কুলাউড়ায় ফের শুরু স্কুল ফিডিং কার্যক্রম, উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা
- আপডেট সময় : ১২:৩৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
- / 26
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) অনুমোদিত বিশেষ প্যাকেজিং পলির সংকট কাটিয়ে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় আবারও শুরু হয়েছে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম। কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার (১৯ মে) থেকে উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পুনরায় শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার বিতরণ শুরু হওয়ায় খুশি শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকরা।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের আওতায় বিতরণকৃত খাবার নির্ধারিত মান বজায় রেখে বিএসটিআই অনুমোদিত বিশেষ পলিতে প্যাকেটজাত করা বাধ্যতামূলক। সম্প্রতি এই বিশেষ পলির সংকট দেখা দেওয়ায় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে খাবার বিতরণ বন্ধ রাখে। তবে সংকট নিরসনের পর পুনরায় কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কুলাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে দেওয়া লিখিত আবেদনে স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ইসলাম ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. শফিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী মানসম্মত খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। কিন্তু বিএসটিআই অনুমোদিত পলির চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় কয়েকদিন সরবরাহ ব্যাহত হয়। বর্তমানে প্রয়োজনীয় পলি সংগ্রহ সম্ভব হওয়ায় আবারও নিয়মিতভাবে খাবার বিতরণ শুরু হয়েছে।
কুলাউড়া পৌর শহরের রাবেয়া আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রাবেয়া বেগম বলেন, “স্কুল ফিডিং কার্যক্রম শুরুর পর থেকেই আমাদের বিদ্যালয়ের প্রায় ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী এই সুবিধার আওতায় রয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। অনেক পরিবারও উপকৃত হচ্ছে। আমরা চাই সরকার এই মানবিক ও শিক্ষাবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত রাখুক।”
তিনি আরও জানান, কোনো দিন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কম থাকলে অতিরিক্ত খাবার অপচয় রোধে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মাঝে দুই প্যাকেট করে বিতরণ করা হয়।
স্থানীয় সরবরাহকারী প্রতিনিধি ফারহান চৌধুরী বলেন, ঢাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইসলাম ট্রেডার্সের স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে তিনি কুলাউড়ায় খাবার বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। বিএসটিআই অনুমোদিত প্যাকেজিং পলি না পাওয়ায় কয়েকদিন কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও বর্তমানে সংকট কেটে যাওয়ায় পুনরায় সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে।
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খোরশেদ আহমদ জানান, কুলাউড়া উপজেলার ১৯৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম চালু রয়েছে। বিশেষ প্যাকেজিং পলির সাময়িক সংকটের কারণে কয়েকদিন খাবার বিতরণ বন্ধ ছিল। মঙ্গলবার থেকে আবারও নিয়মিতভাবে শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার বিতরণ শুরু হয়েছে।






















