০৪:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চলন্ত ট্রেনে যাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ Logo গ্রীনহিল স্টেট কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দিলেন মো. নিয়াজ উদ্দীন Logo হারিয়ে যায়নি চিঠি, বদলেছে শুধু রূপ : মাটির ফলক থেকে ডিজিটাল ইনবক্স Logo দুর্গম এলাকায় ডিজিটাল নজরদারি বাড়াবে বিজিবি, তৈরি হবে নিজস্ব ড্রোন সক্ষমতা- সিলেটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo অ্যান্টিবায়োটিক সংকট: ওষুধহীন অন্ধকার যুগের পথে মানবসভ্যতা Logo এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম নারী সার্ফার ফাতিমা Logo প্যারিসে টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং মেলা ২০২৬ শুরু, উদ্বোধন হলো বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন Logo গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে দুর্বার গতিতে ছুটে চলেছে বিএনপি Logo সিলেটে মানবাধিকারকর্মী মিনহাজ সামাদ চৌধুরী নিখোঁজ Logo বড়লেখায় বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

পরিবারের অভিযোগ অপহরণকারি চক্রকে গ্রেফতারে তৎপর নয় পুলিশ

বড়লেখায় প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখান করার জেরে কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ, দেড় মাসেও হয়নি উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট সময় : ০২:০৯:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
  • / 304
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখান করার জেরে এক কলেজছাত্রীকে অপহরণ করা হয়েছে। অভিযোগ ওঠেছে, অপহরণকারী ও ভিকটিমের (কলেজছাত্রীর) সিডিআর (কল রেকর্ড ডিটেইলস) তোলে অবস্থান নিশ্চিত করে দেওয়ার পরও থানা পুলিশ অপহৃতা কলেজছাত্রীকে উদ্ধার ও অপহরণকারী চক্রকে গ্রেফতারে তৎপর হয়নি।

এছাড়া অপহৃত কলেজছাত্রীর নানি থানায় অপহরণ মামলা দিতে গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। তবে, থানার ওসি জানান, একই বিষয়ে সাধারণ ডায়রি তদন্তাধীন থাকায় অপহরণের অভিযোগটি নেওয়া হয়নি।

জানা গেছে, উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের পূর্ব-দৌলতপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য হাজেরা বেগমের নাতনি বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী হাবিবা আক্তারকে কলেজে যাওয়া-আসার পথে শ্রীধরপুর গ্রামের আকবর আলীর ছেলে শামীম আহমদ উত্যক্ত ও প্রেমের প্রস্তাব দিতে থাকে। কলেজছাত্রী তা প্রত্যাখ্যান করে। এর জেরে ৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টার দিকে কলেজছাত্রী হাবিবা আক্তার প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় শামীম আহমদ ও তার সহযোগীরা জোরপূর্বক একটি নোহা গাড়িতে উঠিয়ে অপহরণ করে। ঘটনার দুইদিন পর ভিকটিমের নানি সাবেক ইউপি সদস্য হাজেরা বেগম থানায় সাধারণ ডায়রি করেন।

হাজেরা বেগম অভিযোগ করেন, থানায় জিডির পর পুলিশের পরামর্শে কয়েক হাজার টাকা ব্যয়ে সিডিআর তোলে ভিকটিম ও অপহরণকারীর অবস্থান শনাক্ত করেন। পুলিশকে জানানোর পরও উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। উদ্ধার অভিযানের জন্য দুই দিন নোহা গাড়ি নিয়ে থানায় গেলেও ফিরিয়ে দেওয়া হয়। প্রায় দেড়মাস ধরে নানা জায়গায় ধর্ণা দিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি। অপহরণে জড়িত চক্রের সকল তথ্য সংগ্রহ করে তাদের বিরুদ্ধে থানায় অপহরণ মামলা দিতে গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি বলে অভিযোগ করেন।

