১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রকৃতি রক্ষা করেই হাকালুকি হাওর ঘিরে গড়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের নতুন পর্যটন অর্থনীতি Logo নিরাপদ ও বৈধ অভিবাসন বিষয়ে সিলেটে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সাংবাদিকদের কর্মশালা Logo শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে ২৫ কোটি টাকা দিল কাফকো Logo লিডিং ইউনিভার্সিটিতে রোবটিকস কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠান Logo বড়লেখা আদালত প্রাঙ্গণে পুবালী ব্যাংকের অর্থায়নে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত Logo রোগীর অ্যাম্বুলেন্সের চালক সিভিল সার্জনের গাড়িতে, ৯ মাস ধরে সংকটে জুড়ীর জরুরি সেবা Logo সিলেটস্থ দোয়ারাবাজার সমিতির নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত Logo সিলেট উইমেন্স মডেল কলেজের ছয় শিক্ষার্থীর ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকার সমমূল্যের স্কলারশিপ অর্জন Logo ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু ১৪ মার্চ Logo মোবাইল কোর্টে বিশৃঙ্খলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ এমপি শওকতুল ইসলামের

যৌন হয়রানি ও ডিজিটাল সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান

লিডিং ইউনিভার্সিটিতে যৌন হয়রানি ও ডিজিটাল সহিংসতা বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার

লিডিং ইউনিভার্সিটি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:৪৮:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / 47
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যৌন হয়রানি ও ডিজিটাল সহিংসতা বর্তমান সময়ে একটি উদ্বেগজনক সামাজিক চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন। তিনি বলেন, যেকোনো ধরনের ভোগান্তির চেয়ে সচেতনতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

লিডিং ইউনিভার্সিটির সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট অ্যান্ড ডিজিটাল ভায়োলেন্স কমিটির উদ্যোগে ‘যৌন হয়রানি ও ডিজিটাল সহিংসতা বিষয়ক সচেতনতা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রোববার (১৬ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাগীব আলী ভবনের গ্যালারি-১ এ এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে মূল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সোশ্যাল ওয়ার্ক বিভাগের প্রফেসর ড. তাহমিনা ইসলাম।

উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন বলেন, নারীসহ প্রত্যেক মানুষের প্রতি সম্মানজনক আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। মা, বোন, পরিবারের সদস্য, প্রতিবেশী, সহপাঠী, শিক্ষকসহ সবার প্রতি শ্রদ্ধাশীল মনোভাব গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, যৌন হয়রানি শারীরিক, মৌখিক কিংবা ডিজিটাল মাধ্যম-যেমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ই-মেইল, মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম ও অন্যান্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সংঘটিত হতে পারে। এসব বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, সেমিনারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যৌন হয়রানি ও ডিজিটাল নিরাপত্তা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন। এ আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট কমিটিকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

মূল আলোচক প্রফেসর ড. তাহমিনা ইসলাম বলেন, যৌন হয়রানি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে ঘটনা ঘটার আগেই সচেতনতা সৃষ্টি এবং ঘটনার পর ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়ানো অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বলেন, কোনো ধরনের হয়রানির ঘটনা ঘটলে তা এড়িয়ে না গিয়ে প্রতিবাদ করতে হবে এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানাতে হবে। লিডিং ইউনিভার্সিটিতে এ বিষয়ে একটি কমিটি রয়েছে, শিক্ষার্থীরা প্রয়োজন হলে তাদের সহায়তা নিতে পারেন। পাশাপাশি যে ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, তার কাছেও বিষয়টি শেয়ার করা উচিত।

ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে অনলাইন হয়রানিও বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নারীরা অনলাইনে অপমানজনক মন্তব্য, অবাঞ্ছিত বার্তা, ভুয়া পরিচয় ব্যবহার এবং ব্যক্তিগত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার মতো বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এসব ঘটনা তাদের মানসিক স্বাস্থ্য ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলছে। তাই ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, সন্তানদের অনলাইন কার্যক্রম সম্পর্কে অভিভাবকদের সচেতন থাকতে হবে। তবে শুধু নজরদারি নয়, সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করা এবং ছোটবেলা থেকেই মূল্যবোধ, সম্মান ও দায়িত্বশীল আচরণের শিক্ষা দেওয়া বেশি কার্যকর।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, প্রযুক্তির ব্যবহার থেকে পিছিয়ে থাকা যাবে না, তবে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। আবেগের বশে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না, যা ভবিষ্যতে ক্ষতির কারণ হতে পারে। কেউ ডিজিটাল হয়রানির শিকার হলে ভেঙে না পড়ে ঠাণ্ডা মাথায় পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসী ভূমিকা নিতে হবে।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন লিডিং ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার মো. মফিজুল ইসলাম।

