০২:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজ আর দুর্নীতিবাজ দূর না হওয়া পর্যন্ত আমাদের লড়াই চলবে Logo নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যু: আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান Logo মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে সিলেটে চা শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ Logo জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছাড়ল খেলাফত মজলিস Logo শাবিপ্রবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আকতারুল ইসলাম চৌধুরীর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন Logo বড়লেখায় জুলাই গন-অভ্যত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া Logo ভারতের কলকাতায় প্রীতি ম্যাচ খেলতে পারে ব্রাজিল Logo ইতালি জাতীয় দলের নতুন প্রধান কোচ আন্দ্রেয়া পিরলো Logo স্পিকারের দায়িত্বে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল Logo রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে স্পিকার

সিলেটে জামায়াত আমির

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজ আর দুর্নীতিবাজ দূর না হওয়া পর্যন্ত আমাদের লড়াই চলবে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট সময় : ০১:২৫:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
  • / 36
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আন্দোলনের জন্য ডাক আসবে। ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তুলতে হবে। দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজ আর দুর্নীতিবাজ দূর না হওয়া পর্যন্ত আমাদের লড়াই তীব্র থেকে তীব্রতর হবে।

সিলেটবাসীকে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে শনিবার (২৫ জুলাই) ১১ দলীয় জোটের সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় বিএনপি সরকারকে উদ্দেশ্য করে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেছেন, ভালোয় ভালোয় আমাদের দাবি মেনে নিন। যদি না মানেন, তাহলে এই দেশের মানুষ জীবন দিয়ে, পঙ্গুত্ব বরণ করে, গুলি খেয়ে, শিখে নিয়েছে মুক্তির পথে কিভাবে হাঁটতে হয়।

তিনি আরও বলেন, এখন যারা সরকার গঠন করেছে, তারাও মজলুম ছিলেন। কিন্তু তারা ভুলে গেছেন। সেই ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথ ধরেই তারা হাঁটা শুরু করেছেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা আমাদের শহীদদের সঙ্গে বেইমানি করবো না। জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে বেইমানি করবো না। ১৮ কোটি মানুষের সঙ্গে বেইমানি করবো না।

পরিবর্তন ও সংস্কারের জন্য গণভোটে ৭০ ভাগ মানুষ হ্যাঁ ভোট দিয়েছে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, আমরা গণভোটকে অপমান করতে দেব না। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করেই আমাদের আন্দোলন সফলতার দ্বার প্রান্তে পৌঁছাবে। বাংলাদেশে আমরা আর কোনো ফ্যাসিবাদ চাই না।

বিএনপি আওয়ামী লীগের পথ ধরে হাঁটছে উল্লেখ করে বিরোধী দলীয় প্রধান শফিকুর রহমান বলেন, সমাজের সব ক্ষেত্রে তারা বেপরোয়া, নির্লজ্জ, দলীয়করণ করছে। দুর্নীতিকে তারা জাতীয়করণ করতে যাচ্ছে। জনগণ এটা মানবে না। শেখ হাসিনাকে তাড়িয়েছে। যদি আপনারা ফ্যাসিবাদ কায়েম করেন, তাহলে আপনাদেরকেও জনগণ তাড়াবে। আপনাদেরকেও ছেড়ে জনগণ কথা বলবে না।

উন্নয়নে সিলেট অবহেলিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, সিলেটের মানুষের কিছু ন্যায্য দাবি যুগ যুগ ধরে ঝুলে আছে। প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে নামে মাত্র একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আছে। এখনো তা পূর্ণাঙ্গতা পায়নি। আমরা সংসদে বলেছি সমুদ্রের ঢেউ উপলব্ধি করার জন্য বঙ্গোপসাগরে যাওয়ার দরকার নাই। ঢাকা থেকে সিলেট গেলেই তা বুঝা যাবে। আমরা চাই অবিলম্বে এই সড়কের কাজ সম্পন্ন করে জনগণকে স্বস্তি দেওয়া হোক।

