০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চলন্ত ট্রেনে যাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ Logo গ্রীনহিল স্টেট কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দিলেন মো. নিয়াজ উদ্দীন Logo হারিয়ে যায়নি চিঠি, বদলেছে শুধু রূপ : মাটির ফলক থেকে ডিজিটাল ইনবক্স Logo দুর্গম এলাকায় ডিজিটাল নজরদারি বাড়াবে বিজিবি, তৈরি হবে নিজস্ব ড্রোন সক্ষমতা- সিলেটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo অ্যান্টিবায়োটিক সংকট: ওষুধহীন অন্ধকার যুগের পথে মানবসভ্যতা Logo এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম নারী সার্ফার ফাতিমা Logo প্যারিসে টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং মেলা ২০২৬ শুরু, উদ্বোধন হলো বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন Logo গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে দুর্বার গতিতে ছুটে চলেছে বিএনপি Logo সিলেটে মানবাধিকারকর্মী মিনহাজ সামাদ চৌধুরী নিখোঁজ Logo বড়লেখায় বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে লাখ লাখ মানুষ

রয়টার্স
  • আপডেট সময় : ১১:১১:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • / 139

ওয়াশিংটন ডিসিতে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ। ২৮ মার্চ ২০২৬ । ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আগ্রাসী অভিবাসনবিরোধী নীতি এবং ইরানে যুদ্ধসহ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরও কয়েকটি নীতির প্রতিবাদে গতকাল শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন নগরে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে।

ট্রাম্পবিরোধী এ বিক্ষোভ ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ নামে পরিচিত হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রে শনিবার তৃতীয়বারের মতো ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে।

এদিন যুক্তরাষ্ট্রের সব অঙ্গরাজ্যের ৩ হাজার ২০০টির বেশি জায়গায় বিক্ষোভের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। আগের দুটো বিক্ষোভে কয়েক লাখ মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। তবে এবার সবচেয়ে বেশি মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আয়োজকেরা বলেছেন, গত বছরের জুনে প্রথমবার ‘নো কিংস’ বিক্ষোভের তুলনায় ছোট ছোট শহরগুলোতে বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের রাজধানী সেন্ট পলের বাইরে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ট্রাম্পের আগ্রাসী অবৈধ অভিবাসননীতির কারণে এ অঙ্গরাজ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সেখানে বিক্ষোভ মিছিলে অনেকেই নানা ধরনের পোস্টার উঁচিয়ে ধরেছিলেন। কারও কারও পোস্টারে রেনি গুড ও অ্যালেক্স প্রেটির ছবি দেখা গেছে। এ বছর মিনিয়াপলিসে ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা এই দুজনকে গুলি করে হত্যা করেন।

ওয়াশিংটন ডিসিতে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ। ২৮ মার্চ ২০২৬
ওয়াশিংটন ডিসিতে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ। ২৮ মার্চ ২০২৬। ছবি: রয়টার্স

জনসভায় মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালৎস বলেন, ট্রাম্প ও তাঁর নীতির বিরুদ্ধে তাঁরা যে প্রতিবাদ করছেন, সেটাই প্রমাণ করে- তাঁরাই যুক্তরাষ্ট্রের ভালো দিকগুলোর আসল শক্তি।

ওয়ালৎস আরও বলেন, ‘তাঁরা আমাদের কট্টরপন্থী বলেন। আপনারা একদম ঠিক বলেন, আমরা কট্টরপন্থী, আমরা সত্যই প্রভাবিত হয়েছি- মানবিকতা দ্বারা প্রভাবিত, শালীনতা দ্বারা প্রভাবিত, ন্যায়বিচারের প্রক্রিয়া দ্বারা প্রভাবিত, গণতন্ত্র দ্বারা প্রভাবিত এবং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে যা কিছু করা সম্ভব, তা করতে আমরা প্রভাবিত হয়েছি।’

ভারমন্টের সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সও মিনেসোটায় বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এই দেশকে স্বৈরাচার বা অলিগার্কদের দিকে পতিত হতে দেব না। এ দেশে জনগণের শাসন থাকবে।’

নিউইয়র্কে ম্যানহাটানে এদিন প্রায় লাখো মানুষ বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এখানে বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজকদের একজন ছিলেন বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের নীতির বিরুদ্ধে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ কর্মসূচিতে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন। ২৮ মার্চি ২০২৬, ওয়াশিংটন। ছবি: রয়টার্স

রবার্ট ডি নিরো বলেন, ‘ট্রাম্পের আগে আর কোনো প্রেসিডেন্ট আমাদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তাকে এতটা অস্তিত্বের সংকটে ফেলেননি।’

