০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কমলগঞ্জে কমলা বাগান উচ্ছেদ: তদন্তে ৬২৫ গাছের গোড়া, মালিকের দাবি ধ্বংস হয়েছে ১,২০০ গাছ Logo বড়লেখায় পাতাকুঁড়ি শিশুকিশোর থিয়েটারের নতুন কার্যকরী ও উপদেষ্টা কমিটি গঠন Logo বড়লেখায় চোরাই মালামাল উদ্ধারসহ গ্রেফতার ৬ Logo সিসিকের সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবার কাজে আগ্রহী সেলফ্লেস ইউকের চিকিৎসক দল Logo একাদশ শ্রেণির অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজে মতবিনিময় সভা রোববার Logo ১৭ বছর পর লর্ডসে টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ Logo ভাইস এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম নতুন নৌবাহিনী প্রধান Logo প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের বিশেষ সুবিধার মেয়াদ বাড়ল ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত Logo ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে আবেদন ২৫ জুলাই পর্যন্ত Logo ঈদগাহ বাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গুণীজন ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা

জুড়ীতে আকস্মিক বজ্রপাতে ১৪ গবাদিপশুর মৃত্যু

খোর্শেদ আলম, জুড়ী উপজেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:৪২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • / 92
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের কুচাই জ্বালাই ও পাথরটিলা গ্রামে বুধবার (৩ জুন) এক ভয়াবহ আকস্মিক বজ্রপাতের ঘটনায় ১৩টি গরু ও ১টি মহিষ মারা গেছে।

বজ্রপাতে নিহত গরুর মালিকরা হলেন—কুচাই চা বাগান এলাকার রবি মুন্ডা, কালাচান মুন্ডা, বুধুলাল মুন্ডা, রাজেন মুন্ডা, মক্র মুন্ডা, চিনিলাল মুন্ডা ও বিরসা মুন্ডা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ১১ টায় বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সময় বজ্রাঘাতে চা শ্রমিকদের ১৩টি গরু এবং পাথরটিলা এলাকার একটি মহিষ ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। খেটে খাওয়া এসব চা শ্রমিক পরিবারের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস ছিল গবাদিপশু। হঠাৎ এ ক্ষতিতে তারা চরম দুর্ভোগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।

ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ূম। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সান্ত্বনা প্রদান করেন। পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার আশ্বাস দেন।

এদিকে ঘটনাটি জানার পর স্থানীয়রা মৌলভীবাজার-১ আসনের সংসদ নাসির উদ্দিন আহমেদ অবহিত করেন। খবর পেয়ে তিনি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত চা শ্রমিক পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানান।

সংসদ সদস্য জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দুর্দশা লাঘবে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণে তিনি উদ্যোগ নেবেন। পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতি পূরণে সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

স্থানীয়দের দাবি, বজ্রপাতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। তাই দ্রুত সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। এই আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জুড়ীতে আকস্মিক বজ্রপাতে ১৪ গবাদিপশুর মৃত্যু

আপডেট সময় : ১০:৪২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের কুচাই জ্বালাই ও পাথরটিলা গ্রামে বুধবার (৩ জুন) এক ভয়াবহ আকস্মিক বজ্রপাতের ঘটনায় ১৩টি গরু ও ১টি মহিষ মারা গেছে।

বজ্রপাতে নিহত গরুর মালিকরা হলেন—কুচাই চা বাগান এলাকার রবি মুন্ডা, কালাচান মুন্ডা, বুধুলাল মুন্ডা, রাজেন মুন্ডা, মক্র মুন্ডা, চিনিলাল মুন্ডা ও বিরসা মুন্ডা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ১১ টায় বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সময় বজ্রাঘাতে চা শ্রমিকদের ১৩টি গরু এবং পাথরটিলা এলাকার একটি মহিষ ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। খেটে খাওয়া এসব চা শ্রমিক পরিবারের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস ছিল গবাদিপশু। হঠাৎ এ ক্ষতিতে তারা চরম দুর্ভোগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।

ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ূম। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সান্ত্বনা প্রদান করেন। পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার আশ্বাস দেন।

এদিকে ঘটনাটি জানার পর স্থানীয়রা মৌলভীবাজার-১ আসনের সংসদ নাসির উদ্দিন আহমেদ অবহিত করেন। খবর পেয়ে তিনি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত চা শ্রমিক পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানান।

সংসদ সদস্য জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দুর্দশা লাঘবে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণে তিনি উদ্যোগ নেবেন। পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতি পূরণে সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

স্থানীয়দের দাবি, বজ্রপাতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। তাই দ্রুত সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। এই আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।