০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্যারিসে বিশেষ কনস্যুলার সেবা শুরু, ই-পাসপোর্টে স্বস্তি; আরও উদ্যোগ চান প্রবাসীরা Logo ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি আরিফ, সম্পাদক মুনা Logo দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজ আর দুর্নীতিবাজ দূর না হওয়া পর্যন্ত আমাদের লড়াই চলবে Logo নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যু: আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান Logo মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে সিলেটে চা শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ Logo জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছাড়ল খেলাফত মজলিস Logo শাবিপ্রবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আকতারুল ইসলাম চৌধুরীর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন Logo বড়লেখায় জুলাই গন-অভ্যত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া Logo ভারতের কলকাতায় প্রীতি ম্যাচ খেলতে পারে ব্রাজিল Logo ইতালি জাতীয় দলের নতুন প্রধান কোচ আন্দ্রেয়া পিরলো

শীতে নিয়ম মেনে টক দই খান

ষাটমাকন্ঠ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৪২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 202
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টক দই শরীরের জন্য কতটা উপকারী তা কমবেশি সবারই জানা। তবে দই ঠান্ডা খাবার হওয়ায় শীতকালে অনেকেই তা এড়িয়ে যান। অনেকেই মনে করেন, শীতে দই খেলে সর্দি-কাশি বেড়ে যেতে পারে। পুষ্টিবিদদের মতে, সঠিকভাবে দই খেলে শীতেও এটি শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে।

দই প্রাকৃতিক প্রোবায়োটিক, অর্থাৎ এতে থাকে শরীরের জন্য উপকারী জীবাণু যা হজমশক্তি বাড়ায় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। দই খেলে আরও যেসব উপকার মেলে-

হজমে সাহায্য করে: শীতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে খাওয়া দাওয়া বেশি হয়। ফলে হজমের সমস্যা বাড়ে। দই পেট ঠান্ডা রাখে ও অ্যাসিডিটি, ফাঁপাভাব কমায়।

হাড় ও পেশি শক্ত করে: দইয়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন থাকে যা হাড়ের ঘনত্ব ও পেশিশক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে।

ইমিউনিটি বৃদ্ধি করে: দইয়ে থাকা জিঙ্ক, ভিটামিন বি-১২, ও রিবোফ্লাভিন শরীরকে ভাইরাল সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।
ত্বক ও চুলের যত্নে: নিয়মিত দই খেলে ত্বকে উজ্জ্বল থাকে। সেই সঙ্গে চুলও হয় মজবুত।

কখন দই না খাওয়াই ভালো
আয়ুর্বেদ মতে, দই কফবর্ধক খাবার। এ কারণে যাদের ঠান্ডা, কাশি, সাইনাসের সমস্যা আছে, তাদের রাতে ঠান্ডা দই খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। রাতে দই খেলে হজম ধীর হয় ও নাক বন্ধের সমস্যা বাড়তে পারে।

শীতে দই খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি
ফ্রিজের ঠান্ডা দই সরাসরি না খেয়ে ঘরের তাপমাত্রায় খান বা সামান্য গরম করে নিন। দুপুরে খেলে সবচেয়ে ভালো হয়। কারণ এ সময় হজমশক্তি সবচেয়ে সক্রিয় থাকে। দইয়ের সঙ্গে সামান্য ভাজা জিরা, গোলমরিচ গুঁড়ো বা বিট লবণ মিশিয়ে খেলে তা হজমে সাহায্য করে ও কফ কমায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শীতে নিয়ম মেনে টক দই খান

আপডেট সময় : ০৭:৪২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

টক দই শরীরের জন্য কতটা উপকারী তা কমবেশি সবারই জানা। তবে দই ঠান্ডা খাবার হওয়ায় শীতকালে অনেকেই তা এড়িয়ে যান। অনেকেই মনে করেন, শীতে দই খেলে সর্দি-কাশি বেড়ে যেতে পারে। পুষ্টিবিদদের মতে, সঠিকভাবে দই খেলে শীতেও এটি শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে।

দই প্রাকৃতিক প্রোবায়োটিক, অর্থাৎ এতে থাকে শরীরের জন্য উপকারী জীবাণু যা হজমশক্তি বাড়ায় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। দই খেলে আরও যেসব উপকার মেলে-

হজমে সাহায্য করে: শীতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে খাওয়া দাওয়া বেশি হয়। ফলে হজমের সমস্যা বাড়ে। দই পেট ঠান্ডা রাখে ও অ্যাসিডিটি, ফাঁপাভাব কমায়।

হাড় ও পেশি শক্ত করে: দইয়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন থাকে যা হাড়ের ঘনত্ব ও পেশিশক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে।

ইমিউনিটি বৃদ্ধি করে: দইয়ে থাকা জিঙ্ক, ভিটামিন বি-১২, ও রিবোফ্লাভিন শরীরকে ভাইরাল সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।
ত্বক ও চুলের যত্নে: নিয়মিত দই খেলে ত্বকে উজ্জ্বল থাকে। সেই সঙ্গে চুলও হয় মজবুত।

কখন দই না খাওয়াই ভালো
আয়ুর্বেদ মতে, দই কফবর্ধক খাবার। এ কারণে যাদের ঠান্ডা, কাশি, সাইনাসের সমস্যা আছে, তাদের রাতে ঠান্ডা দই খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। রাতে দই খেলে হজম ধীর হয় ও নাক বন্ধের সমস্যা বাড়তে পারে।

শীতে দই খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি
ফ্রিজের ঠান্ডা দই সরাসরি না খেয়ে ঘরের তাপমাত্রায় খান বা সামান্য গরম করে নিন। দুপুরে খেলে সবচেয়ে ভালো হয়। কারণ এ সময় হজমশক্তি সবচেয়ে সক্রিয় থাকে। দইয়ের সঙ্গে সামান্য ভাজা জিরা, গোলমরিচ গুঁড়ো বা বিট লবণ মিশিয়ে খেলে তা হজমে সাহায্য করে ও কফ কমায়।