০১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চলন্ত ট্রেনে যাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ Logo গ্রীনহিল স্টেট কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দিলেন মো. নিয়াজ উদ্দীন Logo হারিয়ে যায়নি চিঠি, বদলেছে শুধু রূপ : মাটির ফলক থেকে ডিজিটাল ইনবক্স Logo দুর্গম এলাকায় ডিজিটাল নজরদারি বাড়াবে বিজিবি, তৈরি হবে নিজস্ব ড্রোন সক্ষমতা- সিলেটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo অ্যান্টিবায়োটিক সংকট: ওষুধহীন অন্ধকার যুগের পথে মানবসভ্যতা Logo এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম নারী সার্ফার ফাতিমা Logo প্যারিসে টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং মেলা ২০২৬ শুরু, উদ্বোধন হলো বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন Logo গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে দুর্বার গতিতে ছুটে চলেছে বিএনপি Logo সিলেটে মানবাধিকারকর্মী মিনহাজ সামাদ চৌধুরী নিখোঁজ Logo বড়লেখায় বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

চলতি বছর ২৫ একর পাহাড়ি এলাকায় রোপণ হবে ২৫ হাজার গাছ

পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই: চবি উপাচার্য

ষাটমাকন্ঠ প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:৪২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • / 175
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব এখন সারা বিশ্বেই দৃশ্যমান। এ পরিস্থিতিতে পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।

বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। চবি প্রশাসন ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে। এতে সহযোগিতা করে ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ইনস্টিটিউট।

উপাচার্য বলেন, প্রায় ২ হাজার ৩৫০ একর আয়তনের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের প্রায় ৮৫ শতাংশই পাহাড়ি এলাকা। এ বিশাল সবুজ ক্যাম্পাসের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব।

তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১১ একর এলাকায় বৃক্ষরোপণ সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই পুরাতন গোডাউন এলাকার আরও ১৪ একর পাহাড়ি জমিতে বৃক্ষরোপণ শুরু হবে। সব মিলিয়ে চলতি বছর ২৫ একর এলাকায় প্রায় ২৫ হাজার গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পুরো কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ইনস্টিটিউট।

উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রসঙ্গ তুলে উপাচার্য বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন আবাসিক হল নির্মাণ হয়নি। আবাসন সংকট নিরসনে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একাধিক নতুন আবাসিক হলসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশের যাতে কোনো ক্ষতি না হয়, সে বিষয়েও প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখেই বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. হাছান মিয়া, ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী, ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন, সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি, জিএস সাঈদ বিন হাবিব, সমাজসেবা ও পরিবেশ সম্পাদক তাহসিনা রহমান, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবদুল আহাদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চলতি বছর ২৫ একর পাহাড়ি এলাকায় রোপণ হবে ২৫ হাজার গাছ

পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই: চবি উপাচার্য

আপডেট সময় : ০১:৪২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব এখন সারা বিশ্বেই দৃশ্যমান। এ পরিস্থিতিতে পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।

বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। চবি প্রশাসন ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে। এতে সহযোগিতা করে ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ইনস্টিটিউট।

উপাচার্য বলেন, প্রায় ২ হাজার ৩৫০ একর আয়তনের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের প্রায় ৮৫ শতাংশই পাহাড়ি এলাকা। এ বিশাল সবুজ ক্যাম্পাসের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব।

তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১১ একর এলাকায় বৃক্ষরোপণ সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই পুরাতন গোডাউন এলাকার আরও ১৪ একর পাহাড়ি জমিতে বৃক্ষরোপণ শুরু হবে। সব মিলিয়ে চলতি বছর ২৫ একর এলাকায় প্রায় ২৫ হাজার গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পুরো কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ইনস্টিটিউট।

উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রসঙ্গ তুলে উপাচার্য বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন আবাসিক হল নির্মাণ হয়নি। আবাসন সংকট নিরসনে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একাধিক নতুন আবাসিক হলসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশের যাতে কোনো ক্ষতি না হয়, সে বিষয়েও প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখেই বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. হাছান মিয়া, ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী, ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন, সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি, জিএস সাঈদ বিন হাবিব, সমাজসেবা ও পরিবেশ সম্পাদক তাহসিনা রহমান, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবদুল আহাদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।