বড়লেখায় জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় কৃতী শিক্ষার্থীদের সাফল্য
- আপডেট সময় : ১০:০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 88
মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায় জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে। গত বুধবার প্রকাশিত ফলাফলে বড়লেখার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ‘ট্যালেন্ট পুল’ ও ‘সাধারণ’—এই দুই ক্যাটাগরিতে বৃত্তি লাভ করেছে। এতে উপজেলার মোট ৬৬ জন শিক্ষার্থী ‘ট্যালেন্ট পুল’ ও ‘সাধারণ’—এই দুই ক্যাটাগরিতে বৃত্তি লাভ করেছে। এর মধ্যে ট্যালেন্ট পুলে বৃত্তি পেয়েছে ২২ জন এবং সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে ৪৪ জন।
উপজেলার কেন্দ্র ৪৫১–বড়লেখা-১ থেকে ট্যালেন্ট পুলে বৃত্তি অর্জনকারীদের মধ্যে রয়েছে— মো: তাওসিফ আলম (দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়), বিশাল দেব নাথ (দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়), আদনান আহমেদ (সিদ্দেক আলী উচ্চ বিদ্যালয়, সুজানগর), লামিয়া ইসলাম অরিন (সিদ্দেক আলী উচ্চ বিদ্যালয়), কিংকর পাল রিয়াম, তাওহিদ মুহাম্মদ ও খাদিজা জান্নাত (গাংকুল পঞ্চগ্রাম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়), মিথিলা দেব নাথ মৌমি (নারী শিক্ষা একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়), সূর্য দত্ত, আবু বকর খান, ইহতেমাম আনিন খান, বিগনেশ দে, আরিকা ফাইরুজ, পুনম দত্ত, সুমাইয়া সিদ্দিকা, রুকাইয়া বেগম, রিমি দে ও সায়মা জামাল নওরিন (রুকেয়া খাতুন লিসিয়াম স্কুল), মো: আব্দুল্লাহ আল মাহিন (শাহবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ), তাহিয়া তাবাসসুম (হাজী শামসুল হক আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়) এবং রাফিয়া আঞ্জুম আইভা (মাধবকুন্ড জুনিয়র স্কুল)।
এছাড়া সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছেন ইশতিয়াক আহমদ (ইটাউরি হাজী ইউনুস মিয়া মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়), তন্ময় দাস,মৃত্তিকা দাস (দক্ষিণভাগ এন. সি. এম উচ্চ বিদ্যালয়), সৃজন দাস,রেশমি চৌধুরি জুহি,শরমি রাণী দাস চাঁদনী (দাসেরবাজার উচ্চ বিদ্যালয়), অদিতি বিশ্বাস অঙ্গনা(হাকালুকি উচ্চ বিদ্যালয়), বাঁধন দাস,অন্নয় চন্দ (ছোটলিখা উচ্চ বিদ্যালয়),মিজানুর রহমান তানভীর,সত্তজিৎ রায় (গল্লাসাঙ্গন উচ্চ বিদ্যালয়), ছামিয়া আক্তার মীম,পণ্য দে ইতি (নারী শিক্ষা একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়)ওয়াসীমা জান্নাত রিহা (বর্ণি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়), আব্দুল্লাহ আল মামুন (কলাজুরা হাজী আপ্তাব মিয়া মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়),তানজিমা রায়হান,ছারজানা রহমান,মরিয়ম বিনতে সাইব,নুজহাত রহমান (কাঁঠালতলী উচ্চ বিদ্যালয়), ফারহান আহমদ,ইয়াসির রহমান,বিপ্র পাল,মাহমুদুল হক,শাফি আহমদ চৌধুরী, মোঃ জাবের আহমদ নাফিস,তৌফুকুল ইসলাম,নিরব দাস,জিসান আহমদ রুহান,ফুয়াদ ফারহান তালহা,বিশাল দাস,হিমেল বিশ্বাস সৃজন,সব্যশাচী কিশোর কর,অহনা দাস সুচি,মুনতাহা জাহান,পারিজাত পাপড়ি দাস,শায়েখ আমিলিয়া মানহা আলম নূরা,যাহরা ইসলাম ফৌজি,সপ্তদীপা দাস সূচী,তাওহীদা তাবাসসুম, মাশিয়াত তাওসিয়া মুমু (রোকেয়া খাতুন লাইসিয়াম স্কুল),মরিয়ম রহমান (ফকিরবাজার উচ্চ বিদ্যালয়), আরাফাত আল মুন্না (পলোয়ান বাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়) অর্ণব দাস,অনামিকা পাল অর্পা (শাহবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়),সামিয়া আফরিন (মাধবকুণ্ড জুনিয়র স্কুল)
উপজেলার বৃত্তিপ্রাপ্ত বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক বৃত্তি অর্জন করেছে রোকেয়া খাতুন লাইসিয়াম স্কুল। প্রতিষ্ঠানটি মোট ৩১টি বৃত্তি লাভ করেছে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে রয়েছে ১০টি এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে অর্জিত হয়েছে ২১টি বৃত্তি।
অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যেও বড়লেখার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আরোও শিক্ষার্থীরা উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে। কাঠাঁলতলী উচ্চ বিদ্যালয়, দক্ষিণভাগ এন.সি.এম. উচ্চ বিদ্যালয়সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ তালিকায় স্থান পেয়েছে।শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধান ও শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়ের ফলেই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে।
উপজেলা জুড়ে এ কৃতিত্বে শিক্ষা অঙ্গনে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ভবিষ্যতেও বড়লেখার শিক্ষার্থীরা এ ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রাখবে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাওলাদার আজিজুল ইসলাম বলেন, জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় বড়লেখা উপজেলার শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফলাফল অর্জন করেছে। এ বছর ট্যালেন্ট পুলে ২২ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ৪৪ জনসহ সর্বমোট ৬৬ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করেছে, যা নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভবিষ্যতে এ সাফল্যের ধারাবাহিকতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
ষাটমাকন্ঠ / রেদওয়ান






