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, সংবিধান সংস্কার এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিচারের দাবিতে রাজশাহী থেকে শুরু হওয়া বিভাগীয় সমাবেশ কর্মসূচির সমাপনী আয়োজন এটি।

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সমাবেশে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ, নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির আব্দুল কাইয়ুম সুবহানী, খেলাফত আন্দোলনের আমির হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এ কে এম আমজাদুল ইসলাম চান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সিলেটে জামায়াত আমির

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজ আর দুর্নীতিবাজ দূর না হওয়া পর্যন্ত আমাদের লড়াই চলবে

আপডেট সময় : ০১:২৫:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আন্দোলনের জন্য ডাক আসবে। ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তুলতে হবে। দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজ আর দুর্নীতিবাজ দূর না হওয়া পর্যন্ত আমাদের লড়াই তীব্র থেকে তীব্রতর হবে।

সিলেটবাসীকে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে শনিবার (২৫ জুলাই) ১১ দলীয় জোটের সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় বিএনপি সরকারকে উদ্দেশ্য করে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেছেন, ভালোয় ভালোয় আমাদের দাবি মেনে নিন। যদি না মানেন, তাহলে এই দেশের মানুষ জীবন দিয়ে, পঙ্গুত্ব বরণ করে, গুলি খেয়ে, শিখে নিয়েছে মুক্তির পথে কিভাবে হাঁটতে হয়।

তিনি আরও বলেন, এখন যারা সরকার গঠন করেছে, তারাও মজলুম ছিলেন। কিন্তু তারা ভুলে গেছেন। সেই ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথ ধরেই তারা হাঁটা শুরু করেছেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা আমাদের শহীদদের সঙ্গে বেইমানি করবো না। জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে বেইমানি করবো না। ১৮ কোটি মানুষের সঙ্গে বেইমানি করবো না।

পরিবর্তন ও সংস্কারের জন্য গণভোটে ৭০ ভাগ মানুষ হ্যাঁ ভোট দিয়েছে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, আমরা গণভোটকে অপমান করতে দেব না। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করেই আমাদের আন্দোলন সফলতার দ্বার প্রান্তে পৌঁছাবে। বাংলাদেশে আমরা আর কোনো ফ্যাসিবাদ চাই না।

বিএনপি আওয়ামী লীগের পথ ধরে হাঁটছে উল্লেখ করে বিরোধী দলীয় প্রধান শফিকুর রহমান বলেন, সমাজের সব ক্ষেত্রে তারা বেপরোয়া, নির্লজ্জ, দলীয়করণ করছে। দুর্নীতিকে তারা জাতীয়করণ করতে যাচ্ছে। জনগণ এটা মানবে না। শেখ হাসিনাকে তাড়িয়েছে। যদি আপনারা ফ্যাসিবাদ কায়েম করেন, তাহলে আপনাদেরকেও জনগণ তাড়াবে। আপনাদেরকেও ছেড়ে জনগণ কথা বলবে না।

উন্নয়নে সিলেট অবহেলিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, সিলেটের মানুষের কিছু ন্যায্য দাবি যুগ যুগ ধরে ঝুলে আছে। প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে নামে মাত্র একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আছে। এখনো তা পূর্ণাঙ্গতা পায়নি। আমরা সংসদে বলেছি সমুদ্রের ঢেউ উপলব্ধি করার জন্য বঙ্গোপসাগরে যাওয়ার দরকার নাই। ঢাকা থেকে সিলেট গেলেই তা বুঝা যাবে। আমরা চাই অবিলম্বে এই সড়কের কাজ সম্পন্ন করে জনগণকে স্বস্তি দেওয়া হোক।

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, সংবিধান সংস্কার এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিচারের দাবিতে রাজশাহী থেকে শুরু হওয়া বিভাগীয় সমাবেশ কর্মসূচির সমাপনী আয়োজন এটি।

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সমাবেশে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ, নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির আব্দুল কাইয়ুম সুবহানী, খেলাফত আন্দোলনের আমির হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এ কে এম আমজাদুল ইসলাম চান।