৫৪ বছর বয়সী হলি বেমিস বলেন, তিনি এবং নিউইয়র্কে প্রতিবাদ মিছিলে অংশগ্রহণকারী অন্যরা সেই একই চেতনায় কাজ করছেন, যেভাবে তাঁদের পূর্বপুরুষেরা আমেরিকান বিপ্লবে লড়াই করেছিলেন।

এই নারী বলেন, ‘আমরা রাজাদের শাসনের বিরুদ্ধে লড়েছি এবং আমরা স্বাধীনতার জন্য লড়েছি। এখন আমরা আবারও ঠিক সেই কাজই করছি।’

ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল মলে প্রতিবাদে জড়ো হওয়া লোকজন গণতন্ত্রের সমর্থনে স্লোগান দেন। এ সময় তাঁরা ট্রাম্পবিরোধী প্ল্যাকার্ড তুলে ধরেন।

মেরিল্যান্ডে একদল বয়স্ক মানুষ হুইলচেয়ারে বসে হাতে প্ল্যাকার্ড ধরে প্রতিবাদ জানান। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল ‘স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন’, ‘গণতন্ত্র চাইলে আওয়াজ তুলুন’ এবং ‘ট্রাম্পকে বিদায় দিন’।

ট্রাম্পবিরোধী ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে নেমেছেন বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো। তাঁর সঙ্গে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেতিশিয়া জেমস, প্রবীণ রাজনীতিক আল শার্পটন প্রমুখ। ২৮ মার্চ ২০২৬, নিউইয়র্ক
ট্রাম্পবিরোধী ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে নেমেছেন বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো। তাঁর সঙ্গে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেতিশিয়া জেমস, প্রবীণ রাজনীতিক আল শার্পটন প্রমুখ। ২৮ মার্চ ২০২৬, নিউইয়র্ক। ছবি: রয়টার্স

ডালাসে অনুষ্ঠিত সমাবেশে কয়েক হাজার মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। সেখানে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে তাঁদের বিপরীতে অবস্থান নেওয়া দলগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।

ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে প্রতিবাদে অংশ নেন অবসর জীবনে যাওয়া টেরেসা গানের। তিনি বলেন, তিনি এতে অংশ নিয়েছেন কারণ—সবারই স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ ও লোভের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

টেরেসা বলেন, ‘ট্রাম্প যা কিছু করছেন, তার সবই নিজেকে আরও ধনী করতে এবং সাধারণ মার্কিনদের কাছ থেকে সম্পদ কেড়ে নিতে।’

গতকাল শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, প্রায় এক হাজার ‘দাঙ্গাকারী’ একটি ফেডারেল ভবন ঘিরে রাখার সময় দুজনকে ফেডারেল আইন প্রয়োগকারীদের ওপর হামলার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ বিভাগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছে, ফেডারেল কারাগারের আশপাশের এলাকা থেকে সরে না যাওয়ার কারণে একাধিক বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সেখানে বিক্ষোভকারীরা একটি বেড়ার ওপার থেকে ইট-পাটকেল ছুড়লে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে লাখ লাখ মানুষ

আপডেট সময় : ১১:১১:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

আগ্রাসী অভিবাসনবিরোধী নীতি এবং ইরানে যুদ্ধসহ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরও কয়েকটি নীতির প্রতিবাদে গতকাল শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন নগরে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে।

ট্রাম্পবিরোধী এ বিক্ষোভ ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ নামে পরিচিত হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রে শনিবার তৃতীয়বারের মতো ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে।

এদিন যুক্তরাষ্ট্রের সব অঙ্গরাজ্যের ৩ হাজার ২০০টির বেশি জায়গায় বিক্ষোভের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। আগের দুটো বিক্ষোভে কয়েক লাখ মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। তবে এবার সবচেয়ে বেশি মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আয়োজকেরা বলেছেন, গত বছরের জুনে প্রথমবার ‘নো কিংস’ বিক্ষোভের তুলনায় ছোট ছোট শহরগুলোতে বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের রাজধানী সেন্ট পলের বাইরে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ট্রাম্পের আগ্রাসী অবৈধ অভিবাসননীতির কারণে এ অঙ্গরাজ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সেখানে বিক্ষোভ মিছিলে অনেকেই নানা ধরনের পোস্টার উঁচিয়ে ধরেছিলেন। কারও কারও পোস্টারে রেনি গুড ও অ্যালেক্স প্রেটির ছবি দেখা গেছে। এ বছর মিনিয়াপলিসে ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা এই দুজনকে গুলি করে হত্যা করেন।

ওয়াশিংটন ডিসিতে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ। ২৮ মার্চ ২০২৬
ওয়াশিংটন ডিসিতে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ। ২৮ মার্চ ২০২৬। ছবি: রয়টার্স

