০৯:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিশ্বকাপের মঞ্চে সিলেটের সঞ্জয় Logo বড়লেখা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন Logo সরকার এবারের বাজেটে শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রেখেছে- নাসির উদ্দিন আহমেদ Logo মৌলভীবাজারে ঘুমন্ত নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: দুই আসামি গ্রেপ্তার Logo সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের প্রতিবাদে ফুলতলা বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ Logo সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হলেন কয়েস লোদী Logo কুলাউড়ায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত Logo বড়লেখায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘ব্রাজিল বাড়ি’ Logo চার বছরের অপেক্ষার অবসান, ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ

মঙ্গল গ্রহ অতীতে উষ্ণ ও ভেজা ছিল বলে ধারণা বিজ্ঞানীদের

ষাটমাকন্ঠ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৮:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৫
  • / 696

মঙ্গল গ্রহ

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দূর থেকে মঙ্গল গ্রহকে একটি বিশাল লোহার লাল বলের মতো মনে হয়। আর তাই লাল রঙের মঙ্গল গ্রহ নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। এবার মঙ্গল গ্রহ সম্পর্কে চমকপ্রদ তথ্য জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার পাঠানো রোভার কিউরিওসিটি মঙ্গল গ্রহে খননকাজ করার সময় বেশ কিছু শিলার তথ্য সংগ্রহ করেছে। শিলাগুলোতে প্রচুর পরিমাণে সিডারাইট খনিজের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এই খনিজের উপস্থিতির কারণে মঙ্গল গ্রহ অতীতে উষ্ণ ও ভেজা ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, মঙ্গল গ্রহে জীবাণুর খোঁজ করছে কিউরিওসিটি। ২০২২ ও ২০২৩ সালে গেইল ক্রেটার নামের একটি বিশাল আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখের খনন করে শিলা সংগ্রহ করেছে রোভারটি। সেই শিলায় সিডারাইট নামের আয়রন কার্বোনেট খনিজ পাওয়া গেছে। শতকোটি বছর আগে গঠিত পাললিক শিলায় সিডারাইট খনিজের উপস্থিতি প্রমাণ করছে, মঙ্গল গ্রহে একসময় কার্বন ডাই–অক্সাইডসমৃদ্ধ ঘন বায়ুমণ্ডল ছিল।

এত দিন মঙ্গল গ্রহের বায়ুমণ্ডলে অতীতে কার্বন ডাই–অক্সাইড থাকার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ ছিল না। নতুন এ গবেষণায় কার্বোনেট খনিজের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ায় গ্রহটিতে কোনো একসময় কার্বন ডাই–অক্সাইড ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে কানাডার ক্যালগারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূরসায়নবিদ বেঞ্জামিন টুটোলো বলেন, মঙ্গল গ্রহের বিবর্তন ও বাসযোগ্যতা অধ্যয়নের দীর্ঘস্থায়ী রহস্যের একটি হচ্ছে কার্বন ডাই–অক্সাইডের উপস্থিতি। মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠে কার্বোনেট খনিজের এত কম উপস্থিতি বড় রহস্য। ভবিষ্যদ্বাণী করা যায়, গ্রহটিতে বিভিন্ন কার্বোনেট খনিজ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে রয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত রোভারের তথ্য থেকে এদের উপস্থিতি বেশ কম পাওয়া গেছে। গেইল ক্রেটারের পাললিক শিলা ও বেলেপাথর প্রায় ৩৫০ কোটি বছর আগে জমা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র: এনডিটিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মঙ্গল গ্রহ অতীতে উষ্ণ ও ভেজা ছিল বলে ধারণা বিজ্ঞানীদের

আপডেট সময় : ০৩:৫৮:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৫

দূর থেকে মঙ্গল গ্রহকে একটি বিশাল লোহার লাল বলের মতো মনে হয়। আর তাই লাল রঙের মঙ্গল গ্রহ নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। এবার মঙ্গল গ্রহ সম্পর্কে চমকপ্রদ তথ্য জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার পাঠানো রোভার কিউরিওসিটি মঙ্গল গ্রহে খননকাজ করার সময় বেশ কিছু শিলার তথ্য সংগ্রহ করেছে। শিলাগুলোতে প্রচুর পরিমাণে সিডারাইট খনিজের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এই খনিজের উপস্থিতির কারণে মঙ্গল গ্রহ অতীতে উষ্ণ ও ভেজা ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, মঙ্গল গ্রহে জীবাণুর খোঁজ করছে কিউরিওসিটি। ২০২২ ও ২০২৩ সালে গেইল ক্রেটার নামের একটি বিশাল আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখের খনন করে শিলা সংগ্রহ করেছে রোভারটি। সেই শিলায় সিডারাইট নামের আয়রন কার্বোনেট খনিজ পাওয়া গেছে। শতকোটি বছর আগে গঠিত পাললিক শিলায় সিডারাইট খনিজের উপস্থিতি প্রমাণ করছে, মঙ্গল গ্রহে একসময় কার্বন ডাই–অক্সাইডসমৃদ্ধ ঘন বায়ুমণ্ডল ছিল।

এত দিন মঙ্গল গ্রহের বায়ুমণ্ডলে অতীতে কার্বন ডাই–অক্সাইড থাকার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ ছিল না। নতুন এ গবেষণায় কার্বোনেট খনিজের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ায় গ্রহটিতে কোনো একসময় কার্বন ডাই–অক্সাইড ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে কানাডার ক্যালগারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূরসায়নবিদ বেঞ্জামিন টুটোলো বলেন, মঙ্গল গ্রহের বিবর্তন ও বাসযোগ্যতা অধ্যয়নের দীর্ঘস্থায়ী রহস্যের একটি হচ্ছে কার্বন ডাই–অক্সাইডের উপস্থিতি। মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠে কার্বোনেট খনিজের এত কম উপস্থিতি বড় রহস্য। ভবিষ্যদ্বাণী করা যায়, গ্রহটিতে বিভিন্ন কার্বোনেট খনিজ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে রয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত রোভারের তথ্য থেকে এদের উপস্থিতি বেশ কম পাওয়া গেছে। গেইল ক্রেটারের পাললিক শিলা ও বেলেপাথর প্রায় ৩৫০ কোটি বছর আগে জমা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র: এনডিটিভি