০৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বাবার বাড়িতে গৃহবধুর ঝুলন্ত লাশ, পাশে ছিল চিরকুট Logo জুড়ীতে ওয়ালমেট-এর উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে খাতা-কলম বিতরণ Logo প্রাইম ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, ২০ মে পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন Logo শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৬-২৩ দিনের লম্বা ছুটি আসছে Logo কুলাউড়ায় নবাগত ইউএনও সানজিদা আক্তারের দায়িত্বভার গ্রহণ Logo কুলাউড়া বিএনপিকে সুসংগঠিত করতে বিভিন্ন ইউনিয়ন চষে বেড়াচ্ছেন এমপি শওকতুল ইসলাম Logo বড়লেখায় ইউএনও’র সাথে নবগঠিত ব্যবসায়ী সমিতির সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo বিশ্বমঞ্চে ভয়ংকর হতে যাচ্ছে যে দলগুলোর আক্রমণভাগ Logo দেশীয় মাছ রক্ষায় বড়লেখায় অভিযান, অপসারণ করা হলো অবৈধ বাঁধ Logo হাকালুকিতে ১ লাখ টাকার নিষিদ্ধ জাল ও পোনা মাছ জব্দ

বিশ্বমঞ্চে ভয়ংকর হতে যাচ্ছে যে দলগুলোর আক্রমণভাগ

ক্রীড়া প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৫৭:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / 27
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে একটি বড় প্রশ্ন— কোন দলের আক্রমণভাগ সবচেয়ে ভয়ংকর হতে যাচ্ছে।

বর্তমান ফুটবল বিশ্বের তারকাদের দিকে তাকালে বোঝা যায়, এবারের বিশ্বকাপ হতে পারে অ্যাটাকিং ফুটবলের এক মহাযুদ্ধ। গতি, ক্রিয়েটিভিটি, ফিনিশিং এবং ট্যাকটিক্যাল ফ্লেক্সিবিলিটি সব মিলিয়ে কয়েকটি দল ইতোমধ্যেই আলাদা করে নজর কাড়ছে।

সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে ব্রাজিল। অনেকেই ব্রাজিলকে ২০২৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে বিপদজনক আক্রমণভাগ সাইড হিসেবে দেখছেন।

দলের আক্রমণভাগে থাকতে পারেন—ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, এন্ড্রিক, রির্চারলিসন, কুনহা কিংবা রাফিনহার মতো তারকা খেলোয়াড়। তাদের পেস, ওয়ান ভার্সেস ওয়ান অ্যাবিলিটি এবং ক্রিয়েটিভিটি যেকোনো রক্ষণভাগকে বিপদে ফেলতে পারে। বিশেষ করে ট্রানজিশন ফুটবলে ব্রাজিল হতে পারে সবচেয়ে ভয়ংকর দলগুলোর একটি।

অন্যদিকে ফ্রান্স এখনও বিশ্বের সবচেয়ে কমপ্লিট অ্যাটাকিং টিমগুলোর একটি। দলের মূল ভরসা— কিলিয়ান এমবাপ্পে,ওসমান ডেম্বেলে,দেজিরে ডুয়ের মতো তরুন তারকা খেলোয়াড়।

এমবাপ্পের এক্সপ্লোসিভ স্পিড এবং বিগ ম্যাচ মেন্টালিটি ফ্রান্সকে যেকোনো ম্যাচে এগিয়ে রাখে। কাউন্টার অ্যাটাকে তারা হতে পারে সবচেয়ে লিথাল দল।

স্পেন এবার ট্র্যাডিশনাল টিকি-টাকার সঙ্গে যোগ করেছে আরও ডিরেক্ট অ্যাটাকিং ফুটবল। দলে রয়েছে নতুন প্রজন্মের তারকা— লামিন ইয়ামাল,নিকো উইলিয়ামস,মিকেল ওয়ায়ারজাবালরা। তরুণ এই দলটি ক্রিয়েটিভিটি ও কুইক পাসিংয়ের মাধ্যমে যেকোনো ডিফেন্স ভেঙে দিতে সক্ষম।

এছাড়া ইংল্যান্ড-এর আক্রমণভাগও হতে পারে বিশ্বকাপের অন্যতম ভয়ংকর ইউনিট–হ্যারি কেইন, জুড বেলিংহাম, সাকা, ফিল ফোডেন। ক্রিয়েটিভিটি, ফিনিশিং এবং স্কোয়াড ডেপথের দিক থেকে ইংল্যান্ডকে অনেকেই কমপ্লিট অ্যাটাকিং প্যাকেজ মনে করছেন।