জনসভায় মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালৎস বলেন, ট্রাম্প ও তাঁর নীতির বিরুদ্ধে তাঁরা যে প্রতিবাদ করছেন, সেটাই প্রমাণ করে- তাঁরাই যুক্তরাষ্ট্রের ভালো দিকগুলোর আসল শক্তি।

ওয়ালৎস আরও বলেন, ‘তাঁরা আমাদের কট্টরপন্থী বলেন। আপনারা একদম ঠিক বলেন, আমরা কট্টরপন্থী, আমরা সত্যই প্রভাবিত হয়েছি- মানবিকতা দ্বারা প্রভাবিত, শালীনতা দ্বারা প্রভাবিত, ন্যায়বিচারের প্রক্রিয়া দ্বারা প্রভাবিত, গণতন্ত্র দ্বারা প্রভাবিত এবং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে যা কিছু করা সম্ভব, তা করতে আমরা প্রভাবিত হয়েছি।’

ভারমন্টের সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সও মিনেসোটায় বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এই দেশকে স্বৈরাচার বা অলিগার্কদের দিকে পতিত হতে দেব না। এ দেশে জনগণের শাসন থাকবে।’

নিউইয়র্কে ম্যানহাটানে এদিন প্রায় লাখো মানুষ বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এখানে বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজকদের একজন ছিলেন বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের নীতির বিরুদ্ধে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ কর্মসূচিতে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন। ২৮ মার্চি ২০২৬, ওয়াশিংটন। ছবি: রয়টার্স

রবার্ট ডি নিরো বলেন, ‘ট্রাম্পের আগে আর কোনো প্রেসিডেন্ট আমাদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তাকে এতটা অস্তিত্বের সংকটে ফেলেননি।’

৫৪ বছর বয়সী হলি বেমিস বলেন, তিনি এবং নিউইয়র্কে প্রতিবাদ মিছিলে অংশগ্রহণকারী অন্যরা সেই একই চেতনায় কাজ করছেন, যেভাবে তাঁদের পূর্বপুরুষেরা আমেরিকান বিপ্লবে লড়াই করেছিলেন।

এই নারী বলেন, ‘আমরা রাজাদের শাসনের বিরুদ্ধে লড়েছি এবং আমরা স্বাধীনতার জন্য লড়েছি। এখন আমরা আবারও ঠিক সেই কাজই করছি।’

ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল মলে প্রতিবাদে জড়ো হওয়া লোকজন গণতন্ত্রের সমর্থনে স্লোগান দেন। এ সময় তাঁরা ট্রাম্পবিরোধী প্ল্যাকার্ড তুলে ধরেন।

মেরিল্যান্ডে একদল বয়স্ক মানুষ হুইলচেয়ারে বসে হাতে প্ল্যাকার্ড ধরে প্রতিবাদ জানান। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল ‘স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন’, ‘গণতন্ত্র চাইলে আওয়াজ তুলুন’ এবং ‘ট্রাম্পকে বিদায় দিন’।

ট্রাম্পবিরোধী ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে নেমেছেন বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো। তাঁর সঙ্গে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেতিশিয়া জেমস, প্রবীণ রাজনীতিক আল শার্পটন প্রমুখ। ২৮ মার্চ ২০২৬, নিউইয়র্ক
ট্রাম্পবিরোধী ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে নেমেছেন বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো। তাঁর সঙ্গে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেতিশিয়া জেমস, প্রবীণ রাজনীতিক আল শার্পটন প্রমুখ। ২৮ মার্চ ২০২৬, নিউইয়র্ক। ছবি: রয়টার্স

ডালাসে অনুষ্ঠিত সমাবেশে কয়েক হাজার মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। সেখানে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে তাঁদের বিপরীতে অবস্থান নেওয়া দলগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।

ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে প্রতিবাদে অংশ নেন অবসর জীবনে যাওয়া টেরেসা গানের। তিনি বলেন, তিনি এতে অংশ নিয়েছেন কারণ—সবারই স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ ও লোভের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

টেরেসা বলেন, ‘ট্রাম্প যা কিছু করছেন, তার সবই নিজেকে আরও ধনী করতে এবং সাধারণ মার্কিনদের কাছ থেকে সম্পদ কেড়ে নিতে।’

গতকাল শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, প্রায় এক হাজার ‘দাঙ্গাকারী’ একটি ফেডারেল ভবন ঘিরে রাখার সময় দুজনকে ফেডারেল আইন প্রয়োগকারীদের ওপর হামলার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ বিভাগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছে, ফেডারেল কারাগারের আশপাশের এলাকা থেকে সরে না যাওয়ার কারণে একাধিক বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সেখানে বিক্ষোভকারীরা একটি বেড়ার ওপার থেকে ইট-পাটকেল ছুড়লে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে।