১১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জুড়ীতে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতির বিরুদ্ধে উপজেলা যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল Logo বড়লেখায় মোবাইল কোর্টে মাদক কারবারির ১৫ দিনের কারাদণ্ড Logo বড়লেখায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইনে ৩২ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা Logo এমবাপ্পের জোড়া গোলে ইরাককে উড়িয়ে নকআউট নিশ্চিত করল ফ্রান্স Logo পে-স্কেলে বেতন বাড়ছে জুলাইয়ে, টাকা মিলবে অক্টোবরে Logo হালান্ডের জোড়া গোলে নরওয়ের জয়, নকআউটের পথে স্ক্যান্ডিনেভিয়ানরা Logo মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে চাকরি, থাকছে নানা সুবিধা Logo সালমান শাহর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের আদেশ বাতিল Logo মেসির ইতিহাস গড়া রাতে অস্ট্রিয়ার প্রতিরোধ ভেঙে শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনা। Logo শাহজালাল মাজারের দানের ডেগে ৩ দিনে ১৭ লাখের বেশি!

পে-স্কেলে বেতন বাড়ছে জুলাইয়ে, টাকা মিলবে অক্টোবরে

ষাটমাকন্ঠ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৭:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • / 32
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী ১ জুলাই থেকে নবম জাতীয় পে-স্কেল কার্যকর হবে। নতুন কাঠামোর আওতায় মূল বেতন সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। তবে প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় লাগায় বর্ধিত বেতনের অর্থ অক্টোবর মাসে একসঙ্গে পাওয়া যাবে।

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের পাশাপাশি বর্তমানে চালু থাকা ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ‘বিশেষ সুবিধা’ বা ইনসেনটিভ বাতিল করার সিদ্ধান্তও বিবেচনায় রয়েছে। ফলে ঘোষিত বেতন বৃদ্ধির তুলনায় প্রকৃত আয় বৃদ্ধির হার কিছুটা কম হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বাজেটে সংরক্ষিত রয়েছে। তবে প্রজ্ঞাপন জারি, বিধি সংশোধন, হিসাব পুনর্নির্ধারণ এবং সফটওয়্যার সমন্বয়সহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।

সরকারের বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা তুলনামূলক বেশি সুবিধা পেতে পারেন। গত কয়েক বছরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের কর্মচারীদের ওপর। এ কারণে প্রথম থেকে নবম গ্রেডের কর্মকর্তাদের তুলনায় তাদের বেতন বৃদ্ধির হার বেশি রাখার বিষয়ে আলোচনা চলছে।

বর্তমানে প্রায় ১৪ লাখ ৫০ হাজার সরকারি চাকরিজীবীর মধ্যে প্রায় ১২ লাখ ৬০ হাজারই রয়েছেন ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডে। ফলে এই বৃহৎ অংশের আয় বৃদ্ধি সরাসরি তাদের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।

জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ পুরোপুরি বাস্তবায়ন করলে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা। এ কারণে সরকার একবারে পুরো বেতন বৃদ্ধি কার্যকর না করে তিন অর্থবছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে।

খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম থেকে নবম গ্রেডের কর্মকর্তারা প্রথম বছর সম্ভাব্য মোট বৃদ্ধির প্রায় ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা প্রায় ৬০ শতাংশ সুবিধা পেতে পারেন। পরবর্তী দুই বছরে বাকি অংশ সমন্বয় করা হবে।

এদিকে মূল বেতন বৃদ্ধি পাওয়ায় ভবিষ্যতে পেনশন, গ্র্যাচুইটি, অবসর সুবিধা ও বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের ক্ষেত্রেও চাকরিজীবীরা বাড়তি সুবিধা পাবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পে-স্কেলে বেতন বাড়ছে জুলাইয়ে, টাকা মিলবে অক্টোবরে

আপডেট সময় : ০৮:৪৭:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী ১ জুলাই থেকে নবম জাতীয় পে-স্কেল কার্যকর হবে। নতুন কাঠামোর আওতায় মূল বেতন সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। তবে প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় লাগায় বর্ধিত বেতনের অর্থ অক্টোবর মাসে একসঙ্গে পাওয়া যাবে।

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের পাশাপাশি বর্তমানে চালু থাকা ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ‘বিশেষ সুবিধা’ বা ইনসেনটিভ বাতিল করার সিদ্ধান্তও বিবেচনায় রয়েছে। ফলে ঘোষিত বেতন বৃদ্ধির তুলনায় প্রকৃত আয় বৃদ্ধির হার কিছুটা কম হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বাজেটে সংরক্ষিত রয়েছে। তবে প্রজ্ঞাপন জারি, বিধি সংশোধন, হিসাব পুনর্নির্ধারণ এবং সফটওয়্যার সমন্বয়সহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।

সরকারের বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা তুলনামূলক বেশি সুবিধা পেতে পারেন। গত কয়েক বছরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের কর্মচারীদের ওপর। এ কারণে প্রথম থেকে নবম গ্রেডের কর্মকর্তাদের তুলনায় তাদের বেতন বৃদ্ধির হার বেশি রাখার বিষয়ে আলোচনা চলছে।

বর্তমানে প্রায় ১৪ লাখ ৫০ হাজার সরকারি চাকরিজীবীর মধ্যে প্রায় ১২ লাখ ৬০ হাজারই রয়েছেন ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডে। ফলে এই বৃহৎ অংশের আয় বৃদ্ধি সরাসরি তাদের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।

জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ পুরোপুরি বাস্তবায়ন করলে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা। এ কারণে সরকার একবারে পুরো বেতন বৃদ্ধি কার্যকর না করে তিন অর্থবছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে।

খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম থেকে নবম গ্রেডের কর্মকর্তারা প্রথম বছর সম্ভাব্য মোট বৃদ্ধির প্রায় ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা প্রায় ৬০ শতাংশ সুবিধা পেতে পারেন। পরবর্তী দুই বছরে বাকি অংশ সমন্বয় করা হবে।

এদিকে মূল বেতন বৃদ্ধি পাওয়ায় ভবিষ্যতে পেনশন, গ্র্যাচুইটি, অবসর সুবিধা ও বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের ক্ষেত্রেও চাকরিজীবীরা বাড়তি সুবিধা পাবেন।