লিডিং ইউনিভার্সিটির সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট অ্যান্ড ডিজিটাল ভায়োলেন্স কমিটির আহ্বায়ক ও ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মিসেস শাম্মি আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. বশির আহমেদ ভূঁইয়া, কলা ও আধুনিক ভাষা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মো. লুৎফর রহমান এবং পরিচালক অর্থ ও হিসাব মোহাম্মদ কবির আহমেদ।

ইংরেজি বিভাগের ৬৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ফাহমিদা আক্তারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

যৌন হয়রানি ও ডিজিটাল সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান

লিডিং ইউনিভার্সিটিতে যৌন হয়রানি ও ডিজিটাল সহিংসতা বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার

আপডেট সময় : ১২:৪৮:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

যৌন হয়রানি ও ডিজিটাল সহিংসতা বর্তমান সময়ে একটি উদ্বেগজনক সামাজিক চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন। তিনি বলেন, যেকোনো ধরনের ভোগান্তির চেয়ে সচেতনতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

লিডিং ইউনিভার্সিটির সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট অ্যান্ড ডিজিটাল ভায়োলেন্স কমিটির উদ্যোগে ‘যৌন হয়রানি ও ডিজিটাল সহিংসতা বিষয়ক সচেতনতা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রোববার (১৬ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাগীব আলী ভবনের গ্যালারি-১ এ এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে মূল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সোশ্যাল ওয়ার্ক বিভাগের প্রফেসর ড. তাহমিনা ইসলাম।

উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন বলেন, নারীসহ প্রত্যেক মানুষের প্রতি সম্মানজনক আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। মা, বোন, পরিবারের সদস্য, প্রতিবেশী, সহপাঠী, শিক্ষকসহ সবার প্রতি শ্রদ্ধাশীল মনোভাব গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, যৌন হয়রানি শারীরিক, মৌখিক কিংবা ডিজিটাল মাধ্যম-যেমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ই-মেইল, মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম ও অন্যান্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সংঘটিত হতে পারে। এসব বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, সেমিনারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যৌন হয়রানি ও ডিজিটাল নিরাপত্তা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন। এ আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট কমিটিকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

মূল আলোচক প্রফেসর ড. তাহমিনা ইসলাম বলেন, যৌন হয়রানি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে ঘটনা ঘটার আগেই সচেতনতা সৃষ্টি এবং ঘটনার পর ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়ানো অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বলেন, কোনো ধরনের হয়রানির ঘটনা ঘটলে তা এড়িয়ে না গিয়ে প্রতিবাদ করতে হবে এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানাতে হবে। লিডিং ইউনিভার্সিটিতে এ বিষয়ে একটি কমিটি রয়েছে, শিক্ষার্থীরা প্রয়োজন হলে তাদের সহায়তা নিতে পারেন। পাশাপাশি যে ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, তার কাছেও বিষয়টি শেয়ার করা উচিত।

ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে অনলাইন হয়রানিও বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নারীরা অনলাইনে অপমানজনক মন্তব্য, অবাঞ্ছিত বার্তা, ভুয়া পরিচয় ব্যবহার এবং ব্যক্তিগত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার মতো বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এসব ঘটনা তাদের মানসিক স্বাস্থ্য ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলছে। তাই ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, সন্তানদের অনলাইন কার্যক্রম সম্পর্কে অভিভাবকদের সচেতন থাকতে হবে। তবে শুধু নজরদারি নয়, সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করা এবং ছোটবেলা থেকেই মূল্যবোধ, সম্মান ও দায়িত্বশীল আচরণের শিক্ষা দেওয়া বেশি কার্যকর।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, প্রযুক্তির ব্যবহার থেকে পিছিয়ে থাকা যাবে না, তবে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। আবেগের বশে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না, যা ভবিষ্যতে ক্ষতির কারণ হতে পারে। কেউ ডিজিটাল হয়রানির শিকার হলে ভেঙে না পড়ে ঠাণ্ডা মাথায় পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসী ভূমিকা নিতে হবে।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন লিডিং ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার মো. মফিজুল ইসলাম।

লিডিং ইউনিভার্সিটির সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট অ্যান্ড ডিজিটাল ভায়োলেন্স কমিটির আহ্বায়ক ও ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মিসেস শাম্মি আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. বশির আহমেদ ভূঁইয়া, কলা ও আধুনিক ভাষা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মো. লুৎফর রহমান এবং পরিচালক অর্থ ও হিসাব মোহাম্মদ কবির আহমেদ।

ইংরেজি বিভাগের ৬৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ফাহমিদা আক্তারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।