২০২৬ বিশ্বকাপ হয়তো নির্ধারণ করবে নতুন প্রজন্মের অ্যাটাকিং ফুটবলের রাজত্ব। কেউ নির্ভর করছে গতি ও ফ্লেয়ারের ওপর, কেউ ট্যাকটিক্যাল স্ট্রাকচারের ওপর, আবার কেউ পিওর ফিনিশিং কোয়ালিটির ওপর।

তবে বর্তমান স্কোয়াড ডেপথ, ইন্ডিভিজুয়াল ব্রিলিয়ান্স এবং অ্যাটাকিং ভ্যারাইটি বিবেচনায় ব্রাজিল ও ফ্রান্স-কেই অনেক বিশ্লেষক সবচেয়ে ভয়ংকর আক্রমণভাগের দল হিসেবে দেখছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বিশ্বমঞ্চে ভয়ংকর হতে যাচ্ছে যে দলগুলোর আক্রমণভাগ

আপডেট সময় : ০২:৫৭:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে একটি বড় প্রশ্ন— কোন দলের আক্রমণভাগ সবচেয়ে ভয়ংকর হতে যাচ্ছে।

বর্তমান ফুটবল বিশ্বের তারকাদের দিকে তাকালে বোঝা যায়, এবারের বিশ্বকাপ হতে পারে অ্যাটাকিং ফুটবলের এক মহাযুদ্ধ। গতি, ক্রিয়েটিভিটি, ফিনিশিং এবং ট্যাকটিক্যাল ফ্লেক্সিবিলিটি সব মিলিয়ে কয়েকটি দল ইতোমধ্যেই আলাদা করে নজর কাড়ছে।

সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে ব্রাজিল। অনেকেই ব্রাজিলকে ২০২৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে বিপদজনক আক্রমণভাগ সাইড হিসেবে দেখছেন।

দলের আক্রমণভাগে থাকতে পারেন—ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, এন্ড্রিক, রির্চারলিসন, কুনহা কিংবা রাফিনহার মতো তারকা খেলোয়াড়। তাদের পেস, ওয়ান ভার্সেস ওয়ান অ্যাবিলিটি এবং ক্রিয়েটিভিটি যেকোনো রক্ষণভাগকে বিপদে ফেলতে পারে। বিশেষ করে ট্রানজিশন ফুটবলে ব্রাজিল হতে পারে সবচেয়ে ভয়ংকর দলগুলোর একটি।

অন্যদিকে ফ্রান্স এখনও বিশ্বের সবচেয়ে কমপ্লিট অ্যাটাকিং টিমগুলোর একটি। দলের মূল ভরসা— কিলিয়ান এমবাপ্পে,ওসমান ডেম্বেলে,দেজিরে ডুয়ের মতো তরুন তারকা খেলোয়াড়।

এমবাপ্পের এক্সপ্লোসিভ স্পিড এবং বিগ ম্যাচ মেন্টালিটি ফ্রান্সকে যেকোনো ম্যাচে এগিয়ে রাখে। কাউন্টার অ্যাটাকে তারা হতে পারে সবচেয়ে লিথাল দল।

স্পেন এবার ট্র্যাডিশনাল টিকি-টাকার সঙ্গে যোগ করেছে আরও ডিরেক্ট অ্যাটাকিং ফুটবল। দলে রয়েছে নতুন প্রজন্মের তারকা— লামিন ইয়ামাল,নিকো উইলিয়ামস,মিকেল ওয়ায়ারজাবালরা। তরুণ এই দলটি ক্রিয়েটিভিটি ও কুইক পাসিংয়ের মাধ্যমে যেকোনো ডিফেন্স ভেঙে দিতে সক্ষম।

এছাড়া ইংল্যান্ড-এর আক্রমণভাগও হতে পারে বিশ্বকাপের অন্যতম ভয়ংকর ইউনিট–হ্যারি কেইন, জুড বেলিংহাম, সাকা, ফিল ফোডেন। ক্রিয়েটিভিটি, ফিনিশিং এবং স্কোয়াড ডেপথের দিক থেকে ইংল্যান্ডকে অনেকেই কমপ্লিট অ্যাটাকিং প্যাকেজ মনে করছেন।

২০২৬ বিশ্বকাপ হয়তো নির্ধারণ করবে নতুন প্রজন্মের অ্যাটাকিং ফুটবলের রাজত্ব। কেউ নির্ভর করছে গতি ও ফ্লেয়ারের ওপর, কেউ ট্যাকটিক্যাল স্ট্রাকচারের ওপর, আবার কেউ পিওর ফিনিশিং কোয়ালিটির ওপর।

তবে বর্তমান স্কোয়াড ডেপথ, ইন্ডিভিজুয়াল ব্রিলিয়ান্স এবং অ্যাটাকিং ভ্যারাইটি বিবেচনায় ব্রাজিল ও ফ্রান্স-কেই অনেক বিশ্লেষক সবচেয়ে ভয়ংকর আক্রমণভাগের দল হিসেবে দেখছেন।