০৫:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বড়লেখায় ৫’শ টাকা মজুরিসহ পাঁচ দফা দাবিতে চা শ্রমিকদের বিক্ষোভ Logo কুলাউড়ায় শতাধিক ক্লাব ও ক্রীড়া সংগঠন পেল ক্রীড়া সামগ্রী Logo জাবি অ্যাডভেঞ্চার সোসাইটির নতুন কমিটির নেতৃত্বে ইমদাদ-ইন্দ্রনীল Logo দক্ষিণ সুরমা সরকারি কলেজে বাঁধন সিলেট জোনের আলোচনা সভা ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo এমসি কলেজ ইকোনমিকস অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন Logo সিলেটে ৩১তম জেলা কোর্স ফর রোভার মেট সম্পন্ন Logo জুড়ীতে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল ইসলামী ছাত্রশিবির Logo জাবিতে জেইউআরএসের প্রথম আন্তর্জাতিক আন্তঃবিষয়ক গবেষণা সম্মেলন অনুষ্ঠিত Logo মৌলভীবাজারে সিএমএফের সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo ফকির বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা

মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়তে বই পড়ার বিকল্প নেই: বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী

ষাটমাকন্ঠ প্রতিবেদক, সিলেট
  • আপডেট সময় : ১২:০৯:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • / 22
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তুলতে জ্ঞান অর্জনের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, জ্ঞান অর্জনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো বই। বই মানুষের চিন্তার জগৎকে সমৃদ্ধ করে, বিবেককে জাগ্রত করে এবং সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের পথে এগিয়ে যেতে সহায়তা করে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিলেট নগরের জিন্দাবাজার এলাকার নেহার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অভ্র সেন্টারে অভ্র প্রকাশন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তাঁর জীবনসঙ্গী সাজেদা বেগম উপস্থিত ছিলেন।

বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী বলেন, পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি মননশীল ও সৃজনশীল বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। বই শুধু তথ্য ও জ্ঞান দেয় না, এটি মানুষের সঙ্গে মানুষের, অতীতের সঙ্গে বর্তমানের এবং এক প্রজন্মের সঙ্গে অন্য প্রজন্মের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে। একটি ভালো বই মানুষের চিন্তাধারা ও জীবনবোধে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।

তিনি বলেন, বই পড়ার মাধ্যমে মানুষ অন্যের জীবন, অনুভূতি ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পায়। এর ফলে মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটে।

প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের কারণে বর্তমানে বই পড়ার অভ্যাস কমে যাচ্ছে উল্লেখ করে বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী বলেন, একটি আলোকিত ও সংস্কৃতিমনস্ক সমাজ গঠনে বইয়ের প্রয়োজনীয়তা আগের চেয়ে আরও বেড়েছে। শিশু-কিশোর ও তরুণদের শুধু পরীক্ষাভিত্তিক শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তাদের হাতে মানসম্মত ও ভালো বই তুলে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে নিজের শৈশব ও কৈশোরের বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করেন বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী। এ সময় সিলেট থেকে তাঁর আইন পেশায় যাত্রার নানা অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক, কবি ও অধ্যাপক নৃপেন্দ্র লাল দাশ, মদনমোহন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ড. আবুল ফতেহ ফাত্তাহ, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী দয়াল চন্দ্র দাশ, লেখক ও রবীন্দ্রগবেষক মিহিরকান্তি চৌধুরী, অধ্যাপক ও লেখক স্বপন নাথ, আইনজীবী ও লেখক বিধুভূষন ভট্টাচার্য, অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক হিমাংশু রঞ্জন দাশ, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের প্রধান ও লেখক প্রণবকান্তি দেব, লেখক রণদীপম বসু এবং অনলাইন সিলেট-এর সম্পাদক আবদুল হক মামুনসহ অনেকে।

অনুষ্ঠানে অভ্র প্রকাশনের প্রধান নির্বাহী ও গবেষক অপূর্ব শর্মা উপস্থিত অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। পরে লেখকেরা বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর হাতে তাঁদের প্রকাশিত বই তুলে দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়তে বই পড়ার বিকল্প নেই: বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী

আপডেট সময় : ১২:০৯:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তুলতে জ্ঞান অর্জনের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, জ্ঞান অর্জনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো বই। বই মানুষের চিন্তার জগৎকে সমৃদ্ধ করে, বিবেককে জাগ্রত করে এবং সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের পথে এগিয়ে যেতে সহায়তা করে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিলেট নগরের জিন্দাবাজার এলাকার নেহার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অভ্র সেন্টারে অভ্র প্রকাশন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তাঁর জীবনসঙ্গী সাজেদা বেগম উপস্থিত ছিলেন।

বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী বলেন, পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি মননশীল ও সৃজনশীল বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। বই শুধু তথ্য ও জ্ঞান দেয় না, এটি মানুষের সঙ্গে মানুষের, অতীতের সঙ্গে বর্তমানের এবং এক প্রজন্মের সঙ্গে অন্য প্রজন্মের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে। একটি ভালো বই মানুষের চিন্তাধারা ও জীবনবোধে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।

তিনি বলেন, বই পড়ার মাধ্যমে মানুষ অন্যের জীবন, অনুভূতি ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পায়। এর ফলে মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটে।

প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের কারণে বর্তমানে বই পড়ার অভ্যাস কমে যাচ্ছে উল্লেখ করে বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী বলেন, একটি আলোকিত ও সংস্কৃতিমনস্ক সমাজ গঠনে বইয়ের প্রয়োজনীয়তা আগের চেয়ে আরও বেড়েছে। শিশু-কিশোর ও তরুণদের শুধু পরীক্ষাভিত্তিক শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তাদের হাতে মানসম্মত ও ভালো বই তুলে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে নিজের শৈশব ও কৈশোরের বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করেন বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী। এ সময় সিলেট থেকে তাঁর আইন পেশায় যাত্রার নানা অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক, কবি ও অধ্যাপক নৃপেন্দ্র লাল দাশ, মদনমোহন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ড. আবুল ফতেহ ফাত্তাহ, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী দয়াল চন্দ্র দাশ, লেখক ও রবীন্দ্রগবেষক মিহিরকান্তি চৌধুরী, অধ্যাপক ও লেখক স্বপন নাথ, আইনজীবী ও লেখক বিধুভূষন ভট্টাচার্য, অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক হিমাংশু রঞ্জন দাশ, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের প্রধান ও লেখক প্রণবকান্তি দেব, লেখক রণদীপম বসু এবং অনলাইন সিলেট-এর সম্পাদক আবদুল হক মামুনসহ অনেকে।

অনুষ্ঠানে অভ্র প্রকাশনের প্রধান নির্বাহী ও গবেষক অপূর্ব শর্মা উপস্থিত অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। পরে লেখকেরা বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর হাতে তাঁদের প্রকাশিত বই তুলে দেন।