এ ব্যাপারে থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা জানান, ভিকটিম কলেজছাত্রী এর আগেও একই ব্যক্তির সাথে গিয়েছিল। সে সময় পুলিশ ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে তাকে উদ্ধার করে দিয়েছে। ভিকটিমের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান শুরুর আগেই স্থান পরিবর্তন করে। বাদি হাজেরা বেগম মাধবপুরে তাদের অবস্থানের কথা বললেও তখন তারা বরিশালের ভোলায় অবস্থান করেছিল। একই বিষয়ের সাধারণ ডায়রি তদন্তাধীন থাকায় তিনি অপহরণের অভিযোগটি নেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পরিবারের অভিযোগ অপহরণকারি চক্রকে গ্রেফতারে তৎপর নয় পুলিশ

বড়লেখায় প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখান করার জেরে কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ, দেড় মাসেও হয়নি উদ্ধার

আপডেট সময় : ০২:০৯:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখান করার জেরে এক কলেজছাত্রীকে অপহরণ করা হয়েছে। অভিযোগ ওঠেছে, অপহরণকারী ও ভিকটিমের (কলেজছাত্রীর) সিডিআর (কল রেকর্ড ডিটেইলস) তোলে অবস্থান নিশ্চিত করে দেওয়ার পরও থানা পুলিশ অপহৃতা কলেজছাত্রীকে উদ্ধার ও অপহরণকারী চক্রকে গ্রেফতারে তৎপর হয়নি।

এছাড়া অপহৃত কলেজছাত্রীর নানি থানায় অপহরণ মামলা দিতে গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। তবে, থানার ওসি জানান, একই বিষয়ে সাধারণ ডায়রি তদন্তাধীন থাকায় অপহরণের অভিযোগটি নেওয়া হয়নি।

জানা গেছে, উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের পূর্ব-দৌলতপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য হাজেরা বেগমের নাতনি বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী হাবিবা আক্তারকে কলেজে যাওয়া-আসার পথে শ্রীধরপুর গ্রামের আকবর আলীর ছেলে শামীম আহমদ উত্যক্ত ও প্রেমের প্রস্তাব দিতে থাকে। কলেজছাত্রী তা প্রত্যাখ্যান করে। এর জেরে ৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টার দিকে কলেজছাত্রী হাবিবা আক্তার প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় শামীম আহমদ ও তার সহযোগীরা জোরপূর্বক একটি নোহা গাড়িতে উঠিয়ে অপহরণ করে। ঘটনার দুইদিন পর ভিকটিমের নানি সাবেক ইউপি সদস্য হাজেরা বেগম থানায় সাধারণ ডায়রি করেন।

হাজেরা বেগম অভিযোগ করেন, থানায় জিডির পর পুলিশের পরামর্শে কয়েক হাজার টাকা ব্যয়ে সিডিআর তোলে ভিকটিম ও অপহরণকারীর অবস্থান শনাক্ত করেন। পুলিশকে জানানোর পরও উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। উদ্ধার অভিযানের জন্য দুই দিন নোহা গাড়ি নিয়ে থানায় গেলেও ফিরিয়ে দেওয়া হয়। প্রায় দেড়মাস ধরে নানা জায়গায় ধর্ণা দিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি। অপহরণে জড়িত চক্রের সকল তথ্য সংগ্রহ করে তাদের বিরুদ্ধে থানায় অপহরণ মামলা দিতে গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি বলে অভিযোগ করেন।

এ ব্যাপারে থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা জানান, ভিকটিম কলেজছাত্রী এর আগেও একই ব্যক্তির সাথে গিয়েছিল। সে সময় পুলিশ ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে তাকে উদ্ধার করে দিয়েছে। ভিকটিমের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান শুরুর আগেই স্থান পরিবর্তন করে। বাদি হাজেরা বেগম মাধবপুরে তাদের অবস্থানের কথা বললেও তখন তারা বরিশালের ভোলায় অবস্থান করেছিল। একই বিষয়ের সাধারণ ডায়রি তদন্তাধীন থাকায় তিনি অপহরণের অভিযোগটি নেননি।