০৮:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বড়লেখা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মইনুল ইসলাম Logo পাহাড় ও সমতলে উন্নয়ন করা বর্তমান সরকারের লক্ষ্য, থাকবেনা কোনো বৈষম্য- মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান Logo এনসিপির জুড়ী উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন Logo কুলাউড়ায় এমপি কর্তৃক সাংবাদিকদের ঈদ উপহার নিয়ে পরিকল্পিতভাবে ধুম্রজাল তৈরী করার অপচেষ্টা Logo কোরবানির মাংস বণ্টন নিয়ে বিরোধ: ঈদের নামাজ বাদ দিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২৮ Logo বড়লেখায় গভীর রাতে সড়কে নিসচা, লক্ষ্য একটাই মানুষের নির্বিঘ্ন যাত্রা Logo ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন এমপি শওকতুল ইসলাম Logo কুলাউড়া পৌরবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জয়নাল আবেদীন বাচ্চু Logo ঈদুল আজহা’র শুভেচ্ছা জানালেন ষাটমাকন্ঠ পত্রিকার সম্পাদক ও বার্তা সম্পাদক Logo শেষ মূহুর্তে জমে ওঠেছে পশুর হাট; কোরবানির হাট কাঁপাচ্ছে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

দুর্গাপূজা: সীমান্ত এলাকায় ৫৫ মণ্ডপের নিরাপত্তায় বিজিবি নিয়োজিত থাকবে

অজিত রবিদাস, দক্ষিণভাগ প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৬:০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 247
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিজিবি-৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোহাম্মদ আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, সীমান্ত থেকে ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকায় বর্ডারগার্ড অব বাংলাদেশ প্রত্যক্ষভাবে কাজ করে। শুধু পূজা সম্পৃক্ত বিষয়গুলোই নয়, সাধারণ জনগণের অন্যান্য যে কোনো ধরণের সমস্যায় ওতপ্লোতভাবে বিজিবি জড়িত থাকে।

দূর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ৫২ বিজিবির পক্ষ থেকে ব্যাটালিয়নের আওতাধীন তিনিটি উপজেলার বিয়ানীবাজারের গজুকাটা থেকে শুরু করে জুড়ীর রাজকি পর্যন্ত টোটাল ১৫টি বিওপি আছে। নিরাপত্তায় ব্যাটালিয়ন হেড কোয়ার্টার ছাড়াও টোটাল ৯টা টহল, ৯টা প্লাটুন বিজিবি এই এলাকায় মোতায়েন থাকবে। এই এলাকায় পূজা রিলেটেড যেকোনো রকমের টহল দেওয়া, নিরাপত্তা দেওয়া, পূজা কমিটিকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবে। পূজা শেষ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত বিজিবির এই কার্যক্রম ও নজরদারি চলমান থাকবে।

এছাড়াও পূজা উপলক্ষ্যে বিজিবি একটি মনিটরিং সেল করতেছে। এই মনিটরিং সেলে যেকোনো সময় যেকোনো ধরণের সমস্যা, যেকোন ইস্যু, হুমকির আশংকা, কোনো অঘটন ঘটলে তৎক্ষণাৎ তা জানাতে পারবেন। দ্রæততম সময়ের মধ্যে বিজিবির নিকটস্থ টহল দল সর্বোচ্চ সাপোর্ট দিতে প্রস্তুত থাকবে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নির্বিঘ্নে  ও আনন্দঘন পরিবেশে দূর্গোৎসব পালনের জন্য অন্যান্য বাহিনীর সাথে প্রয়োজনীয় সবধরণের ব্যবস্থা নিয়েছে বিজিবি।

তিনি বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বড়লেখা উপজেলার নিউ সমনবাগ চা বাগান দূর্গাপূজা মন্ডপ ও মন্দির পরিদর্শনকালে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবক, আনছার ও সাধারণ ভক্তদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন। এসময় বিজিবি-৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোহাম্মদ আরিফুল হক চৌধুরী ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে পূজা উদাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের হাতে শারদীয় শুভেচ্ছা স্বরূপ মিষ্টির প্যাকেট তোলে দেন এবং পূজামন্ডপের সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে আলোচনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী, বিজিবি-৫২ ব্যাটালিয়নের সহকারি পরিচালক মাহফুজুর রহমান, থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রব, জৈন্তা বার্তার বড়লেখা প্রতিনিধি মস্তফা উদ্দীন, নয়া দিগন্তের বড়লেখা প্রতিনিধি ফয়সাল মাহমুদ , সাবেক ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ইকবাল হোসেন, মন্ডপ পরিচালনা কমিটির সভাপতি রাধেশ্যাম রিকমুন, সাধারণ সম্পাদক স্বপন চাষা, সাংগঠনিক সম্পাদক অজিত রবিদাস, গণমাধ্যকর্মী ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

