১২:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কুলাউড়ায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যার দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন Logo প্রাথমিক শিক্ষা পদক/ জুড়ীর অনিক জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ সহকারি শিক্ষক নির্বাচিত Logo জুড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এমপি পরিবারের ঔষধ সহায়তা Logo ফ্রী-ফায়ার গেম নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২ Logo শাবিপ্রবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক খায়রুল ইসলাম Logo ঢাবি ছাত্র ইউনিয়নের নতুন নেতৃত্বে দূর্জয়-মোস্তাকিম Logo বিসিবি নির্বাচনে বিনা ভোটে আসছেন ৪ পরিচালক, জমজমাট লড়াই ক্লাব ক্যাটাগরিতে Logo জুড়ীর বেলাগাঁও-কন্টিনালা নদী ভাঙন রোধে চলমান কাজ পরিদর্শনে এমপি নাসির উদ্দিন আহমেদ Logo কমলগঞ্জে বজ্রপাতে একজন চা-শ্রমিকের মৃত্যু, আহত পাঁচ Logo স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ের ১ম বর্ষ শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির আবেদন শুরু

বড়লেখায় পাহাড়ি জনপদে সন্দেহজনক বাংলোবাড়ি, তদন্তে নেমেছে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৩:২৯:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 153
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়নের পাহাড়ি জনপদ কাশেম নগরের রহস্যে ঘেরা বাংলাবাড়ি এখন থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা নজরদারিতে। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ আনোয়ার নামে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার সাবেক সেনা সদস্যকে সরকারি খাস জমিতে কোটি টাকার বাংলাবাড়ি বানিয়ে দিয়েছেন আমেরিকা প্রবাসি ২৬ বছর বয়সি সুনামগঞ্জের জনৈক যুবক হাসান আহমদ। ওই বাংলোবাড়িতে সন্দেহজনক মানুষের আনাগুনা ও নানা অপরাধ কর্মকান্ড এবং আড্ডা বসার অভিযোগ তোলেন স্থানীয় যুবসমাজ।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বড়লেখা থানার ওসি, ওসি (তদন্ত) ও পুলিশ সদস্যরা রহস্যঘেরা বাংলাবাড়ি পরিদর্শণ ও অভিযোগ তদন্তে গেলে স্থানীয় লোকজন অপরিচিত মানুষের আনাগুনা ও অপরাধ কর্মকান্ড এবং অসামাজিকতা বন্ধের দাবিতে ওই বাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ করেন। পুলিশ জানিয়েছে, সরকারি খাস জমিতে বাংলোবাড়ি তৈরী, টিলা ও গাছপালা কর্তনের কোনো অনুমতি ও ভূমির লীজ নেওয়ার বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি আমেরিকা প্রবাসী হাসান আহমদ। এই বাড়িটি ও আমেরিকা প্রবাসী হাসান আহমদ গোয়েন্দা নজরদারিতে রয়েছেন। হাসান আহমদের কথিত বন্ধু আনোয়ারকে পাওয়া যায়নি।

বড়লেখা থানার এসআই সুব্রত কুমার দাস জানান, এই রহস্যজনক বাড়ি ও আমেরিকা প্রবাসী হাসান আহমদ এবং তার কথিত বন্ধু সাবেক সেনা সদস্য আনোয়ারকে নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থায় নানা তথ্য রয়েছে। এসব তদন্তে বুধবার সন্ধ্যায় থানার অফিসার ইনচার্জ, ওসি (তদন্ত) এবং তিনি-সহ পুলিশ কর্মকর্তারা এই বাংলাবাড়িতে যান।

এব্যাপারে আমেরিকা প্রবাসী হাসান আহমদ জানান, আনোয়ারকে বিশ্বাস করে জমি ক্রয় ও বাংলোবাড়ি নির্মাণের জন্য চার কোটি টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু জুলাই মাসে দেশে ফিরে টাকার সাথে নির্মাণকাজের মিল পাননি। এ নিয়ে তার সাথে তিক্ততা দেখা দেয়। এরমধ্যে সে আমার ১৩ লাখ টাকা চুরি করেছে। তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দেন। এরপর থেকে বিভিন্ন মহলে সে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে।

ষাটমাকন্ঠ/এএইচআর

নিউজটি শেয়ার করুন

বড়লেখায় পাহাড়ি জনপদে সন্দেহজনক বাংলোবাড়ি, তদন্তে নেমেছে পুলিশ

আপডেট সময় : ০৩:২৯:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়নের পাহাড়ি জনপদ কাশেম নগরের রহস্যে ঘেরা বাংলাবাড়ি এখন থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা নজরদারিতে। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ আনোয়ার নামে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার সাবেক সেনা সদস্যকে সরকারি খাস জমিতে কোটি টাকার বাংলাবাড়ি বানিয়ে দিয়েছেন আমেরিকা প্রবাসি ২৬ বছর বয়সি সুনামগঞ্জের জনৈক যুবক হাসান আহমদ। ওই বাংলোবাড়িতে সন্দেহজনক মানুষের আনাগুনা ও নানা অপরাধ কর্মকান্ড এবং আড্ডা বসার অভিযোগ তোলেন স্থানীয় যুবসমাজ।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বড়লেখা থানার ওসি, ওসি (তদন্ত) ও পুলিশ সদস্যরা রহস্যঘেরা বাংলাবাড়ি পরিদর্শণ ও অভিযোগ তদন্তে গেলে স্থানীয় লোকজন অপরিচিত মানুষের আনাগুনা ও অপরাধ কর্মকান্ড এবং অসামাজিকতা বন্ধের দাবিতে ওই বাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ করেন। পুলিশ জানিয়েছে, সরকারি খাস জমিতে বাংলোবাড়ি তৈরী, টিলা ও গাছপালা কর্তনের কোনো অনুমতি ও ভূমির লীজ নেওয়ার বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি আমেরিকা প্রবাসী হাসান আহমদ। এই বাড়িটি ও আমেরিকা প্রবাসী হাসান আহমদ গোয়েন্দা নজরদারিতে রয়েছেন। হাসান আহমদের কথিত বন্ধু আনোয়ারকে পাওয়া যায়নি।

বড়লেখা থানার এসআই সুব্রত কুমার দাস জানান, এই রহস্যজনক বাড়ি ও আমেরিকা প্রবাসী হাসান আহমদ এবং তার কথিত বন্ধু সাবেক সেনা সদস্য আনোয়ারকে নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থায় নানা তথ্য রয়েছে। এসব তদন্তে বুধবার সন্ধ্যায় থানার অফিসার ইনচার্জ, ওসি (তদন্ত) এবং তিনি-সহ পুলিশ কর্মকর্তারা এই বাংলাবাড়িতে যান।

এব্যাপারে আমেরিকা প্রবাসী হাসান আহমদ জানান, আনোয়ারকে বিশ্বাস করে জমি ক্রয় ও বাংলোবাড়ি নির্মাণের জন্য চার কোটি টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু জুলাই মাসে দেশে ফিরে টাকার সাথে নির্মাণকাজের মিল পাননি। এ নিয়ে তার সাথে তিক্ততা দেখা দেয়। এরমধ্যে সে আমার ১৩ লাখ টাকা চুরি করেছে। তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দেন। এরপর থেকে বিভিন্ন মহলে সে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে।

ষাটমাকন্ঠ/এএইচআর