০৬:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জাতীয় প্রতিযোগিতায় জলপ্রপাত শিল্পীগোষ্ঠী মৌলভীবাজারের চতুর্থ স্থান অর্জন Logo বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজের হিসাব রক্ষকের অবসর গ্রহণে স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান Logo শহীদ সাংবাদিক এটিএম তুরাবের স্মরণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo কুলাউড়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত Logo আজ ঢাকায় আসছেন মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গোর Logo এনসিপির ওপর হামলায় নিন্দা ইসলামপন্থী দলগুলোর, নীরব জামায়াত Logo নজরুল একাডেমী সিলেটের ৬১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন Logo জুড়ীতে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটির বার্ষিক পরিকল্পনা কর্মশালা Logo কুলাউড়ায় সরকারি বীজ বিক্রির সময় ২৪ বস্তা জব্দ, বিক্রেতার কারাদণ্ড Logo বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের মৌলভীবাজার জেলা আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

দুই মৌসুমের হতাশা কাটিয়ে এফএ কাপ জিতল ম্যানচেস্টার সিটি

ছাদিক হোসেন, ক্রীড়া প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:২১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
  • / 47
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টানা দুইবার ফাইনালে হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা ভুলে অবশেষে আবারও দুই মৌসুমের হতাশা কাটিয়ে এফএ কাপ জিতল ম্যানচেস্টার সিটি। ওয়েম্বলির ঐতিহাসিক মঞ্চে চেলসিকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছে পেপ গার্দিওলার দল।

ফাইনালের একমাত্র গোলটি আসে ঘানিয়ান উইঙ্গার আন্তনি সেমেনিওর পা থেকে। দ্বিতীয়ার্ধে দারুণ এক ব্যাকহিল ফিনিশে চেলসির রক্ষণ ভেদ করে সিটিকে এগিয়ে দেন তিনি। সেই গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়।

গত দুই আসরে ফাইনালে হেরে শূন্য হাতে ফিরতে হয়েছিল সিটিকে। তবে এবার আর ভুল করেনি গার্দিওলার শিষ্যরা। টানা চতুর্থবারের মতো এফএ কাপের ফাইনালে উঠে অষ্টমবারের মতো শিরোপা জয়ের স্বাদ পেল ম্যানচেস্টার সিটি। এর আগে চলতি মৌসুমে কারাবাও কাপও জিতেছিল তারা। ফলে মৌসুমে দ্বিতীয় ট্রফি নিশ্চিত হলো ইতিহাদ ক্লাবটির।

অন্যদিকে, ক্লাব ইতিহাসে ১৭তমবার এফএ কাপের ফাইনালে খেলতে নেমে আবারও হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে চেলসিকে। শেষ সাত আসরে এটি তাদের চতুর্থ রানার্স-আপ হওয়া।

পুরো ম্যাচজুড়েই আধিপত্য ছিল ম্যান সিটির। বল দখলে এগিয়ে থাকার পাশাপাশি আক্রমণেও ছিল বেশি কার্যকর। ৫৬ শতাংশ সময় বল নিয়ন্ত্রণে রেখে মোট ৯টি শট নেয় সিটি, যার চারটি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে চেলসি ছয়টি শট নিলেও গোলমুখে রাখতে পেরেছে মাত্র একটি।

প্রথমার্ধে দুই দলই ছিল কিছুটা সতর্ক। শুরু থেকেই নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে খেলতে থাকে সিটি। তবে আক্রমণে উঠেও শেষ মুহূর্তে কার্যকারিতার অভাব ছিল। ওমর মারমুশ ও সেমেনিও সুযোগ পেলেও গোল করতে পারেননি। একবার আর্লিং হালান্ড বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়ে যায়।

চেলসি মূলত প্রতি-আক্রমণের ওপর নির্ভর করেই খেলেছে। তবে সিটির রক্ষণভাগে আবদুকোদির খুসানভ ও মার্ক গুয়েহি দৃঢ়তায় ব্লুজদের আক্রমণ বারবার থেমে যায়। প্রথমার্ধের শেষদিকে কিছুটা গতি ফিরলেও চেলসির আক্রমণগুলো খুব বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারেনি।

দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচ এগোচ্ছিল সমানতালে। কিন্তু মাঝামাঝি সময়ে সেমেনিওর দুর্দান্ত গোল বদলে দেয় পুরো দৃশ্যপট। গোল হজমের পর সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল চেলসি। তবে এনজো ফার্নান্দেজের নেওয়া ভলি লক্ষ্যে না থাকায় হতাশ হতে হয় ব্লুজদের।

শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় নিয়েই ওয়েম্বলিতে উৎসবে মাতে ম্যানচেস্টার সিটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

দুই মৌসুমের হতাশা কাটিয়ে এফএ কাপ জিতল ম্যানচেস্টার সিটি

আপডেট সময় : ০৩:২১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

টানা দুইবার ফাইনালে হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা ভুলে অবশেষে আবারও দুই মৌসুমের হতাশা কাটিয়ে এফএ কাপ জিতল ম্যানচেস্টার সিটি। ওয়েম্বলির ঐতিহাসিক মঞ্চে চেলসিকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছে পেপ গার্দিওলার দল।

ফাইনালের একমাত্র গোলটি আসে ঘানিয়ান উইঙ্গার আন্তনি সেমেনিওর পা থেকে। দ্বিতীয়ার্ধে দারুণ এক ব্যাকহিল ফিনিশে চেলসির রক্ষণ ভেদ করে সিটিকে এগিয়ে দেন তিনি। সেই গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়।

গত দুই আসরে ফাইনালে হেরে শূন্য হাতে ফিরতে হয়েছিল সিটিকে। তবে এবার আর ভুল করেনি গার্দিওলার শিষ্যরা। টানা চতুর্থবারের মতো এফএ কাপের ফাইনালে উঠে অষ্টমবারের মতো শিরোপা জয়ের স্বাদ পেল ম্যানচেস্টার সিটি। এর আগে চলতি মৌসুমে কারাবাও কাপও জিতেছিল তারা। ফলে মৌসুমে দ্বিতীয় ট্রফি নিশ্চিত হলো ইতিহাদ ক্লাবটির।

অন্যদিকে, ক্লাব ইতিহাসে ১৭তমবার এফএ কাপের ফাইনালে খেলতে নেমে আবারও হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে চেলসিকে। শেষ সাত আসরে এটি তাদের চতুর্থ রানার্স-আপ হওয়া।

পুরো ম্যাচজুড়েই আধিপত্য ছিল ম্যান সিটির। বল দখলে এগিয়ে থাকার পাশাপাশি আক্রমণেও ছিল বেশি কার্যকর। ৫৬ শতাংশ সময় বল নিয়ন্ত্রণে রেখে মোট ৯টি শট নেয় সিটি, যার চারটি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে চেলসি ছয়টি শট নিলেও গোলমুখে রাখতে পেরেছে মাত্র একটি।

প্রথমার্ধে দুই দলই ছিল কিছুটা সতর্ক। শুরু থেকেই নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে খেলতে থাকে সিটি। তবে আক্রমণে উঠেও শেষ মুহূর্তে কার্যকারিতার অভাব ছিল। ওমর মারমুশ ও সেমেনিও সুযোগ পেলেও গোল করতে পারেননি। একবার আর্লিং হালান্ড বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়ে যায়।

চেলসি মূলত প্রতি-আক্রমণের ওপর নির্ভর করেই খেলেছে। তবে সিটির রক্ষণভাগে আবদুকোদির খুসানভ ও মার্ক গুয়েহি দৃঢ়তায় ব্লুজদের আক্রমণ বারবার থেমে যায়। প্রথমার্ধের শেষদিকে কিছুটা গতি ফিরলেও চেলসির আক্রমণগুলো খুব বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারেনি।

দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচ এগোচ্ছিল সমানতালে। কিন্তু মাঝামাঝি সময়ে সেমেনিওর দুর্দান্ত গোল বদলে দেয় পুরো দৃশ্যপট। গোল হজমের পর সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল চেলসি। তবে এনজো ফার্নান্দেজের নেওয়া ভলি লক্ষ্যে না থাকায় হতাশ হতে হয় ব্লুজদের।

শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় নিয়েই ওয়েম্বলিতে উৎসবে মাতে ম্যানচেস্টার সিটি।