১১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কুলাউড়ায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যার দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন Logo প্রাথমিক শিক্ষা পদক/ জুড়ীর অনিক জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ সহকারি শিক্ষক নির্বাচিত Logo জুড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এমপি পরিবারের ঔষধ সহায়তা Logo ফ্রী-ফায়ার গেম নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২ Logo শাবিপ্রবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক খায়রুল ইসলাম Logo ঢাবি ছাত্র ইউনিয়নের নতুন নেতৃত্বে দূর্জয়-মোস্তাকিম Logo বিসিবি নির্বাচনে বিনা ভোটে আসছেন ৪ পরিচালক, জমজমাট লড়াই ক্লাব ক্যাটাগরিতে Logo জুড়ীর বেলাগাঁও-কন্টিনালা নদী ভাঙন রোধে চলমান কাজ পরিদর্শনে এমপি নাসির উদ্দিন আহমেদ Logo কমলগঞ্জে বজ্রপাতে একজন চা-শ্রমিকের মৃত্যু, আহত পাঁচ Logo স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ের ১ম বর্ষ শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির আবেদন শুরু

শিল্পীরা যাতে সমাজ ও রাষ্ট্রে যথাযথ মর্যাদা পান

শিল্পী সমিতির নির্বাচনে দুই কিংবদন্তির সন্তানের প্যানেল

বিনোদন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
  • / 29
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আসন্ন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ ও চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি প্যানেল দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। বাপ্পারাজ সভাপতি পদে এবং মুক্তি সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন। ইতোমধ্যে শিল্পী সমিতির আসন্ন নির্বাচন নিয়ে চলচ্চিত্রাঙ্গণ সরব হয়ে উঠেছে।

তবে দুই কিংবদন্তির উত্তরসূরি বাপ্পারাজ ও মুক্তি প্যানেল দেয়ায় সবার মাঝে নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ ও উৎসাহ ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি নায়করাজ রাজ্জাকের পুত্র বাপ্পারাজ ও অভিনেত্রী আনোয়ারার মেয়ে প্রার্থী হওয়ায় সকলের মধ্যে আলোড়ন তুলেছে। প্রায় প্রত্যেকেই মনে করছেন, এই দুই শিল্পী বিজয়ী হলে শিল্পী সমিতির মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পাবে। তারা তাদের যোগ্যতা দিয়ে শিল্পীদের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে পারবেন। তারা সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য।

বাপ্পারাজ বলেন, চেয়েছিলাম, বাবার কবর জিয়ারত করে খবরটি সবাইকে জানাব। তার আগেই গণমাধ্যমে খবরটি চলে এসেছে। প্রার্থী হওয়ার খবরে অনেক শিল্পীই ফোন করে এবং ম্যাসেজ দিয়ে শুভকামনা জানাচ্ছেন। অনেকেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। খবরটি জেনে তারা ভীষণ খুশি বলে জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দেখলাম সবাই আমাদের ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। শিল্পীরা চান আমি যেন শিল্পী সমিতির হাল ধরি। শিল্পীদের চাওয়াকে গুরুত্ব দিয়েই দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে এবার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আমার বাবা শিল্পী সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন। বিগত সময় আমিও কমিটিতে ছিলাম। আনুদিও (আনোয়ারা বেগম) বিগত সময় কমিটিতে ছিলেন। এরই মধ্যে মধ্যে মুক্তিও দায়িত্ব পালন করেছে। আমরা পরবর্তী প্রজন্ম নতুন মেয়াদের নেতৃত্বে শিল্পীদের জন্য কাজ করতে চাই। এরই মধ্যে আমরা বেশকিছু পরিকল্পনা করেছি, শিল্পীরা সুযোগ দিলে তাদের কল্যাণে তা বাস্তবায়ন করব। আশা করছি, সম্মানিত শিল্পীরা আমাদের তাদের ভালোবাসায় রাখবেন এবং কাজের সুযোগ করে দিবেন। সেইসঙ্গে আমার ভক্ত এবং দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসা চাই।

মুক্তি বলেন, তারা সমিতির সদস্যদের অধিকার রক্ষা এবং চলচ্চিত্রের উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই নির্বাচনে অংশ নিতে চান। শিল্পীরা যাতে সমাজ ও রাষ্ট্রে যথাযথ মর্যাদা পান এবং সম্মানের সাথে জীবনযাপন করতে পারেন, এ ব্যাপারে আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে। আমাদের প্যানেল নির্বাচিত হলে, এ ব্যাপারে আমরা জোরালো উদ্যোগ নেব।

