০২:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

জুড়ীতে গ্রেফতার ইউপি চেয়ারম্যান, বাদী-সাক্ষীদের প্রতিবাদ

মো. ইয়াসিন আলী সামু, ফুলতলা (জুড়ী) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:০৭:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫
  • / 160
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৌলভীবাজারের জুড়ী শহরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ফুলতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আলীম সেলুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে এই গ্রেফতারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন মামলার বাদী ও একাধিক সাক্ষী।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. আজমল হোসেন তাঁকে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জুড়ী থানায় নিয়ে আসেন। বিকেলে তাঁর গ্রেফতারের ঘোষণা দেওয়া হয়।

তবে ঘটনার মোড় নেয় নতুন দিকে, যখন থানায় উপস্থিত হয়ে মামলার বাদী মো. তারেক মিয়া ও সাক্ষী আফজাল হোসেন জানান চেয়ারম্যান শেলু এই ঘটনায় জড়িত নন। তাঁরা গ্রেফতারের বিরোধিতা করেন এবং মামলায় তার নাম প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান। এ সময় তাদের সঙ্গে এএসপি’র বাকবিতণ্ডা হয়।

চেয়ারম্যান শেলুর গ্রেফতারের খবরে তার আত্মীয়-স্বজন ও সমর্থকেরা জুড়ী থানায় জড়ো হন। তাকে মৌলভীবাজারে নিয়ে যাওয়ার সময় কয়েকজন গাড়ির সামনে শুয়ে পড়েন। থানা চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

বাদী তারেক মিয়া অভিযোগ করেন, “হামলার মূল হোতারা রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে, অথচ নির্দোষদের ফাসানো হচ্ছে। পুলিশ এই মামলাকে বাণিজ্যের হাতিয়ার বানিয়েছে।”

অন্যদিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমল হোসেন বলেন, “তদন্তে সেলুর সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিলেছে, তাই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কারও আপত্তি থাকলে তা আদালতে তোলা উচিত।”

এই বিষয়ে জুড়ী থানার ওসি জানান, এই সম্পর্কে তিনি কিছু বলতে পারবেন না, আব্দুল আলিম সেলুকে এএসপি দ্বারা গ্রেফতার করা হয়েছে ।

এ ঘটনায় এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। জনমনে প্রশ্ন উঠেছে চেয়ারম্যান সেলু কি সত্যিই অভিযুক্ত, নাকি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রের শিকার?.

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জুড়ীতে গ্রেফতার ইউপি চেয়ারম্যান, বাদী-সাক্ষীদের প্রতিবাদ

আপডেট সময় : ০৩:০৭:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫

মৌলভীবাজারের জুড়ী শহরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ফুলতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আলীম সেলুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে এই গ্রেফতারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন মামলার বাদী ও একাধিক সাক্ষী।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. আজমল হোসেন তাঁকে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জুড়ী থানায় নিয়ে আসেন। বিকেলে তাঁর গ্রেফতারের ঘোষণা দেওয়া হয়।

তবে ঘটনার মোড় নেয় নতুন দিকে, যখন থানায় উপস্থিত হয়ে মামলার বাদী মো. তারেক মিয়া ও সাক্ষী আফজাল হোসেন জানান চেয়ারম্যান শেলু এই ঘটনায় জড়িত নন। তাঁরা গ্রেফতারের বিরোধিতা করেন এবং মামলায় তার নাম প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান। এ সময় তাদের সঙ্গে এএসপি’র বাকবিতণ্ডা হয়।

চেয়ারম্যান শেলুর গ্রেফতারের খবরে তার আত্মীয়-স্বজন ও সমর্থকেরা জুড়ী থানায় জড়ো হন। তাকে মৌলভীবাজারে নিয়ে যাওয়ার সময় কয়েকজন গাড়ির সামনে শুয়ে পড়েন। থানা চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

বাদী তারেক মিয়া অভিযোগ করেন, “হামলার মূল হোতারা রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে, অথচ নির্দোষদের ফাসানো হচ্ছে। পুলিশ এই মামলাকে বাণিজ্যের হাতিয়ার বানিয়েছে।”

অন্যদিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমল হোসেন বলেন, “তদন্তে সেলুর সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিলেছে, তাই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কারও আপত্তি থাকলে তা আদালতে তোলা উচিত।”

এই বিষয়ে জুড়ী থানার ওসি জানান, এই সম্পর্কে তিনি কিছু বলতে পারবেন না, আব্দুল আলিম সেলুকে এএসপি দ্বারা গ্রেফতার করা হয়েছে ।

এ ঘটনায় এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। জনমনে প্রশ্ন উঠেছে চেয়ারম্যান সেলু কি সত্যিই অভিযুক্ত, নাকি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রের শিকার?.