সার্কভুক্ত দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ চালু করবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
- আপডেট সময় : ০১:১৯:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
- / 95
সার্কভুক্ত দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ’ চালুর ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ এস এম আমানুল্লাহ। তিনি জানিয়েছেন, বিশেষ করে নেপালের শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ বিনা খরচে উচ্চশিক্ষার সুযোগ উন্মুক্ত করা হবে।
বৃহস্পতিবার নেপালের কাঠমান্ডুর ধুমবারাহিতে অবস্থিত ন্যাশনাল কলেজ-এ আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
উপাচার্য বলেন, বর্তমানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আড়াই হাজারের বেশি কলেজে প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। প্রায় ৫০টি বিষয়ে উচ্চশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হলেও মনোবিজ্ঞান অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে দেশের অনেক শিক্ষার্থী মানসিক আঘাত ও ট্রমার মধ্যে দিয়ে গেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, দক্ষ কাউন্সেলিং ব্যবস্থা এবং পর্যাপ্তসংখ্যক পেশাদার মনোবিজ্ঞানী গড়ে তোলা এখন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত না করে টেকসই মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ লক্ষ্যেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
এ এস এম আমানুল্লাহ আরও বলেন, দেশে বর্তমানে কাউন্সেলিং, অ্যাপ্লাইড ও সোশ্যাল সাইকোলজিস্টের তীব্র সংকট রয়েছে। বর্তমান চাহিদা পূরণে অন্তত ৩০ হাজার মনোবিজ্ঞানী প্রয়োজন হলেও কর্মরত রয়েছেন মাত্র প্রায় ৩০০ জন। এ সংকট দূর করতে পর্যায়ক্রমে প্রতিটি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে কাউন্সেলিং সেবা চালু এবং প্রয়োজনীয়সংখ্যক দক্ষ মনোবিজ্ঞানী তৈরির উদ্যোগকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) মহাসচিব রাষ্ট্রদূত গোলাম সারওয়ার, নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. শফিকুর রহমান, কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অচ্যুত ওয়াগল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল করিমসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষাবিদ, মনোবিজ্ঞানী, গবেষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা।





















