০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে মুখোমুখি এমবাপ্পে ও হালান্ড Logo মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারালেন ফুটবলারের স্ত্রী Logo বিশ্বকাপের মঞ্চেই বিদায় বললেন গিলের্মো ওচোয়া, শেষ হলো মেক্সিকোর এক স্বর্ণালী অধ্যায় Logo রাউন্ড অব ৩২-এ জাপানের কাছে বিদায় নেবে ব্রাজিল Logo বড়লেখায় কাদামাটিতে পিচ্ছিল সড়ক, জনস্বার্থে নিসচা’র উদ্যোগে সংস্কার কার্যক্রম Logo জাপান-সুইডেন ড্র, নকআউটে উঠল দুই দলই Logo ভিনির বাতিল গোল নিয়ে রেফারিকে যা বললেন ব্রাজিল কোচ Logo জার্মানিকে হারিয়ে বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ল ইকুয়েডর Logo শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ১২ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি Logo আজ কুলাউড়ায় আসছেন এনসিপির নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী ও সারজিস আলম

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ডের আবেদনে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:১৩:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
  • / 144
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হোয়াইট হাউস যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে। মূলত গ্রিনকার্ড ও এইচ-১বি ভিসা ব্যবস্থাকে ঘিরেই এই পরিবর্তন আসতে পারে।

মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক ফক্স নিউজকে বলেছেন, বর্তমান গ্রিনকার্ড প্রক্রিয়ায় তুলনামূলক কম আয়ের অভিবাসীরাই বেশি সুযোগ পাচ্ছেন। তাঁর দাবি, গড়ে একজন মার্কিন নাগরিক বছরে যেখানে ৭৫ হাজার ডলার আয় করেন, সেখানে গ্রিনকার্ডধারীর গড় আয় দাঁড়ায় ৬৬ হাজার ডলার। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘কম আয়ের মানুষ কেন এত সুযোগ পাবেন? আমরা সর্বোত্তম যোগ্যতাসম্পন্ন মানুষদের বেছে নিতে চাই।’

লুটনিক জানান, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন গ্রিনকার্ড ব্যবস্থাকে ‘মেরিট-ভিত্তিক’ করতে যাচ্ছে। অর্থাৎ, পারিবারিক সম্পর্ক বা লটারি পদ্ধতির পরিবর্তে উচ্চ আয়ের ও দক্ষ আবেদনকারীরা অগ্রাধিকার পাবেন।

এ ছাড়া ‘গোল্ড কার্ড’ পরিকল্পনার কথাও বলেন লুটনিক। এর মাধ্যমে বিদেশি নাগরিকেরা যুক্তরাষ্ট্রে অন্তত ৫০ লাখ ডলার বিনিয়োগ করলে স্থায়ী আবাসিক মর্যাদা পাবেন। উচ্চ সম্পদশালী বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করারই এই পরিকল্পনার লক্ষ্য।

একই সঙ্গে এইচ-১বি ভিসা ব্যবস্থাতেও সংস্কার আনা হবে। বর্তমানে বিশেষায়িত ক্ষেত্রে কাজের জন্য বিদেশি পেশাজীবীদের এই ভিসা দেওয়া হয় এবং তা লটারির মাধ্যমে বণ্টিত হয়। নতুন প্রস্তাবে লটারির পরিবর্তে আয়ের ভিত্তিতে ধাপভিত্তিক ব্যবস্থা চালুর কথা ভাবা হচ্ছে। এতে উচ্চ বেতনের আবেদনকারীরা অগ্রাধিকার পাবেন।

আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই হোয়াইট হাউস থেকে এসব পরিবর্তন নিয়ে বিস্তারিত ঘোষণা আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে সমালোচকেরা বলছেন, এই ধরনের পদক্ষেপ মধ্য ও নিম্ন আয়ের অভিবাসীদের সুযোগ সীমিত করবে। অথচ তারাই দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন সমাজ ও অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। বাইডেন প্রশাসনের সময়ে মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ডাগ র‍্যান্ড বলেন, ‘লুটনিক হয়তো এইচ-১বি (যা অস্থায়ী) আর গ্রিনকার্ড (যা স্থায়ী)–এর পার্থক্য বুঝতে পারছেন না।’

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ডের আবেদনে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত

আপডেট সময় : ০৭:১৩:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

হোয়াইট হাউস যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে। মূলত গ্রিনকার্ড ও এইচ-১বি ভিসা ব্যবস্থাকে ঘিরেই এই পরিবর্তন আসতে পারে।

মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক ফক্স নিউজকে বলেছেন, বর্তমান গ্রিনকার্ড প্রক্রিয়ায় তুলনামূলক কম আয়ের অভিবাসীরাই বেশি সুযোগ পাচ্ছেন। তাঁর দাবি, গড়ে একজন মার্কিন নাগরিক বছরে যেখানে ৭৫ হাজার ডলার আয় করেন, সেখানে গ্রিনকার্ডধারীর গড় আয় দাঁড়ায় ৬৬ হাজার ডলার। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘কম আয়ের মানুষ কেন এত সুযোগ পাবেন? আমরা সর্বোত্তম যোগ্যতাসম্পন্ন মানুষদের বেছে নিতে চাই।’

লুটনিক জানান, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন গ্রিনকার্ড ব্যবস্থাকে ‘মেরিট-ভিত্তিক’ করতে যাচ্ছে। অর্থাৎ, পারিবারিক সম্পর্ক বা লটারি পদ্ধতির পরিবর্তে উচ্চ আয়ের ও দক্ষ আবেদনকারীরা অগ্রাধিকার পাবেন।

এ ছাড়া ‘গোল্ড কার্ড’ পরিকল্পনার কথাও বলেন লুটনিক। এর মাধ্যমে বিদেশি নাগরিকেরা যুক্তরাষ্ট্রে অন্তত ৫০ লাখ ডলার বিনিয়োগ করলে স্থায়ী আবাসিক মর্যাদা পাবেন। উচ্চ সম্পদশালী বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করারই এই পরিকল্পনার লক্ষ্য।

একই সঙ্গে এইচ-১বি ভিসা ব্যবস্থাতেও সংস্কার আনা হবে। বর্তমানে বিশেষায়িত ক্ষেত্রে কাজের জন্য বিদেশি পেশাজীবীদের এই ভিসা দেওয়া হয় এবং তা লটারির মাধ্যমে বণ্টিত হয়। নতুন প্রস্তাবে লটারির পরিবর্তে আয়ের ভিত্তিতে ধাপভিত্তিক ব্যবস্থা চালুর কথা ভাবা হচ্ছে। এতে উচ্চ বেতনের আবেদনকারীরা অগ্রাধিকার পাবেন।

আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই হোয়াইট হাউস থেকে এসব পরিবর্তন নিয়ে বিস্তারিত ঘোষণা আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে সমালোচকেরা বলছেন, এই ধরনের পদক্ষেপ মধ্য ও নিম্ন আয়ের অভিবাসীদের সুযোগ সীমিত করবে। অথচ তারাই দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন সমাজ ও অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। বাইডেন প্রশাসনের সময়ে মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ডাগ র‍্যান্ড বলেন, ‘লুটনিক হয়তো এইচ-১বি (যা অস্থায়ী) আর গ্রিনকার্ড (যা স্থায়ী)–এর পার্থক্য বুঝতে পারছেন না।’