১০ দফা দাবিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন কর্মসূচি
- আপডেট সময় : ১০:০৮:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
- / 82
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নবম জাতীয় পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তি, চাকরি জাতীয়করণসহ ১০ দফা দাবি জানিয়েছে শিক্ষক-কর্মচারী, চাকরি জাতীয়করণ জোট ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারী সমন্বিত ফোরাম। আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে ধারাবাহিক আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগঠনটি।
বুধবার (১২ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি ও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
১০ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রচলিত নিয়মে অর্থ প্রদান, বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ, দ্রুত বদলির ব্যবস্থা, শতভাগ উৎসব ভাতা ও সরকারি নিয়মে বাড়িভাড়া দেওয়া। এ ছাড়া শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএর পরিবর্তে পিএসসি-২ ব্যবস্থা চালু, স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা এবং প্রথম থেকে দ্বাদশ নিবন্ধনধারীদের নিয়োগের দাবিও রয়েছে।
আরও রয়েছে চাকরির বয়সসীমা ৬৫ বছরে উন্নীত করা, নৈশপ্রহরীদের প্রচলিত নিয়মে ছুটির ব্যবস্থা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দ্বিতীয় নৈশপ্রহরী নিয়োগ।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি জানায়, ৩১ আগস্টের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে তিন ধাপে কর্মসূচি পালন করা হবে। প্রথম ধাপে ১০ দিনের মধ্যে ১০ সদস্যের শিক্ষক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের ব্যবস্থা করার দাবি জানানো হবে। এরপর সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে বিভাগীয় সমাবেশ করে জনমত গঠন করা হবে। সবশেষে দল-মতনির্বিশেষে শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়ে সংগ্রাম কমিটি গঠন করে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা জসিম উদ্দিন আহমদ। তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং কল্যাণ-অবসর সুবিধা বোর্ড নিয়মনীতি অনুসরণ না করে আগামী ১৫ আগস্ট কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে ৪৪ হাজার আবেদনকারীকে আড়াই লাখ টাকা করে এবং অবসর সুবিধা বোর্ড থেকে পাঁচ লাখ টাকা করে এককালীন অর্থ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।
জসিম উদ্দিন আহমদ বলেন, এর আগে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে সর্বশেষ বেতনের ২৫ মাসের সমপরিমাণ এবং অবসর সুবিধা বোর্ড থেকে ৭৫ মাসের সমপরিমাণ অর্থ পেতেন। এখন নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণের বিষয়ে সরকার এখনো কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। চাকরি জাতীয়করণ করা হলে শিক্ষাক্ষেত্রে বিদ্যমান বৈষম্য অনেকটাই কমবে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ, শতভাগ উৎসব ভাতা, সরকারি নিয়মে বাড়িভাড়া এবং অবসর ও কল্যাণ সুবিধা নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।





