৫২ বিজিবি (বিয়ানীবাজার) অধিনায়ক আরো জানান, ব্যাটালিয়নের আওতাধীন বিয়ানীবাজার, বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী ৫৫টি ও ব্যাটালিয়ন হেড কোয়ার্টারের দুই কিলোমিটার অভ্যন্তরের ৩টি সহ সর্বমোট ৫৮টি পূজামন্ডপের নিরপত্তায় প্রত্যক্ষভাবে নিয়োজিত থাকবে বিজিবি। এছাড়াও অন্যান্য প্রতিটি মন্ডপের নিরাপত্তায় পুলিশ, র‌্যাব, সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসনের সাথে একসাথে মাঠে তৎপর থাকবে বিজিবি।

ষাটমাকন্ঠ/রুমেল

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

দুর্গাপূজা: সীমান্ত এলাকায় ৫৫ মণ্ডপের নিরাপত্তায় বিজিবি নিয়োজিত থাকবে

আপডেট সময় : ০৬:০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিজিবি-৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোহাম্মদ আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, সীমান্ত থেকে ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকায় বর্ডারগার্ড অব বাংলাদেশ প্রত্যক্ষভাবে কাজ করে। শুধু পূজা সম্পৃক্ত বিষয়গুলোই নয়, সাধারণ জনগণের অন্যান্য যে কোনো ধরণের সমস্যায় ওতপ্লোতভাবে বিজিবি জড়িত থাকে।

দূর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ৫২ বিজিবির পক্ষ থেকে ব্যাটালিয়নের আওতাধীন তিনিটি উপজেলার বিয়ানীবাজারের গজুকাটা থেকে শুরু করে জুড়ীর রাজকি পর্যন্ত টোটাল ১৫টি বিওপি আছে। নিরাপত্তায় ব্যাটালিয়ন হেড কোয়ার্টার ছাড়াও টোটাল ৯টা টহল, ৯টা প্লাটুন বিজিবি এই এলাকায় মোতায়েন থাকবে। এই এলাকায় পূজা রিলেটেড যেকোনো রকমের টহল দেওয়া, নিরাপত্তা দেওয়া, পূজা কমিটিকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবে। পূজা শেষ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত বিজিবির এই কার্যক্রম ও নজরদারি চলমান থাকবে।

এছাড়াও পূজা উপলক্ষ্যে বিজিবি একটি মনিটরিং সেল করতেছে। এই মনিটরিং সেলে যেকোনো সময় যেকোনো ধরণের সমস্যা, যেকোন ইস্যু, হুমকির আশংকা, কোনো অঘটন ঘটলে তৎক্ষণাৎ তা জানাতে পারবেন। দ্রæততম সময়ের মধ্যে বিজিবির নিকটস্থ টহল দল সর্বোচ্চ সাপোর্ট দিতে প্রস্তুত থাকবে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নির্বিঘ্নে  ও আনন্দঘন পরিবেশে দূর্গোৎসব পালনের জন্য অন্যান্য বাহিনীর সাথে প্রয়োজনীয় সবধরণের ব্যবস্থা নিয়েছে বিজিবি।

তিনি বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বড়লেখা উপজেলার নিউ সমনবাগ চা বাগান দূর্গাপূজা মন্ডপ ও মন্দির পরিদর্শনকালে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবক, আনছার ও সাধারণ ভক্তদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন। এসময় বিজিবি-৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোহাম্মদ আরিফুল হক চৌধুরী ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে পূজা উদাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের হাতে শারদীয় শুভেচ্ছা স্বরূপ মিষ্টির প্যাকেট তোলে দেন এবং পূজামন্ডপের সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে আলোচনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী, বিজিবি-৫২ ব্যাটালিয়নের সহকারি পরিচালক মাহফুজুর রহমান, থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রব, জৈন্তা বার্তার বড়লেখা প্রতিনিধি মস্তফা উদ্দীন, নয়া দিগন্তের বড়লেখা প্রতিনিধি ফয়সাল মাহমুদ , সাবেক ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ইকবাল হোসেন, মন্ডপ পরিচালনা কমিটির সভাপতি রাধেশ্যাম রিকমুন, সাধারণ সম্পাদক স্বপন চাষা, সাংগঠনিক সম্পাদক অজিত রবিদাস, গণমাধ্যকর্মী ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

৫২ বিজিবি (বিয়ানীবাজার) অধিনায়ক আরো জানান, ব্যাটালিয়নের আওতাধীন বিয়ানীবাজার, বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী ৫৫টি ও ব্যাটালিয়ন হেড কোয়ার্টারের দুই কিলোমিটার অভ্যন্তরের ৩টি সহ সর্বমোট ৫৮টি পূজামন্ডপের নিরপত্তায় প্রত্যক্ষভাবে নিয়োজিত থাকবে বিজিবি। এছাড়াও অন্যান্য প্রতিটি মন্ডপের নিরাপত্তায় পুলিশ, র‌্যাব, সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসনের সাথে একসাথে মাঠে তৎপর থাকবে বিজিবি।

ষাটমাকন্ঠ/রুমেল