০৬:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চলন্ত ট্রেনে যাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ Logo গ্রীনহিল স্টেট কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দিলেন মো. নিয়াজ উদ্দীন Logo হারিয়ে যায়নি চিঠি, বদলেছে শুধু রূপ : মাটির ফলক থেকে ডিজিটাল ইনবক্স Logo দুর্গম এলাকায় ডিজিটাল নজরদারি বাড়াবে বিজিবি, তৈরি হবে নিজস্ব ড্রোন সক্ষমতা- সিলেটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo অ্যান্টিবায়োটিক সংকট: ওষুধহীন অন্ধকার যুগের পথে মানবসভ্যতা Logo এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম নারী সার্ফার ফাতিমা Logo প্যারিসে টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং মেলা ২০২৬ শুরু, উদ্বোধন হলো বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন Logo গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে দুর্বার গতিতে ছুটে চলেছে বিএনপি Logo সিলেটে মানবাধিকারকর্মী মিনহাজ সামাদ চৌধুরী নিখোঁজ Logo বড়লেখায় বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

বড়লেখায় পুলিশের কাছ থেকে ছাত্রলীগ নেতা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৪

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫
  • / 2389
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় একটি রাজনৈতিক মামলার আসামি ছাত্রলীগ নেতা মাসুম আহমদ হাসানকে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের ওপর আক্রমণ করে তার স্বজন ও স্থানীয় লোকজন তাকে ছিনিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।

শনিবার (১২ এপ্রিল) রাত নয়টার দিকে উপজেলার কলাজুরা বাজারে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলা কলাজুরা গ্রামের তাজুল ইসলাম, জামিল আহমদ, গৌরধন সিংহ ও মুরাদ আহমদ।  তবে, স্থানীয়দের অভিযোগ মূল অপরাধীদের গ্রেপ্তার না করে পুলিশ নিরীহ তিন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে। এই ঘটনায় শনিবার রাতেই বড়লেখা থানার এসআই দেবল চন্দ্র সরকার বাদি হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখ ও আরও ৪০/৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে পুলিশ অ্যাসল্ট মামলা করেছেন।

থানা পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কলাজুরা গ্রামের বাসিন্দা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আজির উদ্দিনের ছেলে ছাত্রলীগ নেতা মাসুম আহমদ হাসানের বিরুদ্ধে থানায় একটি রাজনৈতিক মামলা (নং-০৯) রয়েছে। শনিবার রাতে বড়লেখা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই তৌহিদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ কলাজুরা বাজারে অভিযান চালিয়ে মাসুমকে গ্রেপ্তার করে গাড়িতে উঠাতে গেলে তার স্বজন ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত সেখানে জড়ো হয়ে তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেন। এসময় ছাত্রলীগ নেতা মাসুম আহমদ হাসান পালিয়ে যান। পরে খবর পেয়ে বড়লেখা থানার ওসি আবুল কাশেম সরকারের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।  এই ঘটনার পরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে।

মামলার বাদি বড়লেখা থানার এসআই দেবল চন্দ্র সরকার রোববার রাতে বলেন, একটি মামলার আসামি ছাত্রলীগ নেতা মাসুমকে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের ওপর আক্রমণ করে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় তিনি বাদি হয়ে ছাত্রলীগ নেতা মাসুমসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ ও আরও ৪০/৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেছেন।

বড়লেখা থানার ওসি আবুল কাশেম সরকার বলেন, রোববার বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বড়লেখায় পুলিশের কাছ থেকে ছাত্রলীগ নেতা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৪

আপডেট সময় : ০৬:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় একটি রাজনৈতিক মামলার আসামি ছাত্রলীগ নেতা মাসুম আহমদ হাসানকে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের ওপর আক্রমণ করে তার স্বজন ও স্থানীয় লোকজন তাকে ছিনিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।

শনিবার (১২ এপ্রিল) রাত নয়টার দিকে উপজেলার কলাজুরা বাজারে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলা কলাজুরা গ্রামের তাজুল ইসলাম, জামিল আহমদ, গৌরধন সিংহ ও মুরাদ আহমদ।  তবে, স্থানীয়দের অভিযোগ মূল অপরাধীদের গ্রেপ্তার না করে পুলিশ নিরীহ তিন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে। এই ঘটনায় শনিবার রাতেই বড়লেখা থানার এসআই দেবল চন্দ্র সরকার বাদি হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখ ও আরও ৪০/৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে পুলিশ অ্যাসল্ট মামলা করেছেন।

থানা পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কলাজুরা গ্রামের বাসিন্দা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আজির উদ্দিনের ছেলে ছাত্রলীগ নেতা মাসুম আহমদ হাসানের বিরুদ্ধে থানায় একটি রাজনৈতিক মামলা (নং-০৯) রয়েছে। শনিবার রাতে বড়লেখা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই তৌহিদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ কলাজুরা বাজারে অভিযান চালিয়ে মাসুমকে গ্রেপ্তার করে গাড়িতে উঠাতে গেলে তার স্বজন ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত সেখানে জড়ো হয়ে তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেন। এসময় ছাত্রলীগ নেতা মাসুম আহমদ হাসান পালিয়ে যান। পরে খবর পেয়ে বড়লেখা থানার ওসি আবুল কাশেম সরকারের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।  এই ঘটনার পরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে।

মামলার বাদি বড়লেখা থানার এসআই দেবল চন্দ্র সরকার রোববার রাতে বলেন, একটি মামলার আসামি ছাত্রলীগ নেতা মাসুমকে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের ওপর আক্রমণ করে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় তিনি বাদি হয়ে ছাত্রলীগ নেতা মাসুমসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ ও আরও ৪০/৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেছেন।

বড়লেখা থানার ওসি আবুল কাশেম সরকার বলেন, রোববার বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।