০৩:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

ভুলে কিছু খেয়ে ফেললে রোজা ভেঙে যাবে কি?

ধর্ম ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:১৫:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫
  • / 161
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের তৃতীয় রোজা। প্রত্যেক সাবালক ও সুস্থ মুসলিম নর-নারীর ওপর রমজানের রোজা ফরজ করেছেন মহান আল্লাহ তায়ালা। আর রোজার রয়েছে নির্দিষ্ট নীতিমালা।

তবে রোজার কথা স্মরণ হওয়া মাত্রই পানাহার ছেড়ে দিতে হবে এবং মুখ থেকে খাদ্য বের করে ফেলতে হবে।

আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি ভুলে আহার করল বা পান করল, সে যেন তার রােজা পূর্ণ করে। কারণ আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন। (মুসলিম, হাদিস : ১/২০২)
আরেকটি হাদিসে আছে, যে রমজান মাসে ভুলে পানাহার করল, তার উপর কোন কাজা নেই; কোনো কাফফারাও নেই। (ইবনে হিব্বান, হাদিস: ০৮/২৮৮)

ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা, তোমাদের ওপর রোজাকে ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর। যেন তোমরা আল্লাহভীরু হতে পারো।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৮৩)
রোজা এলে অনেকেই ভুলবশত কিছু খেয়ে ফেলা বা পানাহার করে ফেলেন। ভুলবশত পানাহার করলে রোজা ভেঙে যায় কিনা তা নিয়ে চিন্তায় ভোগেন অনেকেই। তবে, ভুল করে কোনো কিছু খেয়ে ফেললে রোজা ভঙ্গ হবে না। [বুখারি শরিফ ১/২৫৯]।

রোজার রয়েছে অনন্য ফজিলত। রোজা আমাদের উপর ফরজ করে আল্লাহ কোরআনে ঘোষণা করেন, হে ঈমাদাররা! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হলো, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতগণের ওপর, যেন তোমরা তাকওয়া (আল্লাহ ভীতি) অর্জন করতে পারো। (সুরা: বাকারা-১৮৩)
অন্য এক আয়াতে বলেন, রমজান মাস এমন মাস, যার ভেতর কোরআন নাজিল করা হয়েছে, যা মানুষের পথপ্রদর্শক এবং সত্য পথ প্রদর্শনের ও সত্য-মিথ্যার প্রভেদ করার স্পষ্ট নিদর্শন। তোমাদের মধ্যে যে রমজান মাস পায়, সে যেন তাতে রোজা রাখে। (সুরা: বাকারা-১৮৫)

প্রসঙ্গত, মূলত সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত তিনটি বিষয় থেকে বিরত থাকাই রোজা। ক. স্ত্রী সম্ভোগ, খ. খাবার গ্রহণ, গ. পানীয় গ্রহণ। কেউ স্ত্রী সম্ভোগ ও পানাহারে লিপ্ত হলে তার রোজা ভেঙে যাবে। তা ছাড়া নারীদের ঋতুস্রাবের কারণেও রোজা ভেঙে যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভুলে কিছু খেয়ে ফেললে রোজা ভেঙে যাবে কি?

আপডেট সময় : ১১:১৫:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের তৃতীয় রোজা। প্রত্যেক সাবালক ও সুস্থ মুসলিম নর-নারীর ওপর রমজানের রোজা ফরজ করেছেন মহান আল্লাহ তায়ালা। আর রোজার রয়েছে নির্দিষ্ট নীতিমালা।

তবে রোজার কথা স্মরণ হওয়া মাত্রই পানাহার ছেড়ে দিতে হবে এবং মুখ থেকে খাদ্য বের করে ফেলতে হবে।

আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি ভুলে আহার করল বা পান করল, সে যেন তার রােজা পূর্ণ করে। কারণ আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন। (মুসলিম, হাদিস : ১/২০২)
আরেকটি হাদিসে আছে, যে রমজান মাসে ভুলে পানাহার করল, তার উপর কোন কাজা নেই; কোনো কাফফারাও নেই। (ইবনে হিব্বান, হাদিস: ০৮/২৮৮)

ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা, তোমাদের ওপর রোজাকে ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর। যেন তোমরা আল্লাহভীরু হতে পারো।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৮৩)
রোজা এলে অনেকেই ভুলবশত কিছু খেয়ে ফেলা বা পানাহার করে ফেলেন। ভুলবশত পানাহার করলে রোজা ভেঙে যায় কিনা তা নিয়ে চিন্তায় ভোগেন অনেকেই। তবে, ভুল করে কোনো কিছু খেয়ে ফেললে রোজা ভঙ্গ হবে না। [বুখারি শরিফ ১/২৫৯]।

রোজার রয়েছে অনন্য ফজিলত। রোজা আমাদের উপর ফরজ করে আল্লাহ কোরআনে ঘোষণা করেন, হে ঈমাদাররা! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হলো, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতগণের ওপর, যেন তোমরা তাকওয়া (আল্লাহ ভীতি) অর্জন করতে পারো। (সুরা: বাকারা-১৮৩)
অন্য এক আয়াতে বলেন, রমজান মাস এমন মাস, যার ভেতর কোরআন নাজিল করা হয়েছে, যা মানুষের পথপ্রদর্শক এবং সত্য পথ প্রদর্শনের ও সত্য-মিথ্যার প্রভেদ করার স্পষ্ট নিদর্শন। তোমাদের মধ্যে যে রমজান মাস পায়, সে যেন তাতে রোজা রাখে। (সুরা: বাকারা-১৮৫)

প্রসঙ্গত, মূলত সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত তিনটি বিষয় থেকে বিরত থাকাই রোজা। ক. স্ত্রী সম্ভোগ, খ. খাবার গ্রহণ, গ. পানীয় গ্রহণ। কেউ স্ত্রী সম্ভোগ ও পানাহারে লিপ্ত হলে তার রোজা ভেঙে যাবে। তা ছাড়া নারীদের ঋতুস্রাবের কারণেও রোজা ভেঙে যায়।