কুলাউড়ায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ১০:৫৬:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
- / 58
শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’।
শুক্রবার (১২ জুন) উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা পর্যায়ে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য মো. শওকতুল ইসলাম।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অধীন সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইডিপি)-এর আওতাভুক্ত ‘পারফরম্যান্স বেইজড গ্রান্টস ফর সেকেন্ডারি ইনস্টিটিউশনস স্কিম’ এবং ‘এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (ইইএসএস)’-এর উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
‘মেধা, বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনের দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। তারা তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প, বিজ্ঞানভিত্তিক কার্যক্রম এবং সম্ভাবনাময় স্টার্টআপ ধারণা উপস্থাপন করে। শিক্ষার্থীদের তৈরি প্রযুক্তিনির্ভর নানা প্রকল্প ও সৃজনশীল উদ্যোগ অতিথি ও দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করে।
কুলাউড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা আক্তারের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার শফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না, উপজেলা প্রকৌশলী প্রীতম শিকদার জয়, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খোরশেদ আলম, ইয়াকুব-তাজুল মহিলা ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এমদাদুল ইসলাম ভুট্টু, নবীন চন্দ্র মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমির হোসেন, কুলাউড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মতিন এবং মহতোছিন আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফয়জুর রহমান ছুরুখ।
এছাড়া অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী প্রতিনিধি আমির হামজা ও উত্তরা রায় লক্ষ্মী বক্তব্য দেন। উপস্থিত ছিলেন প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা, শিক্ষা বিভাগের প্রতিনিধিবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মো. শওকতুল ইসলাম বলেন, “আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক জ্ঞান, গবেষণা এবং উদ্ভাবনী সক্ষমতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের নতুন চিন্তা ও সৃজনশীল উদ্যোগ বাস্তবায়নে উৎসাহিত করবে এবং ভবিষ্যতে দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন অতিথিরা এবং তাদের উদ্ভাবনী প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।























