১২:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জাপান-সুইডেন ড্র, নকআউটে উঠল দুই দলই Logo ভিনির বাতিল গোল নিয়ে রেফারিকে যা বললেন ব্রাজিল কোচ Logo জার্মানিকে হারিয়ে বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ল ইকুয়েডর Logo শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ১২ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি Logo আজ কুলাউড়ায় আসছেন এনসিপির নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী ও সারজিস আলম Logo ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন শুরু রবিবার, জেনে নিন নতুন নিয়ম Logo কুলাউড়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ Logo শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদকে মনোনীত লেখক-সাংবাদিক সেলিম আউয়াল Logo দক্ষিণভাগ এনসিএম উচ্চ বিদ্যালয় দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন Logo সিলেট চেম্বারে এআই বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী, ২৬ উদ্যোক্তাকে সনদ প্রদান

নিশ্চিত করেছে নকআউট পর্ব

জার্মানিকে হারিয়ে বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ল ইকুয়েডর

ছাদিক হোসেন, ক্রীড়া প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:৪১:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • / 16
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশ্বকাপে আরেকটি বড় চমকের সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে ২-১ গোলে হারিয়ে শুধু তিন পয়েন্টই অর্জন করেনি ইকুয়েডর, বরং নিশ্চিত করেছে নকআউট পর্বে নিজেদের জায়গা। টুর্নামেন্টের অন্যতম শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এই জয় ইকুয়েডরের বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ম্যাচের শুরুতেই জার্মানি নিজেদের আধিপত্যের জানান দেয়। দ্বিতীয় মিনিটে লেরয় সানের নিখুঁত ফিনিশিংয়ে এগিয়ে যায় ইউরোপের পরাশক্তিরা। তবে সেই ধাক্কা বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেয়নি ইকুয়েডর। নবম মিনিটেই নিলসন আঙ্গুলো সমতা ফিরিয়ে দলকে ম্যাচে ফেরান।

সমতায় ফেরার পর আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে থাকে দক্ষিণ আমেরিকার প্রতিনিধিরা। সংগঠিত রক্ষণ, দ্রুত পাল্টা আক্রমণ এবং মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে জার্মানিকে বারবার চাপে ফেলে তারা। সেই ধারাবাহিকতার ফল আসে ৭৭তম মিনিটে। কর্নার থেকে তৈরি হওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে গঞ্জালো প্লাতা জয়সূচক গোলটি করেন।

শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই মাঠ ও গ্যালারিতে শুরু হয় ইকুয়েডরের উৎসব। খেলোয়াড়দের উচ্ছ্বাস, সমর্থকদের আবেগ আর ঐতিহাসিক এই জয়ের আনন্দে রঙিন হয়ে ওঠে পুরো স্টেডিয়াম।

প্রথম দুই ম্যাচে একটি হার ও একটি ড্র নিয়ে কঠিন অবস্থায় থাকা ইকুয়েডর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেই নিজেদের সেরাটা উপহার দিল। তিন ম্যাচ শেষে ৪ পয়েন্ট নিয়ে সেরা তৃতীয় স্থানধারী দলগুলোর একটি হিসেবে তারা নকআউট পর্বে জায়গা করে নেয়। ২০০৬ সালের পর এটাই বিশ্বকাপের নকআউটে ইকুয়েডরের প্রথম উত্তরণ।

অন্যদিকে এই হার জার্মানির জন্য হতাশার হলেও তাদের নকআউটে ওঠা আগেই নিশ্চিত ছিল। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই পরবর্তী পর্বে খেলবে তারা। তবে ইকুয়েডরের বিপক্ষে এই পরাজয় টুর্নামেন্টের বাকি পথচলায় জার্মানির জন্য একটি সতর্কবার্তা হয়ে থাকল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নিশ্চিত করেছে নকআউট পর্ব

জার্মানিকে হারিয়ে বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ল ইকুয়েডর

আপডেট সময় : ০৯:৪১:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

বিশ্বকাপে আরেকটি বড় চমকের সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে ২-১ গোলে হারিয়ে শুধু তিন পয়েন্টই অর্জন করেনি ইকুয়েডর, বরং নিশ্চিত করেছে নকআউট পর্বে নিজেদের জায়গা। টুর্নামেন্টের অন্যতম শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এই জয় ইকুয়েডরের বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ম্যাচের শুরুতেই জার্মানি নিজেদের আধিপত্যের জানান দেয়। দ্বিতীয় মিনিটে লেরয় সানের নিখুঁত ফিনিশিংয়ে এগিয়ে যায় ইউরোপের পরাশক্তিরা। তবে সেই ধাক্কা বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেয়নি ইকুয়েডর। নবম মিনিটেই নিলসন আঙ্গুলো সমতা ফিরিয়ে দলকে ম্যাচে ফেরান।

সমতায় ফেরার পর আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে থাকে দক্ষিণ আমেরিকার প্রতিনিধিরা। সংগঠিত রক্ষণ, দ্রুত পাল্টা আক্রমণ এবং মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে জার্মানিকে বারবার চাপে ফেলে তারা। সেই ধারাবাহিকতার ফল আসে ৭৭তম মিনিটে। কর্নার থেকে তৈরি হওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে গঞ্জালো প্লাতা জয়সূচক গোলটি করেন।

শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই মাঠ ও গ্যালারিতে শুরু হয় ইকুয়েডরের উৎসব। খেলোয়াড়দের উচ্ছ্বাস, সমর্থকদের আবেগ আর ঐতিহাসিক এই জয়ের আনন্দে রঙিন হয়ে ওঠে পুরো স্টেডিয়াম।

প্রথম দুই ম্যাচে একটি হার ও একটি ড্র নিয়ে কঠিন অবস্থায় থাকা ইকুয়েডর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেই নিজেদের সেরাটা উপহার দিল। তিন ম্যাচ শেষে ৪ পয়েন্ট নিয়ে সেরা তৃতীয় স্থানধারী দলগুলোর একটি হিসেবে তারা নকআউট পর্বে জায়গা করে নেয়। ২০০৬ সালের পর এটাই বিশ্বকাপের নকআউটে ইকুয়েডরের প্রথম উত্তরণ।

অন্যদিকে এই হার জার্মানির জন্য হতাশার হলেও তাদের নকআউটে ওঠা আগেই নিশ্চিত ছিল। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই পরবর্তী পর্বে খেলবে তারা। তবে ইকুয়েডরের বিপক্ষে এই পরাজয় টুর্নামেন্টের বাকি পথচলায় জার্মানির জন্য একটি সতর্কবার্তা হয়ে থাকল।