আজ বিশ্ব অলস দিবস, কাজের ফাঁকে বিশ্রামের গুরুত্ব মনে করিয়ে দেয় যে দিন
- আপডেট সময় : ০১:১৩:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
- / 65
ব্যস্ততার জীবনে কাজের চাপ ও মানসিক ক্লান্তি কমিয়ে একটু বিশ্রাম নেওয়ার গুরুত্ব মনে করিয়ে দিতে প্রতিবছর ১০ আগস্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হয় ‘বিশ্ব অলস দিবস’ বা ‘ন্যাশনাল লেজি ডে’। নামের সঙ্গে ‘অলস’ শব্দটি থাকলেও দিনটির উদ্দেশ্য মানুষকে অলস হতে উৎসাহিত করা নয়; বরং টানা কাজের ফাঁকে শরীর ও মনকে বিশ্রাম দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা মনে করিয়ে দেওয়া।
দীর্ঘ সময় বিরতিহীনভাবে কাজ করা এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেওয়া শারীরিক ও মানসিক সুস্থতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তি, উদ্বেগ ও কাজে মনোযোগ কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই কর্মব্যস্ততার মধ্যেও নিয়মিত বিরতি ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্ব অলস দিবসের বার্তা হলো—ব্যস্ততার মধ্যেও নিজের জন্য কিছুটা সময় রাখা। এদিন কিংবা যেকোনো অবসর সময়ে ডিজিটাল ডিভাইস থেকে দূরে থাকা, পর্যাপ্ত ঘুম, বই পড়া, গান শোনা বা পছন্দের কোনো কাজে সময় কাটানো যেতে পারে। এসব কর্মকাণ্ড মানসিক চাপ কমিয়ে মনকে সতেজ রাখতে সহায়তা করতে পারে।
সব সময় উৎপাদনশীল থাকার চাপ থেকেও মাঝেমধ্যে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন। কারণ বিরতি নেওয়া মানেই সময় নষ্ট করা নয়। পর্যাপ্ত বিশ্রাম মানসিক সতেজতা ফিরিয়ে আনে এবং পরবর্তী কাজে মনোযোগ ও কর্মক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে।
‘বিশ্ব অলস দিবস’ কবে বা কীভাবে শুরু হয়েছিল, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ও সুস্পষ্ট কোনো ইতিহাস পাওয়া যায় না। তবে আধুনিক ব্যস্ত জীবনে দিনটি বিশ্রাম, অবসর ও নিজের যত্ন নেওয়ার গুরুত্ব নিয়ে ভাবার একটি উপলক্ষ হয়ে উঠেছে।
দিনটির মূল শিক্ষা তাই কাজ ছেড়ে অলস হয়ে থাকা নয়; বরং কাজ ও বিশ্রামের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা। ব্যস্ত জীবনে কখনো কখনো একটু থামাও যে প্রয়োজন- ‘বিশ্ব অলস দিবস’ সেই কথাটিই মনে করিয়ে দেয়।


























