০৯:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বড়লেখায় ১ কোটি ১৬ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা জব্দ, আটক ১ Logo মসজিদে ঢুকে ফজরের নামাজরত মুসল্লিকে হ’ত্যা, আটক ১ Logo আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বড়লেখায় নিসচা’র উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান Logo ম্যারাথনে লুঙ্গি পরে অংশ নেন মফজুল মিয়া Logo বড়লেখায় আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উদযাপন Logo তালামীযে ইসলামিয়া জুড়ী উপজেলা শাখার প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo বড়লেখায় পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ৫ জন গ্রেফতার Logo জাতিসংঘে অভিবাসন ফোরামে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী Logo সাবেক ফর্মুলা ওয়ান চালক ও প্যারালিম্পিক চ্যাম্পিয়ন আলেসান্দ্রো জানার্দি মারা গেছেন Logo সারাদেশের থানাগুলো দালালমুক্ত করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলে দাবানলে পুড়েছে ১৬০ বর্গকিলোমিটার এলাকা

ষাটমাকন্ঠ অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৩৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / 281

ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলে দাবানলে পুড়েছে ১৬০ বর্গকিলোমিটার এলাকা ছবি: এএফপি

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে, পুনরায় জ্বলে উঠতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফের দাবানল শুরু হলে যাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে সেজন্য শুক্রবারও দমকলকর্মী ও স্থানীয় প্রশাসন উচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে। আবহাওয়াবিদরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, সপ্তাহজুড়ে তাপমাত্রা আবারও ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি ছুঁতে পারে, যা দাবানলকে নতুন করে উসকে দিতে পারে।

তিন দিনের আগুনে দক্ষিণ ফ্রান্সের ওয়াইন উৎপাদন অঞ্চল ‘অডে’জুড়ে প্রায় ১৬০ বর্গকিলোমিটার এলাকা পুড়ে গেছে। এতে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং শত শত মানুষকে ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে হয়েছে। শুষ্ক ও উষ্ণ আবহাওয়ায় দাবানল দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যার বিস্তৃতি ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছায়। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, সাপ্তাহিক ছুটির পুরো সময়জুড়ে সতর্ক থাকতে হবে।

অঞ্চল প্রশাসক ক্রিশ্চিয়ান পুজে জানান, কোরবিয়ের পাহাড়ি এলাকার ১৫টি কমিউনে দাবানলে অন্তত ৩৬টি বাড়িঘর পুড়ে গেছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দাবানলে একজন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। আহত হয়েছে আরও প্রায় ২১ জন, যাদের মধ্যে ১৬জনই ফায়ার সার্ভিসের সদস্য।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও এখনো প্রায় এক হাজার মানুষ নিজ বাড়িতে ফিরতে পারেনি। অবকাঠামোগত ক্ষতির কারণে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৩০০ বাড়ি বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন ছিল। প্রশাসন জানিয়েছে, অনুমতি ছাড়া কাউকে বাড়িতে না ফিরতে বলা হয়েছে। কারণ বহু সড়ক এখনও বন্ধ ও ঝুঁকিপূর্ণ। বাস্তুচ্যুতদের ১৭টি পৌর এলাকায় অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।

হঠাৎ এই দাবানল কেন হলো তা জানতে তদন্ত চলছে। ২০০৬ সালে ফ্রান্সের জাতীয় অগ্নিকাণ্ডের ডাটাবেইস চালুর পর থেকে সবচেয়ে বড় দাবানল হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে এটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলে দাবানলে পুড়েছে ১৬০ বর্গকিলোমিটার এলাকা

আপডেট সময় : ১১:৩৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫

ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে, পুনরায় জ্বলে উঠতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফের দাবানল শুরু হলে যাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে সেজন্য শুক্রবারও দমকলকর্মী ও স্থানীয় প্রশাসন উচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে। আবহাওয়াবিদরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, সপ্তাহজুড়ে তাপমাত্রা আবারও ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি ছুঁতে পারে, যা দাবানলকে নতুন করে উসকে দিতে পারে।

তিন দিনের আগুনে দক্ষিণ ফ্রান্সের ওয়াইন উৎপাদন অঞ্চল ‘অডে’জুড়ে প্রায় ১৬০ বর্গকিলোমিটার এলাকা পুড়ে গেছে। এতে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং শত শত মানুষকে ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে হয়েছে। শুষ্ক ও উষ্ণ আবহাওয়ায় দাবানল দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যার বিস্তৃতি ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছায়। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, সাপ্তাহিক ছুটির পুরো সময়জুড়ে সতর্ক থাকতে হবে।

অঞ্চল প্রশাসক ক্রিশ্চিয়ান পুজে জানান, কোরবিয়ের পাহাড়ি এলাকার ১৫টি কমিউনে দাবানলে অন্তত ৩৬টি বাড়িঘর পুড়ে গেছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দাবানলে একজন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। আহত হয়েছে আরও প্রায় ২১ জন, যাদের মধ্যে ১৬জনই ফায়ার সার্ভিসের সদস্য।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও এখনো প্রায় এক হাজার মানুষ নিজ বাড়িতে ফিরতে পারেনি। অবকাঠামোগত ক্ষতির কারণে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৩০০ বাড়ি বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন ছিল। প্রশাসন জানিয়েছে, অনুমতি ছাড়া কাউকে বাড়িতে না ফিরতে বলা হয়েছে। কারণ বহু সড়ক এখনও বন্ধ ও ঝুঁকিপূর্ণ। বাস্তুচ্যুতদের ১৭টি পৌর এলাকায় অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।

হঠাৎ এই দাবানল কেন হলো তা জানতে তদন্ত চলছে। ২০০৬ সালে ফ্রান্সের জাতীয় অগ্নিকাণ্ডের ডাটাবেইস চালুর পর থেকে সবচেয়ে বড় দাবানল হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে এটি।