উল্লেখ্য, গত ২৪ এপ্রিল শেষ হয়েছে মিশা সওদাগর ও মনোয়ার হোসেন ডিপজল কার্যনির্বাহী পরিষদের ২০২৪-২৬ মেয়াদ। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বাপ্পা ও মুক্তি ছাড়া আরেকটি প্যানেল হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। শিগগিরই চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির তফসিল ঘোষণা হবে বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শিল্পীরা যাতে সমাজ ও রাষ্ট্রে যথাযথ মর্যাদা পান

শিল্পী সমিতির নির্বাচনে দুই কিংবদন্তির সন্তানের প্যানেল

আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

আসন্ন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ ও চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি প্যানেল দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। বাপ্পারাজ সভাপতি পদে এবং মুক্তি সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন। ইতোমধ্যে শিল্পী সমিতির আসন্ন নির্বাচন নিয়ে চলচ্চিত্রাঙ্গণ সরব হয়ে উঠেছে।

তবে দুই কিংবদন্তির উত্তরসূরি বাপ্পারাজ ও মুক্তি প্যানেল দেয়ায় সবার মাঝে নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ ও উৎসাহ ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি নায়করাজ রাজ্জাকের পুত্র বাপ্পারাজ ও অভিনেত্রী আনোয়ারার মেয়ে প্রার্থী হওয়ায় সকলের মধ্যে আলোড়ন তুলেছে। প্রায় প্রত্যেকেই মনে করছেন, এই দুই শিল্পী বিজয়ী হলে শিল্পী সমিতির মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পাবে। তারা তাদের যোগ্যতা দিয়ে শিল্পীদের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে পারবেন। তারা সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য।

বাপ্পারাজ বলেন, চেয়েছিলাম, বাবার কবর জিয়ারত করে খবরটি সবাইকে জানাব। তার আগেই গণমাধ্যমে খবরটি চলে এসেছে। প্রার্থী হওয়ার খবরে অনেক শিল্পীই ফোন করে এবং ম্যাসেজ দিয়ে শুভকামনা জানাচ্ছেন। অনেকেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। খবরটি জেনে তারা ভীষণ খুশি বলে জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দেখলাম সবাই আমাদের ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। শিল্পীরা চান আমি যেন শিল্পী সমিতির হাল ধরি। শিল্পীদের চাওয়াকে গুরুত্ব দিয়েই দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে এবার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আমার বাবা শিল্পী সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন। বিগত সময় আমিও কমিটিতে ছিলাম। আনুদিও (আনোয়ারা বেগম) বিগত সময় কমিটিতে ছিলেন। এরই মধ্যে মধ্যে মুক্তিও দায়িত্ব পালন করেছে। আমরা পরবর্তী প্রজন্ম নতুন মেয়াদের নেতৃত্বে শিল্পীদের জন্য কাজ করতে চাই। এরই মধ্যে আমরা বেশকিছু পরিকল্পনা করেছি, শিল্পীরা সুযোগ দিলে তাদের কল্যাণে তা বাস্তবায়ন করব। আশা করছি, সম্মানিত শিল্পীরা আমাদের তাদের ভালোবাসায় রাখবেন এবং কাজের সুযোগ করে দিবেন। সেইসঙ্গে আমার ভক্ত এবং দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসা চাই।

মুক্তি বলেন, তারা সমিতির সদস্যদের অধিকার রক্ষা এবং চলচ্চিত্রের উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই নির্বাচনে অংশ নিতে চান। শিল্পীরা যাতে সমাজ ও রাষ্ট্রে যথাযথ মর্যাদা পান এবং সম্মানের সাথে জীবনযাপন করতে পারেন, এ ব্যাপারে আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে। আমাদের প্যানেল নির্বাচিত হলে, এ ব্যাপারে আমরা জোরালো উদ্যোগ নেব।

উল্লেখ্য, গত ২৪ এপ্রিল শেষ হয়েছে মিশা সওদাগর ও মনোয়ার হোসেন ডিপজল কার্যনির্বাহী পরিষদের ২০২৪-২৬ মেয়াদ। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বাপ্পা ও মুক্তি ছাড়া আরেকটি প্যানেল হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। শিগগিরই চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির তফসিল ঘোষণা হবে বলে জানা গেছে।