০৪:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

কেন হলুদ জার্সি পরে খেলে পাঁচ বারের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নেরা?

ষাটমাকন্ঠ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:০৬:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
  • / 17
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফুটবল মাঠে ব্রাজ়িল নামা মানেই গ্যালারি জুড়ে হলুদের শোভা। মাঠে যেমন ফুল ফোটান পাঁচ বারের বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলারেরা, ঠিক তেমনই মনে হয় গ্যালারিতেও হলুদ ফুল ফুটে রয়েছে। কিন্তু আগে ছবিটা এ রকম ছিল না। ১৯৫০ সাল পর্যন্ত সাদা জার্সি পরে খেলত ব্রাজ়িল। ১৯৫০ সালের বিশ্বকাপের পর জার্সি বদল করে তারা। কেন এই সিদ্ধান্ত? নেপথ্যে রয়েছে এক হার।

ফুটবলে যে কোনও বড় ঘটনার নেপথ্যে বেশির ভাগ সময়েই থাকে কোনও দুঃখের ইতিহাস। ব্রাজ়িলের ক্ষেত্রেও তাই। ১৯৫০ সালের আগে সাদা জার্সি পরে খেলত তারা। কিন্তু ১৯৫০ সালের ফাইনালে ঘরের মাঠে মারাকানা স্টেডিয়ামে উরুগুয়ের কাছে ১-২ গোলে হারে ব্রাজ়িল। প্রথম বারের জন্য বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন অধার থেকে যায়।

এই ঘটনার পরেই ব্রাজ়িলের ফুটবলারপ্রেমীরা দাবি করে, সাদা জার্সি অশুভ। তখনই ঠিক হয়, জার্সির রং বদলাতে হবে। দেশের জাতীয় পতাকার সঙ্গে মিল রেখে জার্সির নকশা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। ১৯ বছরের আলদির গার্সিয়া শিলির জার্সি সকলের পছন্দ হয়। পতাকার হলুদ, সবুজ ও নীল রং দিয়ে জার্সির নকশা করেছিলেন তিনি। মোজার রং ছিল সাদা। ১৯৫৪ সালে সেই জার্সি পরে খেলেছিল ব্রাজ়িল। ১৯৫৮ সালে প্রথম বার বিশ্বকাপ জেতে তারা। ১৯৬২ ও ১৯৭০ সালে জেতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিশ্বকাপ। তার পর থেকে জার্সির রং একই রয়েছে। ১৯৯৪ ও ২০০২ সালেও ব্রাজ়িল বিশ্বকাপ জেতে। প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ট্রফি তাদের ঘরে।

তবে ২০০২ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপ জিততে পারেনি ব্রাজ়িল। তার মধ্যে ২০১৪ সালে নিজেদের দেশে সেমিফাইনালে জার্মানির কাছে ১-৭ গোলে হারের লজ্জা সহ্য করতে হয়েছে তাদের। এ বার কার্লো আনচেলোত্তিকে কোচ করেছে ব্রাজ়িল। পোড়খাওয়া এই কোচের হাত ধরে ষষ্ঠবারের জন্য বিশ্বকাপ জেতার লক্ষ্যে নামবেন নেইমারেরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কেন হলুদ জার্সি পরে খেলে পাঁচ বারের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নেরা?

আপডেট সময় : ০৯:০৬:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

ফুটবল মাঠে ব্রাজ়িল নামা মানেই গ্যালারি জুড়ে হলুদের শোভা। মাঠে যেমন ফুল ফোটান পাঁচ বারের বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলারেরা, ঠিক তেমনই মনে হয় গ্যালারিতেও হলুদ ফুল ফুটে রয়েছে। কিন্তু আগে ছবিটা এ রকম ছিল না। ১৯৫০ সাল পর্যন্ত সাদা জার্সি পরে খেলত ব্রাজ়িল। ১৯৫০ সালের বিশ্বকাপের পর জার্সি বদল করে তারা। কেন এই সিদ্ধান্ত? নেপথ্যে রয়েছে এক হার।

ফুটবলে যে কোনও বড় ঘটনার নেপথ্যে বেশির ভাগ সময়েই থাকে কোনও দুঃখের ইতিহাস। ব্রাজ়িলের ক্ষেত্রেও তাই। ১৯৫০ সালের আগে সাদা জার্সি পরে খেলত তারা। কিন্তু ১৯৫০ সালের ফাইনালে ঘরের মাঠে মারাকানা স্টেডিয়ামে উরুগুয়ের কাছে ১-২ গোলে হারে ব্রাজ়িল। প্রথম বারের জন্য বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন অধার থেকে যায়।

এই ঘটনার পরেই ব্রাজ়িলের ফুটবলারপ্রেমীরা দাবি করে, সাদা জার্সি অশুভ। তখনই ঠিক হয়, জার্সির রং বদলাতে হবে। দেশের জাতীয় পতাকার সঙ্গে মিল রেখে জার্সির নকশা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। ১৯ বছরের আলদির গার্সিয়া শিলির জার্সি সকলের পছন্দ হয়। পতাকার হলুদ, সবুজ ও নীল রং দিয়ে জার্সির নকশা করেছিলেন তিনি। মোজার রং ছিল সাদা। ১৯৫৪ সালে সেই জার্সি পরে খেলেছিল ব্রাজ়িল। ১৯৫৮ সালে প্রথম বার বিশ্বকাপ জেতে তারা। ১৯৬২ ও ১৯৭০ সালে জেতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিশ্বকাপ। তার পর থেকে জার্সির রং একই রয়েছে। ১৯৯৪ ও ২০০২ সালেও ব্রাজ়িল বিশ্বকাপ জেতে। প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ট্রফি তাদের ঘরে।

তবে ২০০২ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপ জিততে পারেনি ব্রাজ়িল। তার মধ্যে ২০১৪ সালে নিজেদের দেশে সেমিফাইনালে জার্মানির কাছে ১-৭ গোলে হারের লজ্জা সহ্য করতে হয়েছে তাদের। এ বার কার্লো আনচেলোত্তিকে কোচ করেছে ব্রাজ়িল। পোড়খাওয়া এই কোচের হাত ধরে ষষ্ঠবারের জন্য বিশ্বকাপ জেতার লক্ষ্যে নামবেন নেইমারেরা।