০৮:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo আবেদ রাজার বক্তব্যের কড়া জবাব দিল কুলাউড়া বিএনপি Logo আগামীকাল বড়লেখায় আসছেন মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করিম চরমোনাই Logo আর কারও জার্সিতে ‘ফাইভ স্টার’ নেই- মনে করিয়ে দিলেন ব্রাজিল তারকা Logo লোহাগাড়ায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ৪ Logo ‘বাজেট’ শব্দটি কীভাবে এল, আয়-ব্যয়ের হিসাবের বাইরেও যা জানা জরুরি Logo ৪ লাখ টাকার বেশি বেতনে টিআইবিতে চাকরির সুযোগ Logo লিডিং ইউনিভার্সিটির ‘ইইই’ বিভাগে রেকর্ড ভর্তি ও ৪৫তম ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন Logo এএসপি পরিচয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়, অবশেষে আটক Logo কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীতকরণ Logo রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্প অনুভূত

কুলাউড়ায় বিবাহ নিবন্ধনে অসঙ্গতির ব্যাখ্যা দিলেন কাজী জুনাইদ আহমদ 

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:৪০:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / 41
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগে জেলা রেজিস্ট্রারের পরিদর্শনের পর লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন কর্মধা ইউনিয়নের রেজিস্ট্রার মো. জুনাইদ আহমদ। তিনি দাবি করেছেন, দীর্ঘদিনের পুরোনো কাগজপত্রে থাকা ভুলত্রুটি ‘মার্জনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

ইতিমধ্যে কয়েকটি ফেইসবুক পেইজে এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। আমি তাহার সুষ্ঠু ব্যাখা বিশ্লেষণ করছি।

গত ৭ এপ্রিল জেলা রেজিস্ট্রার তাঁর কার্যালয় পরিদর্শন করে বিভিন্ন বিষয়ে অসঙ্গতি চিহ্নিত করে ব্যাখ্যা চান। এর প্রেক্ষিতে দেওয়া লিখিত জবাবে জুনাইদ আহমদ উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী জেলা রেজিস্ট্রারের অডিটে এসব নথি সঠিক বলে স্বাক্ষরিত হয়েছিলো। তিনি আরও জানান, অফিসে একাধিক বিবাহ নিবন্ধন বই রাখা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত এবং সামাজিক প্রয়োজনেই একাধিক বই একসাথে ব্যবহার করা হয়। এটি দেশের অন্যান্য কাজীরাও করে থাকেন। প্রায় ২৩ বছর আগের একটি নিবন্ধন বইয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, সে সময় কাবিন রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে কনের উপস্থিতি সবসময় নিশ্চিত করা হতো না; উকিল ও সাক্ষীর মাধ্যমেই বিবাহ সম্পন্ন হতো। বর্তমানে নিয়ম অনুযায়ী কনের স্বাক্ষর গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। কনের বয়স সংক্রান্ত অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট ঘটনায় তাকে ভুল তথ্য দিয়ে প্রতারিত করা হয়েছিলো। পরবর্তীতে প্রাপ্ত কাগজপত্র অনুযায়ী কনের জন্মতারিখ ২০ জানুয়ারি ১৯৯৮ এবং ১৫ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে বিয়ে নিবন্ধনের সময় তার বয়স ছিলো ১৯ বছর ৯ মাস ২৬ দিন। ফলে এটি বাল্যবিবাহ ছিলো না। তিনি আরও বলেন, একই সাথে ২৩ বছরের পুরোনো কাগজপত্র পর্যালোচনায় কিছু ভুলত্রুটি পাওয়া যেতে পারে, যা মার্জনীয় হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

রেজিস্ট্রার মো. জুনাইদ আহমদ বলেন, অভিযোগকারী দীর্ঘদিন থেকে আমাকে ক্ষতিগ্রস্থ করার চেষ্টা করছে। তার পেছনে অন্য এক কাজীর ইন্ধন রয়েছে।

কাজী জুনাইদ আহমদ

ষাটমা/ম

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কুলাউড়ায় বিবাহ নিবন্ধনে অসঙ্গতির ব্যাখ্যা দিলেন কাজী জুনাইদ আহমদ 

আপডেট সময় : ০৬:৪০:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগে জেলা রেজিস্ট্রারের পরিদর্শনের পর লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন কর্মধা ইউনিয়নের রেজিস্ট্রার মো. জুনাইদ আহমদ। তিনি দাবি করেছেন, দীর্ঘদিনের পুরোনো কাগজপত্রে থাকা ভুলত্রুটি ‘মার্জনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

ইতিমধ্যে কয়েকটি ফেইসবুক পেইজে এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। আমি তাহার সুষ্ঠু ব্যাখা বিশ্লেষণ করছি।

গত ৭ এপ্রিল জেলা রেজিস্ট্রার তাঁর কার্যালয় পরিদর্শন করে বিভিন্ন বিষয়ে অসঙ্গতি চিহ্নিত করে ব্যাখ্যা চান। এর প্রেক্ষিতে দেওয়া লিখিত জবাবে জুনাইদ আহমদ উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী জেলা রেজিস্ট্রারের অডিটে এসব নথি সঠিক বলে স্বাক্ষরিত হয়েছিলো। তিনি আরও জানান, অফিসে একাধিক বিবাহ নিবন্ধন বই রাখা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত এবং সামাজিক প্রয়োজনেই একাধিক বই একসাথে ব্যবহার করা হয়। এটি দেশের অন্যান্য কাজীরাও করে থাকেন। প্রায় ২৩ বছর আগের একটি নিবন্ধন বইয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, সে সময় কাবিন রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে কনের উপস্থিতি সবসময় নিশ্চিত করা হতো না; উকিল ও সাক্ষীর মাধ্যমেই বিবাহ সম্পন্ন হতো। বর্তমানে নিয়ম অনুযায়ী কনের স্বাক্ষর গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। কনের বয়স সংক্রান্ত অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট ঘটনায় তাকে ভুল তথ্য দিয়ে প্রতারিত করা হয়েছিলো। পরবর্তীতে প্রাপ্ত কাগজপত্র অনুযায়ী কনের জন্মতারিখ ২০ জানুয়ারি ১৯৯৮ এবং ১৫ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে বিয়ে নিবন্ধনের সময় তার বয়স ছিলো ১৯ বছর ৯ মাস ২৬ দিন। ফলে এটি বাল্যবিবাহ ছিলো না। তিনি আরও বলেন, একই সাথে ২৩ বছরের পুরোনো কাগজপত্র পর্যালোচনায় কিছু ভুলত্রুটি পাওয়া যেতে পারে, যা মার্জনীয় হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

রেজিস্ট্রার মো. জুনাইদ আহমদ বলেন, অভিযোগকারী দীর্ঘদিন থেকে আমাকে ক্ষতিগ্রস্থ করার চেষ্টা করছে। তার পেছনে অন্য এক কাজীর ইন্ধন রয়েছে।

কাজী জুনাইদ আহমদ

ষাটমা/ম