০২:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কমলগঞ্জে কমলা বাগান উচ্ছেদ: তদন্তে ৬২৫ গাছের গোড়া, মালিকের দাবি ধ্বংস হয়েছে ১,২০০ গাছ Logo বড়লেখায় পাতাকুঁড়ি শিশুকিশোর থিয়েটারের নতুন কার্যকরী ও উপদেষ্টা কমিটি গঠন Logo বড়লেখায় চোরাই মালামাল উদ্ধারসহ গ্রেফতার ৬ Logo সিসিকের সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবার কাজে আগ্রহী সেলফ্লেস ইউকের চিকিৎসক দল Logo একাদশ শ্রেণির অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজে মতবিনিময় সভা রোববার Logo ১৭ বছর পর লর্ডসে টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ Logo ভাইস এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম নতুন নৌবাহিনী প্রধান Logo প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের বিশেষ সুবিধার মেয়াদ বাড়ল ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত Logo ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে আবেদন ২৫ জুলাই পর্যন্ত Logo ঈদগাহ বাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গুণীজন ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা

গরিবের ডাক্তার বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান চৌধুরীর ২য় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • / 135
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় গরিবের ডাক্তার হিসেবে পরিচিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কুলাউড়া রেলওয়ে হাসপাতালের অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসক মো. হাফিজুর রহমান চৌধুরীর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বাদ আছর কুলাউড়া মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয়ে মরহুমের পরিবারের উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে মরহুমের আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী, মুক্তিযোদ্ধা, শুভানুধ্যায়ী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন গণকিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আবু আইয়ুব আনসারী। অনুষ্ঠানে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

মরহুমের বড় ছেলে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ল্যাব ইনচার্জ মো. সাইদুর রহমান চৌধুরী উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাঁর পিতার জন্য দোয়া কামনা করেন।

উল্লেখ্য, গরিবের ডাক্তার হিসেবে সুপরিচিত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. হাফিজুর রহমান চৌধুরী ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭০ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। ওইদিন কুলাউড়া রেলওয়ে ঈদগাহ মাঠে প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁর নিজ গ্রাম হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার শিবগঞ্জ বাজারে দ্বিতীয় জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

কুলাউড়া রেলওয়ে হাসপাতাল থেকে অবসর গ্রহণের পরও তিনি চিকিৎসাসেবা থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেননি। কুলাউড়া দক্ষিণ বাজারের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে অবস্থিত শাফি ফার্মেসিতে দীর্ঘদিন ধরে অসচ্ছল ও সাধারণ মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করতেন। মানবিক এই সেবার জন্য এলাকাবাসীর কাছে তিনি ‘গরিবের ডাক্তার’ নামে ব্যাপক পরিচিতি ও ভালোবাসা অর্জন করেছিলেন। তাঁর আন্তরিকতা, দেশপ্রেম এবং মানবসেবার আদর্শ আজও কুলাউড়ার মানুষের হৃদয়ে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গরিবের ডাক্তার বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান চৌধুরীর ২য় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

আপডেট সময় : ০১:১৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় গরিবের ডাক্তার হিসেবে পরিচিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কুলাউড়া রেলওয়ে হাসপাতালের অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসক মো. হাফিজুর রহমান চৌধুরীর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বাদ আছর কুলাউড়া মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয়ে মরহুমের পরিবারের উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে মরহুমের আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী, মুক্তিযোদ্ধা, শুভানুধ্যায়ী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন গণকিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আবু আইয়ুব আনসারী। অনুষ্ঠানে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

মরহুমের বড় ছেলে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ল্যাব ইনচার্জ মো. সাইদুর রহমান চৌধুরী উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাঁর পিতার জন্য দোয়া কামনা করেন।

উল্লেখ্য, গরিবের ডাক্তার হিসেবে সুপরিচিত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. হাফিজুর রহমান চৌধুরী ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭০ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। ওইদিন কুলাউড়া রেলওয়ে ঈদগাহ মাঠে প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁর নিজ গ্রাম হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার শিবগঞ্জ বাজারে দ্বিতীয় জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

কুলাউড়া রেলওয়ে হাসপাতাল থেকে অবসর গ্রহণের পরও তিনি চিকিৎসাসেবা থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেননি। কুলাউড়া দক্ষিণ বাজারের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে অবস্থিত শাফি ফার্মেসিতে দীর্ঘদিন ধরে অসচ্ছল ও সাধারণ মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করতেন। মানবিক এই সেবার জন্য এলাকাবাসীর কাছে তিনি ‘গরিবের ডাক্তার’ নামে ব্যাপক পরিচিতি ও ভালোবাসা অর্জন করেছিলেন। তাঁর আন্তরিকতা, দেশপ্রেম এবং মানবসেবার আদর্শ আজও কুলাউড়ার মানুষের হৃদয়ে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে আছে।