০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চলন্ত ট্রেনে যাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ Logo গ্রীনহিল স্টেট কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দিলেন মো. নিয়াজ উদ্দীন Logo হারিয়ে যায়নি চিঠি, বদলেছে শুধু রূপ : মাটির ফলক থেকে ডিজিটাল ইনবক্স Logo দুর্গম এলাকায় ডিজিটাল নজরদারি বাড়াবে বিজিবি, তৈরি হবে নিজস্ব ড্রোন সক্ষমতা- সিলেটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo অ্যান্টিবায়োটিক সংকট: ওষুধহীন অন্ধকার যুগের পথে মানবসভ্যতা Logo এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম নারী সার্ফার ফাতিমা Logo প্যারিসে টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং মেলা ২০২৬ শুরু, উদ্বোধন হলো বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন Logo গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে দুর্বার গতিতে ছুটে চলেছে বিএনপি Logo সিলেটে মানবাধিকারকর্মী মিনহাজ সামাদ চৌধুরী নিখোঁজ Logo বড়লেখায় বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

বিভাগীয় কাস্টমস ও রাজস্ব কর্মকর্তার পরিদর্শন

বড়লেখার সীমান্তের জিরো পয়েন্টে আধুনিক রেলওয়ে বন্দর স্থাপনের উজ্জ্বল সম্ভাবনা

বড়লেখা উপজেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:০৫:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • / 195
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বড়লেখা উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের লাতু সীমান্তের জিরো পয়েন্টে একটি আধুনিক রেলওয়ে বন্দর স্থাপনের উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

রোববার দুপুরে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে প্রস্তাবিত এলাকাটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন সিলেট বিভাগীয় কাস্টমস ও রাজস্ব বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পরিদর্শনকারী দলে ছিলেন সিলেট বিভাগীয় কাস্টমসের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার ইসলামুল হক এবং বিভাগীয় রাজস্ব কর্মকর্তা শ্রাবন্তী আফরোজ। তারা লাতু সীমান্তের জিরো পয়েন্ট, নির্মাণাধীন রেলস্টেশন ও রেললাইন এলাকা ঘুরে দেখেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কুলাউড়া-শাহবাজপুর রেল পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় ২০১৭ সাল থেকে ৫২.৫৪ কিলোমিটার রেললাইন পুনঃনির্মাণের কাজ চলছে। ভারতীয় নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ‘কালিন্দি রেল নির্মাণ’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। ভারতের আসাম রাজ্যের সাথে সংযোগকারী এই রেললাইনের কাজ ইতিমধ্যে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমা গত ৩০ জুন পার হলেও প্রকল্পের কাজ এখনো চলমান।

ব্যবসায়িক গুরুত্ব বিবেচনা করে স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন ব্যবসায়ী মহলের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে লাতু (শাহবাজপুর) এলাকায় একটি রেলওয়ে বন্দর স্থাপনের দাবি জানানো হচ্ছিল। এর ফলে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিষয়টি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নজরে এলে কাস্টমস কর্মকর্তাদের পরিদর্শনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

পরিদর্শন শেষে কাস্টমসের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার ইসলামুল হক ও রাজস্ব কর্মকর্তা শ্রাবন্তী আফরোজ উপস্থিত জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের জানান, এখানে সরকারের একটি রেলওয়ে বন্দর স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে তারা সরেজমিনে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন। তারা আরও জানান, এখানে বন্দর স্থাপনের যথেষ্ট ভৌগোলিক ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রয়েছে এবং এ বিষয়ে তারা সরকারের কাছে ইতিবাচক প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন আহমদ, রেল নির্মাণ প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং ৫২ বিজিবি লাতু বিওপি ক্যাম্পের সদস্যরা।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এখানে রেলওয়ে বন্দর স্থাপিত হলে বড়লেখাসহ পুরো সিলেটে অর্থনৈতিক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হবে এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

 

ষাটমাকণ্ঠ/ আশফাক

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বিভাগীয় কাস্টমস ও রাজস্ব কর্মকর্তার পরিদর্শন

বড়লেখার সীমান্তের জিরো পয়েন্টে আধুনিক রেলওয়ে বন্দর স্থাপনের উজ্জ্বল সম্ভাবনা

আপডেট সময় : ০৬:০৫:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

বড়লেখা উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের লাতু সীমান্তের জিরো পয়েন্টে একটি আধুনিক রেলওয়ে বন্দর স্থাপনের উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

রোববার দুপুরে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে প্রস্তাবিত এলাকাটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন সিলেট বিভাগীয় কাস্টমস ও রাজস্ব বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পরিদর্শনকারী দলে ছিলেন সিলেট বিভাগীয় কাস্টমসের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার ইসলামুল হক এবং বিভাগীয় রাজস্ব কর্মকর্তা শ্রাবন্তী আফরোজ। তারা লাতু সীমান্তের জিরো পয়েন্ট, নির্মাণাধীন রেলস্টেশন ও রেললাইন এলাকা ঘুরে দেখেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কুলাউড়া-শাহবাজপুর রেল পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় ২০১৭ সাল থেকে ৫২.৫৪ কিলোমিটার রেললাইন পুনঃনির্মাণের কাজ চলছে। ভারতীয় নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ‘কালিন্দি রেল নির্মাণ’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। ভারতের আসাম রাজ্যের সাথে সংযোগকারী এই রেললাইনের কাজ ইতিমধ্যে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমা গত ৩০ জুন পার হলেও প্রকল্পের কাজ এখনো চলমান।

ব্যবসায়িক গুরুত্ব বিবেচনা করে স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন ব্যবসায়ী মহলের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে লাতু (শাহবাজপুর) এলাকায় একটি রেলওয়ে বন্দর স্থাপনের দাবি জানানো হচ্ছিল। এর ফলে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিষয়টি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নজরে এলে কাস্টমস কর্মকর্তাদের পরিদর্শনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

পরিদর্শন শেষে কাস্টমসের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার ইসলামুল হক ও রাজস্ব কর্মকর্তা শ্রাবন্তী আফরোজ উপস্থিত জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের জানান, এখানে সরকারের একটি রেলওয়ে বন্দর স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে তারা সরেজমিনে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন। তারা আরও জানান, এখানে বন্দর স্থাপনের যথেষ্ট ভৌগোলিক ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রয়েছে এবং এ বিষয়ে তারা সরকারের কাছে ইতিবাচক প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন আহমদ, রেল নির্মাণ প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং ৫২ বিজিবি লাতু বিওপি ক্যাম্পের সদস্যরা।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এখানে রেলওয়ে বন্দর স্থাপিত হলে বড়লেখাসহ পুরো সিলেটে অর্থনৈতিক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হবে এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

 

ষাটমাকণ্ঠ/ আশফাক