান্স

জুড়ীতে সোলার সেচ সুবিধায় বদলে যাচ্ছে ফসলি মাঠ

অনাবাদি জমির প্রায় ৬০ বিঘা চাষের আওতায়

খোর্শেদ আলম, জুড়ী (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 212

Oplus_16908288

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে দীর্ঘদিন ধরে অনাবাদি ও হুড়ী হিসেবে পরিচিত জমি অবশেষে চাষের আওতায় এসেছে। Flood Reconstruction Emergency Assistance Project (FREAP) এর আওতায় নির্মিত সোলার পাম্প ও বারিড পাইপের শুভ উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের যুগিমোড়া মাঠে কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার সূচনা হলো। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে সোলার পাম্প ও বারিড পাইপ ব্যবস্থা উদ্বোধন করা হয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে যুগিমোড়া এলাকার প্রায় ৬০ বিঘা জমি চাষের আওতায় এসেছে, যা এতদিন সেচ সুবিধার অভাবে অনাবাদি অথবা এক ফসলি জমি হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যুগিমোড়া মাঠে কখনোই বোরো ধানের আবাদ হয়নি। এটি মূলত এক ফসলি জমি, যেখানে শুধু আমন ধান চাষ হতো। নতুন সোলার সেচ ব্যবস্থার ফলে এখন থেকে বোরো ধানসহ শীত ও গ্রীষ্মকালীন বিভিন্ন সবজি চাষ করা সম্ভব হবে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই সেচ ব্যবস্থায় বিদ্যুতের কোনো খরচ নেই, যা কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমাতে সহায়ক হবে। উদ্বোধনের পরপরই জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে চাষাবাদ শুরু হয়েছে। স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ। তাদের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগের ফলে শুধু ফসল উৎপাদনই নয়, বরং পুরো এলাকার অর্থনৈতিক ও কৃষিভিত্তিক চিত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।


এ বিষয়ে জুড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল আলম খান বলেন,
Flood Reconstruction Emergency Assistance Project (FREAP) এর আওতায় নির্মিত সোলার পাম্প ও বারিড পাইপের মাধ্যমে গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের যুগিমোড়া এলাকায় প্রায় ৬০ বিঘা অনাবাদি জমি চাষের আওতায় এসেছে। এই মাঠটি এতদিন শুধু আমন ধানের এক ফসলি জমি ছিল। সেচ সুবিধা নিশ্চিত হওয়ায় এখন থেকে বোরো ধানসহ শীত ও গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষ করা যাবে। এতে কোনো বিদ্যুৎ খরচ না থাকায় কৃষকরা সরাসরি লাভবান হবেন। এই উদ্যোগ যুগিমোড়া এলাকার কৃষিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।” কৃষি বিভাগ আশা করছে, এই সোলার সেচ প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভবিষ্যতে জুড়ী উপজেলার অন্যান্য অনাবাদি ও হুড়ী জমিও পর্যায়ক্রমে চাষের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

ষাটমা/এমরান;খোর্শেদ

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জুড়ীতে সোলার সেচ সুবিধায় বদলে যাচ্ছে ফসলি মাঠ

অনাবাদি জমির প্রায় ৬০ বিঘা চাষের আওতায়

আপডেট সময় : ০৮:৪৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে দীর্ঘদিন ধরে অনাবাদি ও হুড়ী হিসেবে পরিচিত জমি অবশেষে চাষের আওতায় এসেছে। Flood Reconstruction Emergency Assistance Project (FREAP) এর আওতায় নির্মিত সোলার পাম্প ও বারিড পাইপের শুভ উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের যুগিমোড়া মাঠে কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার সূচনা হলো। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে সোলার পাম্প ও বারিড পাইপ ব্যবস্থা উদ্বোধন করা হয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে যুগিমোড়া এলাকার প্রায় ৬০ বিঘা জমি চাষের আওতায় এসেছে, যা এতদিন সেচ সুবিধার অভাবে অনাবাদি অথবা এক ফসলি জমি হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যুগিমোড়া মাঠে কখনোই বোরো ধানের আবাদ হয়নি। এটি মূলত এক ফসলি জমি, যেখানে শুধু আমন ধান চাষ হতো। নতুন সোলার সেচ ব্যবস্থার ফলে এখন থেকে বোরো ধানসহ শীত ও গ্রীষ্মকালীন বিভিন্ন সবজি চাষ করা সম্ভব হবে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই সেচ ব্যবস্থায় বিদ্যুতের কোনো খরচ নেই, যা কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমাতে সহায়ক হবে। উদ্বোধনের পরপরই জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে চাষাবাদ শুরু হয়েছে। স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ। তাদের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগের ফলে শুধু ফসল উৎপাদনই নয়, বরং পুরো এলাকার অর্থনৈতিক ও কৃষিভিত্তিক চিত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।


এ বিষয়ে জুড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল আলম খান বলেন,
Flood Reconstruction Emergency Assistance Project (FREAP) এর আওতায় নির্মিত সোলার পাম্প ও বারিড পাইপের মাধ্যমে গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের যুগিমোড়া এলাকায় প্রায় ৬০ বিঘা অনাবাদি জমি চাষের আওতায় এসেছে। এই মাঠটি এতদিন শুধু আমন ধানের এক ফসলি জমি ছিল। সেচ সুবিধা নিশ্চিত হওয়ায় এখন থেকে বোরো ধানসহ শীত ও গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষ করা যাবে। এতে কোনো বিদ্যুৎ খরচ না থাকায় কৃষকরা সরাসরি লাভবান হবেন। এই উদ্যোগ যুগিমোড়া এলাকার কৃষিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।” কৃষি বিভাগ আশা করছে, এই সোলার সেচ প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভবিষ্যতে জুড়ী উপজেলার অন্যান্য অনাবাদি ও হুড়ী জমিও পর্যায়ক্রমে চাষের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

ষাটমা/এমরান;খোর্শেদ