০১:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চলন্ত ট্রেনে যাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ Logo গ্রীনহিল স্টেট কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দিলেন মো. নিয়াজ উদ্দীন Logo হারিয়ে যায়নি চিঠি, বদলেছে শুধু রূপ : মাটির ফলক থেকে ডিজিটাল ইনবক্স Logo দুর্গম এলাকায় ডিজিটাল নজরদারি বাড়াবে বিজিবি, তৈরি হবে নিজস্ব ড্রোন সক্ষমতা- সিলেটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo অ্যান্টিবায়োটিক সংকট: ওষুধহীন অন্ধকার যুগের পথে মানবসভ্যতা Logo এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম নারী সার্ফার ফাতিমা Logo প্যারিসে টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং মেলা ২০২৬ শুরু, উদ্বোধন হলো বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন Logo গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে দুর্বার গতিতে ছুটে চলেছে বিএনপি Logo সিলেটে মানবাধিকারকর্মী মিনহাজ সামাদ চৌধুরী নিখোঁজ Logo বড়লেখায় বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

গুম-হত্যাকাণ্ডে জড়িত বাহিনীর বিলুপ্তি বা পুনর্গঠনসহ ১১ দাবি মায়ের ডাকের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:০৪:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫
  • / 344

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ‘মায়ের ডাক’-এর সংগঠক সানজিদা ইসলাম তুলি। শুক্রবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যেসব নিরাপত্তা বাহিনী বারবার গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে জড়িত, তাদের বিলুপ্তি অথবা পুনর্গঠনসহ ১১ দফা দাবি জানিয়েছে আওয়ামী লীগ শাসনামলে গুম ও খুনের শিকার পরিবারগুলোর সংগঠন ‘মায়ের ডাক’। ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম দিবসকে সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে এসব দাবি জানানো হয়।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এ দাবিগুলো উত্থাপন করেন ‘মায়ের ডাক’-এর সংগঠক সানজিদা ইসলাম তুলি।

অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে গুমের সব রিপোর্টকৃত ঘটনার নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত শুরু করা; গুমের শিকার ব্যক্তিদের সন্ধানে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে একটি জাতীয় কার্যপ্রক্রিয়া গঠন; গুম ও নির্যাতন থেকে বেঁচে ফেরা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার ও আইনি হয়রানি বন্ধ করা; গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবার যেন নিখোঁজ আত্মীয়ের আর্থিক ও সম্পত্তিগত বিষয়াদি পরিচালনায় আইনি অধিকার পায়, তা নিশ্চিত করা; গুম থেকে বেঁচে ফেরা ও তাঁদের পরিবারের জন্য একটি জাতীয় সুরক্ষা কাঠামো প্রণয়ন; সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহার রোধে অবিলম্বে সংস্কার আনা; গুমবিরোধী যেকোনো প্রস্তাবিত আইনকে আন্তর্জাতিক কনভেশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা এবং আনুষ্ঠানিক কনভেনশনটি অনুসমর্থন করা।

‘মেমোরিজ অব ডিজঅ্যাপিয়ারেন্স’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী দেখছেন গুম–খুনের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনেরা। আজ শুক্রবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে
‘মেমোরিজ অব ডিজঅ্যাপিয়ারেন্স’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী দেখছেন গুম-খুনের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনেরা। শুক্রবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত প্রতিটি গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয় সামনে আনার ঘোষণা দেন ‘মায়ের ডাক’-এর সংগঠক সানজিদা ইসলাম। তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকটা সত্যকে সামনে আনব, যে সত্যগুলোকে এখনো পর্যন্ত বাধা দেওয়া হচ্ছে। আমরা পরিষ্কার বলে দিতে চাই, ওই বাউন্ডারিকে, ওই ব্যারাককে, ওই সেনানিবাসকে আমরা ভয় পাই না।’

সানজিদা ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনটির সমন্বয়ক মঞ্জুর হোসেনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এবং সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমানসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ মানবাধিকারবিষয়ক উপদেষ্টা হুমা খান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ, অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট সাইয়্যেদ আবদুল্লাহ প্রমুখ।

মানববন্ধন শেষে ‘মেমোরিজ অব ডিজঅ্যাপিয়ারেন্স’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গুম-হত্যাকাণ্ডে জড়িত বাহিনীর বিলুপ্তি বা পুনর্গঠনসহ ১১ দাবি মায়ের ডাকের

আপডেট সময় : ০৯:০৪:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫

যেসব নিরাপত্তা বাহিনী বারবার গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে জড়িত, তাদের বিলুপ্তি অথবা পুনর্গঠনসহ ১১ দফা দাবি জানিয়েছে আওয়ামী লীগ শাসনামলে গুম ও খুনের শিকার পরিবারগুলোর সংগঠন ‘মায়ের ডাক’। ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম দিবসকে সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে এসব দাবি জানানো হয়।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এ দাবিগুলো উত্থাপন করেন ‘মায়ের ডাক’-এর সংগঠক সানজিদা ইসলাম তুলি।

অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে গুমের সব রিপোর্টকৃত ঘটনার নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত শুরু করা; গুমের শিকার ব্যক্তিদের সন্ধানে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে একটি জাতীয় কার্যপ্রক্রিয়া গঠন; গুম ও নির্যাতন থেকে বেঁচে ফেরা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার ও আইনি হয়রানি বন্ধ করা; গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবার যেন নিখোঁজ আত্মীয়ের আর্থিক ও সম্পত্তিগত বিষয়াদি পরিচালনায় আইনি অধিকার পায়, তা নিশ্চিত করা; গুম থেকে বেঁচে ফেরা ও তাঁদের পরিবারের জন্য একটি জাতীয় সুরক্ষা কাঠামো প্রণয়ন; সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহার রোধে অবিলম্বে সংস্কার আনা; গুমবিরোধী যেকোনো প্রস্তাবিত আইনকে আন্তর্জাতিক কনভেশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা এবং আনুষ্ঠানিক কনভেনশনটি অনুসমর্থন করা।

‘মেমোরিজ অব ডিজঅ্যাপিয়ারেন্স’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী দেখছেন গুম–খুনের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনেরা। আজ শুক্রবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে
‘মেমোরিজ অব ডিজঅ্যাপিয়ারেন্স’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী দেখছেন গুম-খুনের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনেরা। শুক্রবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত প্রতিটি গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয় সামনে আনার ঘোষণা দেন ‘মায়ের ডাক’-এর সংগঠক সানজিদা ইসলাম। তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকটা সত্যকে সামনে আনব, যে সত্যগুলোকে এখনো পর্যন্ত বাধা দেওয়া হচ্ছে। আমরা পরিষ্কার বলে দিতে চাই, ওই বাউন্ডারিকে, ওই ব্যারাককে, ওই সেনানিবাসকে আমরা ভয় পাই না।’

সানজিদা ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনটির সমন্বয়ক মঞ্জুর হোসেনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এবং সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমানসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ মানবাধিকারবিষয়ক উপদেষ্টা হুমা খান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ, অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট সাইয়্যেদ আবদুল্লাহ প্রমুখ।

মানববন্ধন শেষে ‘মেমোরিজ অব ডিজঅ্যাপিয়ারেন্স’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।