আগস্টের শেষ সপ্তাহেই খুলতে পারে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০১:৫১:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
- / 126
বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য চলতি আগস্টের শেষ সপ্তাহের মধ্যেই মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আবারও পুরোপুরি উন্মুক্ত হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
রোববার (২ আগস্ট) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (২০২৬-২০৩০)’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় চলতি মাসের শেষ সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য দেশটির শ্রমবাজার পুনরায় পুরোপুরি চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি এটিকে দেশের জন্য একটি ইতিবাচক অগ্রগতি বলে উল্লেখ করেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। বাংলাদেশ গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন (জিসিএম)-এর চ্যাম্পিয়ন দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে অনিয়মিত অভিবাসনের কারণে অনেক কর্মী দালালচক্রের প্রতারণার শিকার হয়ে ঋণের বোঝা বহন করছেন। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় অভিবাসন ব্যয় সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ব শ্রমবাজার দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে প্রযুক্তিনির্ভর কর্মপরিবেশ গড়ে ওঠায় দক্ষ ও কারিগরি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনশক্তির চাহিদা বাড়ছে। সেই চাহিদা পূরণে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।
তিনি জানান, প্রবাসীদের সেবা সহজ ও কার্যকর করতে বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর কনস্যুলার সেবা আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি অভিবাসন ব্যবস্থাপনা ও অনিবাসী বাংলাদেশিদের (এনআরবি) বিষয়গুলো সমন্বয়ের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ‘মাইগ্রেশন অ্যান্ড এনআরবি অ্যাফেয়ার্স উইং’ চালু করা হয়েছে।
শামা ওবায়েদ বলেন, আগামী পাঁচ বছরের জন্য প্রণীত জাতীয় কর্মপরিকল্পনা দেশের অভিবাসন ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও আধুনিক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, উপদেষ্টা, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর প্রতিনিধি এবং দেশি-বিদেশি কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।
























