০৯:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে ২৫ কোটি টাকা দিল কাফকো Logo লিডিং ইউনিভার্সিটিতে রোবটিকস কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠান Logo বড়লেখা আদালত প্রাঙ্গণে পুবালী ব্যাংকের অর্থায়নে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত Logo রোগীর অ্যাম্বুলেন্সের চালক সিভিল সার্জনের গাড়িতে, ৯ মাস ধরে সংকটে জুড়ীর জরুরি সেবা Logo সিলেটস্থ দোয়ারাবাজার সমিতির নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত Logo সিলেট উইমেন্স মডেল কলেজের ছয় শিক্ষার্থীর ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকার সমমূল্যের স্কলারশিপ অর্জন Logo ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু ১৪ মার্চ Logo মোবাইল কোর্টে বিশৃঙ্খলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ এমপি শওকতুল ইসলামের Logo সিলেটে নিজ বাসার সামনে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা Logo কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল সিলেটের বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ

বেলজিয়ামকে রুখে দিল টিম মেল্লি

ছাদিক হোসেন, ক্রীড়া প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট সময় : ০২:২৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
  • / 91
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশ্বকাপে টিকে থাকার লড়াইয়ে ইরানের সামনে ছিল কঠিন এক পরীক্ষা। প্রতিপক্ষ ছিল ইউরোপের শক্তিশালী দল বেলজিয়াম। কাগজে-কলমে এগিয়ে ছিল বেলজিয়ানরা, কিন্তু মাঠের লড়াইয়ে তাদের এক ইঞ্চি জায়গাও ছাড়েনি ইরান। দুর্দান্ত রক্ষণ, অসাধারণ গোলকিপিং এবং অদম্য মানসিকতায় শেষ পর্যন্ত ০-০ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে টিম মেল্লি।

আটলান্টার স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বেলজিয়াম। কেভিন ডি ব্রুইনের সৃজনশীলতা এবং রোমেলু লুকাকুর শক্তিশালী উপস্থিতিতে একের পর এক আক্রমণ গড়ে তোলে ইউরোপিয়ান দলটি। তবে প্রতিবারই বাধা হয়ে দাঁড়ান ইরানের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দ। তার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ ম্যাচের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। অন্যদিকে ইরান শুরু থেকেই রক্ষণাত্মক শৃঙ্খলা বজায় রেখে দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকের পরিকল্পনা করে। মেহদি তারেমির নেতৃত্বে কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও বেলজিয়ামের রক্ষণভাগ তা সফলভাবে প্রতিহত করে।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। এক পর্যায়ে বেলজিয়ামের এক ডিফেন্ডার লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় তারা। সংখ্যাগত সুবিধা পেলেও ইরান সেই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারেনি। মেহদি তারেমি একবার বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। শেষ পর্যন্ত দুই দলের প্রচেষ্টার পরও ম্যাচের ফলাফল অপরিবর্তিত থাকে।

ম্যাচে বেলজিয়াম বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও ইরানের সংগঠিত রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষকের পারফরম্যান্স ম্যাচের ভারসাম্য ধরে রাখে। বিশেষ করে বেইরানভান্দের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ ম্যাচের সেরা মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।

এই ড্রয়ের ফলে দুই দলই এক পয়েন্ট করে ভাগ করে নেয়, ফলে গ্রুপের সমীকরণ আরও জটিল হয়ে ওঠে এবং পরবর্তী ম্যাচগুলোতে চাপ আরও বেড়ে যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বেলজিয়ামকে রুখে দিল টিম মেল্লি

আপডেট সময় : ০২:২৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

বিশ্বকাপে টিকে থাকার লড়াইয়ে ইরানের সামনে ছিল কঠিন এক পরীক্ষা। প্রতিপক্ষ ছিল ইউরোপের শক্তিশালী দল বেলজিয়াম। কাগজে-কলমে এগিয়ে ছিল বেলজিয়ানরা, কিন্তু মাঠের লড়াইয়ে তাদের এক ইঞ্চি জায়গাও ছাড়েনি ইরান। দুর্দান্ত রক্ষণ, অসাধারণ গোলকিপিং এবং অদম্য মানসিকতায় শেষ পর্যন্ত ০-০ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে টিম মেল্লি।

আটলান্টার স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বেলজিয়াম। কেভিন ডি ব্রুইনের সৃজনশীলতা এবং রোমেলু লুকাকুর শক্তিশালী উপস্থিতিতে একের পর এক আক্রমণ গড়ে তোলে ইউরোপিয়ান দলটি। তবে প্রতিবারই বাধা হয়ে দাঁড়ান ইরানের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দ। তার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ ম্যাচের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। অন্যদিকে ইরান শুরু থেকেই রক্ষণাত্মক শৃঙ্খলা বজায় রেখে দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকের পরিকল্পনা করে। মেহদি তারেমির নেতৃত্বে কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও বেলজিয়ামের রক্ষণভাগ তা সফলভাবে প্রতিহত করে।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। এক পর্যায়ে বেলজিয়ামের এক ডিফেন্ডার লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় তারা। সংখ্যাগত সুবিধা পেলেও ইরান সেই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারেনি। মেহদি তারেমি একবার বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। শেষ পর্যন্ত দুই দলের প্রচেষ্টার পরও ম্যাচের ফলাফল অপরিবর্তিত থাকে।

ম্যাচে বেলজিয়াম বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও ইরানের সংগঠিত রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষকের পারফরম্যান্স ম্যাচের ভারসাম্য ধরে রাখে। বিশেষ করে বেইরানভান্দের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ ম্যাচের সেরা মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।

এই ড্রয়ের ফলে দুই দলই এক পয়েন্ট করে ভাগ করে নেয়, ফলে গ্রুপের সমীকরণ আরও জটিল হয়ে ওঠে এবং পরবর্তী ম্যাচগুলোতে চাপ আরও বেড়ে যায়।