আজ বোধনে দেবীর নিদ্রা ভাঙার বন্দনা, কাল মহাষষ্ঠী
- আপডেট সময় : ০৮:২৪:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / 236
হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, শারদীয় দুর্গোৎসবের সূচনা হয় দেবী দুর্গার বোধনপূজার মাধ্যমে। দক্ষিণায়নে নিদ্রিত দেবীর জাগরণের জন্য এই বিশেষ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। আজ শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মণ্ডপ ও মন্দিরে পঞ্চমীর সায়ংকালে অনুষ্ঠিত হবে এই বোধনপূজা। আর আগামীকাল রোববার মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে এ বছরের শারদীয় দুর্গোৎসব।
বড়লেখার দক্ষিণভাগে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা
বোধন দুর্গাপূজার অন্যতম প্রধান আচার। ‘বোধন’ শব্দের অর্থ জাগরণ বা চৈতন্যপ্রাপ্তি। পূজা শুরুর আগে সন্ধ্যায় বেলশাখায় দেবীর বোধন করা অত্যাবশ্যকীয় অঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হয়। শরৎকালের দুর্গাপূজায় এই আচার মানার নির্দেশ রয়েছে। পুরাণ মতে, ভগবান রামচন্দ্র রাক্ষসরাজ রাবণকে বধের উদ্দেশ্যে শরৎকালে দুর্গাপূজা করেন। সেই সময় তিনি ‘অকালবোধন’ করেন, যা পরবর্তীকালে অকালবোধন নামেই পরিচিত হয়। তবে বসন্তকালে চৈত্র মাসে যে বাসন্তীপূজা হয়, তাতে বোধন করার প্রয়োজন হয় না।
![]()
আজকের বোধন শেষে আগামীকাল মহাষষ্ঠীতে ষষ্ঠীবিহিত পূজা, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মাধ্যমে শুরু হবে আনুষ্ঠানিক পূজা পর্ব। সোমবার মহাসপ্তমী, মঙ্গলবার মহাষ্টমী ও কুমারীপূজা, বুধবার মহানবমী এবং বৃহস্পতিবার বিজয়া দশমী ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে পাঁচ দিনের এই মহোৎসব।
সনাতন বিশ্বাস ও পঞ্জিকামতে, এ বছর দেবী দুর্গা গজে (হাতি) চড়ে স্বর্গ থেকে মর্ত্যে আগমন করবেন। এর ফলে পৃথিবী শস্যপূর্ণা হয়ে উঠবে বলে ধারণা করা হয়। তবে বিদায়ের সময় দেবী দোলায় (পালকি) চড়ে স্বর্গে প্রত্যাবর্তন করবেন, যার ফলস্বরূপ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রোগ ও মহামারির প্রাদুর্ভাব বাড়তে পারে বলে মনে করা হয়।






















