১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

কুলাউড়ায় যুবদল নেতা রাহেলের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর সংবাদ সম্মেলন

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:২৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / 113
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুলাউড়ায় যুবদল নেতা রাহেলের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে গতকাল (১৫) অক্টোবর বিকেলে এলাকবাসীর উদ্যোগে স্থানীয় রাংগিছড়া বাজারে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে এলাকাবাসী বলেন, রাংগিছড়া বাজারের ইজারাদার হলেন যুবদল সভাপতি রাহেল মিয়া। তিনি বাজার ইজারা নেওয়ার পর দেখতে পান বাজারের জায়গা জবর দখল করে আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদের এপিএস শেখ রুহেল একটি গাড়ীর গ্যারেজ প্রতিষ্টা করেছেন। পরে ইজারাদার রাহেল মিয়া সহকারী কমিশনার(ভূমি) বরাবরে একটি আবেদন দায়ের করেন প্রতিকার চেয়ে। আবেদনের প্রেক্ষিতে তৎকালীন এসিল্যান্ড শাহ জহরুল হোসেন সরেজমিনে গিয়ে অবৈধ দখল নিশ্চিত হয়ে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে গাড়ীর গ্যারেজ সরিয়ে নেওয়ার জন্য শেখ রুহেলকে নির্দেশ দেন। নির্দেশের কিছুদিনের মধ্যে পূর্বের এসিল্যান্ড বদলী হয়ে যাওয়ায় শেখ রুহেল গ্যারেজ সরাননি। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে একটি আবেদন করলে তিনি বর্তমান এসিল্যান্ডকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন। বর্তমান এসিল্যান্ড সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে সরকারী বাজারের উপর শেখ রুহেল কর্তৃক গ্যারেজ নির্মানের সত্যতা পেয়ে তাকে(শেখ রুহেলকে) গ্যারেজ অপসারনের নির্দেশ দেন। এ ঘটনা ছাড়াও সম্প্রতি শেখ রুহেল এর বড় ভাই মুহিব আহমদকে ১৪ পিছ ইয়াবাসহ পুলিশ আটক করে। দুটি ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে শেখ রুহেল কতিপয় ব্যক্তিকে টাকা পয়সা দিয়ে বালু উত্তোলনের ঘটনায় রাহেল মিয়াকে জড়িত করে একটি মিথ্যা অভিযোগ প্রশাসনের নিকট দিয়েছে। এবং বিভিন্ন লাইভে রাহেল মিয়ার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছে। আমরা এলাকাবাসী এসব মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা জানাই। এলাকাবাসী বলেন, রাহেল মিয়া এলাকার একজন জনপ্রিয় ব্যক্তি। মানুষের তথা এলাকার উন্নয়নের তিনি নিরলস ভূমিকা পালন করছেন। এবং তিনি একজন প্রতিষ্টিত ব্যবসায়ী।

সংবাদ সম্মেলনে রাংগিছড়া বাজারের ইজারাদার যুবদল সভাপতি রাহেল মিয়া অভিযোগ করে বলেন,আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি সুলতান মনসুরের এপিএস থাকার সুযোগে শেখ রুহেল রাংগিছড়া এলাকায় বনবিভাগের পাহাড় দখল, বাজারের জায়গা দখল, চাঁদাবাজি, খাসিয়াদের ভয়ভীতি দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায়, পূর্ব পাহাড়ের লক্ষ লক্ষ টাকার বনজ সম্পদ উজাড় থেকে শুরু।

পূর্ব পাহাড়ের লক্ষ লক্ষ টাকার বনজ সম্পদ উজাড় থেকে শুরু করে সরকারী ডিপটিবওয়েল থেকে উৎকোচ গ্রহন নানান অপকর্ম করে কয়েক কোটি টাকার মালিক বনে যান। সুলতান মনসুরের এপিএস থাকার পূর্বে ছিল পুরাতন মোটর সাইকেল ৫ বছরের ব্যবধানে দামী কারে চলাচল থেকে শুরু করে আলিশান জীবন যাপন করে বেড়াচ্ছেন শেখ রুহেল। আর শেখ রুহেলের অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় যুবদল সভাপতি ও ব্যবসায়ী রাহেল মিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের আমরা রাংগিছড়াবাসী তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। যুবদল নেতা রাহেলের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের মুল নায়ক সুলতান মনসুরের এপিএস শেখ রুহেল।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কুলাউড়া সদর ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক রাহেল মিয়া। এছাড়াও এলাকার মুরব্বি ও ব্যবসায়ীবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্তিত ছিলেন রাংগিছড়া এলাকার রফিক মিয়া,আলমাছ মিয়া,আছলম মিয়া,নোমান মিয়া,সোলেমান মিয়া,এবুল মিয়া,কুদ্দুস মিয়া,আমির আলী,আং মালিক,আজির মিয়া,লিটন মিয়া,জমির আলী,আলমাছ মিয়া,জুবের হান্নান প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কুলাউড়ায় যুবদল নেতা রাহেলের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৪:২৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

কুলাউড়ায় যুবদল নেতা রাহেলের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে গতকাল (১৫) অক্টোবর বিকেলে এলাকবাসীর উদ্যোগে স্থানীয় রাংগিছড়া বাজারে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে এলাকাবাসী বলেন, রাংগিছড়া বাজারের ইজারাদার হলেন যুবদল সভাপতি রাহেল মিয়া। তিনি বাজার ইজারা নেওয়ার পর দেখতে পান বাজারের জায়গা জবর দখল করে আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদের এপিএস শেখ রুহেল একটি গাড়ীর গ্যারেজ প্রতিষ্টা করেছেন। পরে ইজারাদার রাহেল মিয়া সহকারী কমিশনার(ভূমি) বরাবরে একটি আবেদন দায়ের করেন প্রতিকার চেয়ে। আবেদনের প্রেক্ষিতে তৎকালীন এসিল্যান্ড শাহ জহরুল হোসেন সরেজমিনে গিয়ে অবৈধ দখল নিশ্চিত হয়ে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে গাড়ীর গ্যারেজ সরিয়ে নেওয়ার জন্য শেখ রুহেলকে নির্দেশ দেন। নির্দেশের কিছুদিনের মধ্যে পূর্বের এসিল্যান্ড বদলী হয়ে যাওয়ায় শেখ রুহেল গ্যারেজ সরাননি। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে একটি আবেদন করলে তিনি বর্তমান এসিল্যান্ডকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন। বর্তমান এসিল্যান্ড সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে সরকারী বাজারের উপর শেখ রুহেল কর্তৃক গ্যারেজ নির্মানের সত্যতা পেয়ে তাকে(শেখ রুহেলকে) গ্যারেজ অপসারনের নির্দেশ দেন। এ ঘটনা ছাড়াও সম্প্রতি শেখ রুহেল এর বড় ভাই মুহিব আহমদকে ১৪ পিছ ইয়াবাসহ পুলিশ আটক করে। দুটি ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে শেখ রুহেল কতিপয় ব্যক্তিকে টাকা পয়সা দিয়ে বালু উত্তোলনের ঘটনায় রাহেল মিয়াকে জড়িত করে একটি মিথ্যা অভিযোগ প্রশাসনের নিকট দিয়েছে। এবং বিভিন্ন লাইভে রাহেল মিয়ার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছে। আমরা এলাকাবাসী এসব মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা জানাই। এলাকাবাসী বলেন, রাহেল মিয়া এলাকার একজন জনপ্রিয় ব্যক্তি। মানুষের তথা এলাকার উন্নয়নের তিনি নিরলস ভূমিকা পালন করছেন। এবং তিনি একজন প্রতিষ্টিত ব্যবসায়ী।

সংবাদ সম্মেলনে রাংগিছড়া বাজারের ইজারাদার যুবদল সভাপতি রাহেল মিয়া অভিযোগ করে বলেন,আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি সুলতান মনসুরের এপিএস থাকার সুযোগে শেখ রুহেল রাংগিছড়া এলাকায় বনবিভাগের পাহাড় দখল, বাজারের জায়গা দখল, চাঁদাবাজি, খাসিয়াদের ভয়ভীতি দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায়, পূর্ব পাহাড়ের লক্ষ লক্ষ টাকার বনজ সম্পদ উজাড় থেকে শুরু।

পূর্ব পাহাড়ের লক্ষ লক্ষ টাকার বনজ সম্পদ উজাড় থেকে শুরু করে সরকারী ডিপটিবওয়েল থেকে উৎকোচ গ্রহন নানান অপকর্ম করে কয়েক কোটি টাকার মালিক বনে যান। সুলতান মনসুরের এপিএস থাকার পূর্বে ছিল পুরাতন মোটর সাইকেল ৫ বছরের ব্যবধানে দামী কারে চলাচল থেকে শুরু করে আলিশান জীবন যাপন করে বেড়াচ্ছেন শেখ রুহেল। আর শেখ রুহেলের অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় যুবদল সভাপতি ও ব্যবসায়ী রাহেল মিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের আমরা রাংগিছড়াবাসী তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। যুবদল নেতা রাহেলের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের মুল নায়ক সুলতান মনসুরের এপিএস শেখ রুহেল।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কুলাউড়া সদর ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক রাহেল মিয়া। এছাড়াও এলাকার মুরব্বি ও ব্যবসায়ীবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্তিত ছিলেন রাংগিছড়া এলাকার রফিক মিয়া,আলমাছ মিয়া,আছলম মিয়া,নোমান মিয়া,সোলেমান মিয়া,এবুল মিয়া,কুদ্দুস মিয়া,আমির আলী,আং মালিক,আজির মিয়া,লিটন মিয়া,জমির আলী,আলমাছ মিয়া,জুবের হান্নান প্রমুখ।