১০:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চলন্ত ট্রেনে যাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ Logo গ্রীনহিল স্টেট কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দিলেন মো. নিয়াজ উদ্দীন Logo হারিয়ে যায়নি চিঠি, বদলেছে শুধু রূপ : মাটির ফলক থেকে ডিজিটাল ইনবক্স Logo দুর্গম এলাকায় ডিজিটাল নজরদারি বাড়াবে বিজিবি, তৈরি হবে নিজস্ব ড্রোন সক্ষমতা- সিলেটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo অ্যান্টিবায়োটিক সংকট: ওষুধহীন অন্ধকার যুগের পথে মানবসভ্যতা Logo এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম নারী সার্ফার ফাতিমা Logo প্যারিসে টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং মেলা ২০২৬ শুরু, উদ্বোধন হলো বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন Logo গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে দুর্বার গতিতে ছুটে চলেছে বিএনপি Logo সিলেটে মানবাধিকারকর্মী মিনহাজ সামাদ চৌধুরী নিখোঁজ Logo বড়লেখায় বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

মন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুরের কোনো ঘটনা ঘটেনি

চোরেরা দুইটি মন্দিরের দরজার কড়া ভেঙে স্বর্ণালঙ্কারসহ ৪ লাখ ৬৮ হাজার টাকার মালামাল লুট করে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:০১:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫
  • / 189
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পাখিয়ালা গ্রামে শ্রী শ্রী উদ্ধব ঠাকুরের আখড়ার দুটি মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরেরা মন্দিরের দরজার কড়া ভেঙে স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রায় ৪ লাখ ৬৮ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে গেছে।

শুক্রবার (১৩ জুন) রাত দুইটা থেকে ভোর পাঁচটার মধ্যে কোনো এক সময় এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় শুক্রবার দুপুরে মন্দির কমিটির সভাপতি মঞ্জু লাল দে বড়লেখা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৩ জুন) ভোর পাঁচটার দিকে শ্রী শ্রী উদ্ধব ঠাকুরের আখড়ার সেবায়েত সমিরণ চন্দ্র দাস তাকে ফোনে জানান, মন্দিরের দুটি দরজার কড়া ভাঙা এবং ভেতরে চুরির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে তিনি কমিটির অন্য সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। সেখানে গিয়ে তারা দেখতে পান, অজ্ঞাত চোরেরা দুইটি মন্দিরের দরজার কড়া ভেঙে মন্দিরে প্রবেশ করে মূল্যবান মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে।

সেবায়েত সমিরণ চন্দ্র দাস জানান, তিনি প্রতিদিনের মতো ১২ জুন রাত ৯টার দিকে পূজা-অর্চনা শেষে মন্দির তালাবদ্ধ করে নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। ১৩ জুন ভোরে পূজার প্রস্তুতির জন্য মন্দিরের তালা খুলতে গিয়ে দরজার কড়া ভাঙা দেখতে পান। চোরেরা রাত ২টা থেকে ৫টার মধ্যে যে কোনো সময় মন্দিরে ঢুকে চুরি করে। তবে মন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। চুরি হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে ৩টি স্বর্ণের চূড়া, ২টি স্বর্ণের বাঁশি, ৩টি স্বর্ণের নূপুর, ১টি স্বর্ণের চেইন, ১টি স্বর্ণের লকেট, ১টি স্বর্ণের তুলশিপাতা, কাসার ঘন্টা, করতাল, বালতি, থালা ও ৪টি পিতলের মূর্তি। এসব মালামালের মূল্য প্রায় ৪ লাখ ৬৮ হাজার টাকা।

এ ব্যাপারে বড়লেখা থানার ওসি আবুল কাশেম সরকার শুক্রবার বিকেলে বলেন, অভিযোগ পেয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুরের কোনো ঘটনা ঘটেনি

চোরেরা দুইটি মন্দিরের দরজার কড়া ভেঙে স্বর্ণালঙ্কারসহ ৪ লাখ ৬৮ হাজার টাকার মালামাল লুট করে

আপডেট সময় : ০৮:০১:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পাখিয়ালা গ্রামে শ্রী শ্রী উদ্ধব ঠাকুরের আখড়ার দুটি মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরেরা মন্দিরের দরজার কড়া ভেঙে স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রায় ৪ লাখ ৬৮ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে গেছে।

শুক্রবার (১৩ জুন) রাত দুইটা থেকে ভোর পাঁচটার মধ্যে কোনো এক সময় এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় শুক্রবার দুপুরে মন্দির কমিটির সভাপতি মঞ্জু লাল দে বড়লেখা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৩ জুন) ভোর পাঁচটার দিকে শ্রী শ্রী উদ্ধব ঠাকুরের আখড়ার সেবায়েত সমিরণ চন্দ্র দাস তাকে ফোনে জানান, মন্দিরের দুটি দরজার কড়া ভাঙা এবং ভেতরে চুরির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে তিনি কমিটির অন্য সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। সেখানে গিয়ে তারা দেখতে পান, অজ্ঞাত চোরেরা দুইটি মন্দিরের দরজার কড়া ভেঙে মন্দিরে প্রবেশ করে মূল্যবান মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে।

সেবায়েত সমিরণ চন্দ্র দাস জানান, তিনি প্রতিদিনের মতো ১২ জুন রাত ৯টার দিকে পূজা-অর্চনা শেষে মন্দির তালাবদ্ধ করে নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। ১৩ জুন ভোরে পূজার প্রস্তুতির জন্য মন্দিরের তালা খুলতে গিয়ে দরজার কড়া ভাঙা দেখতে পান। চোরেরা রাত ২টা থেকে ৫টার মধ্যে যে কোনো সময় মন্দিরে ঢুকে চুরি করে। তবে মন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। চুরি হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে ৩টি স্বর্ণের চূড়া, ২টি স্বর্ণের বাঁশি, ৩টি স্বর্ণের নূপুর, ১টি স্বর্ণের চেইন, ১টি স্বর্ণের লকেট, ১টি স্বর্ণের তুলশিপাতা, কাসার ঘন্টা, করতাল, বালতি, থালা ও ৪টি পিতলের মূর্তি। এসব মালামালের মূল্য প্রায় ৪ লাখ ৬৮ হাজার টাকা।

এ ব্যাপারে বড়লেখা থানার ওসি আবুল কাশেম সরকার শুক্রবার বিকেলে বলেন, অভিযোগ পেয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।