০২:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল সিলেটের বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ Logo মুরারিচাঁদ কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের অংশগ্রহণে চড়ুইভাতি Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo তৃণমূলে নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াতে দলগুলোর নীতিতে পরিবর্তনের আহ্বান Logo বড়লেখায় মহিষকাণ্ডে যুবলীগ ও বিএনপি নেতাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা Logo বড়লেখায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে অভিভাবক সমাবেশ Logo কুলাউড়ায় সাংবাদিকদের সঙ্গে স্বদেশমেইল সম্পাদক নজরুল ইসলাম খানের মতবিনিময় Logo জাতীয়তাবাদী পরিবারের উদ্যোগে দাসের বাজারে দুই শতাধিক এসএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo শ্রীমঙ্গলে প্রবাসীর বাসায় আগুন, পুড়ে ছাই দুই ঘর Logo প্রযুক্তি শিক্ষায় নতুন দিগন্ত, রাজধানীর বসিলায় হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়

আজ বিশ্ব অলস দিবস, কাজের ফাঁকে বিশ্রামের গুরুত্ব মনে করিয়ে দেয় যে দিন

ষাটমাকন্ঠ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:১৩:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • / 66
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্যস্ততার জীবনে কাজের চাপ ও মানসিক ক্লান্তি কমিয়ে একটু বিশ্রাম নেওয়ার গুরুত্ব মনে করিয়ে দিতে প্রতিবছর ১০ আগস্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হয় ‘বিশ্ব অলস দিবস’ বা ‘ন্যাশনাল লেজি ডে’। নামের সঙ্গে ‘অলস’ শব্দটি থাকলেও দিনটির উদ্দেশ্য মানুষকে অলস হতে উৎসাহিত করা নয়; বরং টানা কাজের ফাঁকে শরীর ও মনকে বিশ্রাম দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা মনে করিয়ে দেওয়া।

দীর্ঘ সময় বিরতিহীনভাবে কাজ করা এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেওয়া শারীরিক ও মানসিক সুস্থতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তি, উদ্বেগ ও কাজে মনোযোগ কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই কর্মব্যস্ততার মধ্যেও নিয়মিত বিরতি ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্ব অলস দিবসের বার্তা হলো—ব্যস্ততার মধ্যেও নিজের জন্য কিছুটা সময় রাখা। এদিন কিংবা যেকোনো অবসর সময়ে ডিজিটাল ডিভাইস থেকে দূরে থাকা, পর্যাপ্ত ঘুম, বই পড়া, গান শোনা বা পছন্দের কোনো কাজে সময় কাটানো যেতে পারে। এসব কর্মকাণ্ড মানসিক চাপ কমিয়ে মনকে সতেজ রাখতে সহায়তা করতে পারে।

সব সময় উৎপাদনশীল থাকার চাপ থেকেও মাঝেমধ্যে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন। কারণ বিরতি নেওয়া মানেই সময় নষ্ট করা নয়। পর্যাপ্ত বিশ্রাম মানসিক সতেজতা ফিরিয়ে আনে এবং পরবর্তী কাজে মনোযোগ ও কর্মক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে।

‘বিশ্ব অলস দিবস’ কবে বা কীভাবে শুরু হয়েছিল, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ও সুস্পষ্ট কোনো ইতিহাস পাওয়া যায় না। তবে আধুনিক ব্যস্ত জীবনে দিনটি বিশ্রাম, অবসর ও নিজের যত্ন নেওয়ার গুরুত্ব নিয়ে ভাবার একটি উপলক্ষ হয়ে উঠেছে।

দিনটির মূল শিক্ষা তাই কাজ ছেড়ে অলস হয়ে থাকা নয়; বরং কাজ ও বিশ্রামের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা। ব্যস্ত জীবনে কখনো কখনো একটু থামাও যে প্রয়োজন- ‘বিশ্ব অলস দিবস’ সেই কথাটিই মনে করিয়ে দেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আজ বিশ্ব অলস দিবস, কাজের ফাঁকে বিশ্রামের গুরুত্ব মনে করিয়ে দেয় যে দিন

আপডেট সময় : ০১:১৩:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

ব্যস্ততার জীবনে কাজের চাপ ও মানসিক ক্লান্তি কমিয়ে একটু বিশ্রাম নেওয়ার গুরুত্ব মনে করিয়ে দিতে প্রতিবছর ১০ আগস্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হয় ‘বিশ্ব অলস দিবস’ বা ‘ন্যাশনাল লেজি ডে’। নামের সঙ্গে ‘অলস’ শব্দটি থাকলেও দিনটির উদ্দেশ্য মানুষকে অলস হতে উৎসাহিত করা নয়; বরং টানা কাজের ফাঁকে শরীর ও মনকে বিশ্রাম দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা মনে করিয়ে দেওয়া।

দীর্ঘ সময় বিরতিহীনভাবে কাজ করা এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেওয়া শারীরিক ও মানসিক সুস্থতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তি, উদ্বেগ ও কাজে মনোযোগ কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই কর্মব্যস্ততার মধ্যেও নিয়মিত বিরতি ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্ব অলস দিবসের বার্তা হলো—ব্যস্ততার মধ্যেও নিজের জন্য কিছুটা সময় রাখা। এদিন কিংবা যেকোনো অবসর সময়ে ডিজিটাল ডিভাইস থেকে দূরে থাকা, পর্যাপ্ত ঘুম, বই পড়া, গান শোনা বা পছন্দের কোনো কাজে সময় কাটানো যেতে পারে। এসব কর্মকাণ্ড মানসিক চাপ কমিয়ে মনকে সতেজ রাখতে সহায়তা করতে পারে।

সব সময় উৎপাদনশীল থাকার চাপ থেকেও মাঝেমধ্যে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন। কারণ বিরতি নেওয়া মানেই সময় নষ্ট করা নয়। পর্যাপ্ত বিশ্রাম মানসিক সতেজতা ফিরিয়ে আনে এবং পরবর্তী কাজে মনোযোগ ও কর্মক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে।

‘বিশ্ব অলস দিবস’ কবে বা কীভাবে শুরু হয়েছিল, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ও সুস্পষ্ট কোনো ইতিহাস পাওয়া যায় না। তবে আধুনিক ব্যস্ত জীবনে দিনটি বিশ্রাম, অবসর ও নিজের যত্ন নেওয়ার গুরুত্ব নিয়ে ভাবার একটি উপলক্ষ হয়ে উঠেছে।

দিনটির মূল শিক্ষা তাই কাজ ছেড়ে অলস হয়ে থাকা নয়; বরং কাজ ও বিশ্রামের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা। ব্যস্ত জীবনে কখনো কখনো একটু থামাও যে প্রয়োজন- ‘বিশ্ব অলস দিবস’ সেই কথাটিই মনে করিয়ে দেয়।