০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কুলাউড়ায় সরকারি কলেজে নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন Logo পহেলা বৈশাখে কুতুব আলী একাডেমিতে শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক আয়োজন Logo জুড়ীতে জামায়াতের ওয়ার্ড দায়িত্বশীলদের কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo জুড়ীতে ৭৬৮ কৃষকের মাঝে কার্ড বিতরণ Logo বর্ণাঢ্য আয়োজনে বড়লেখায় বৈশাখ বরণ Logo কানাডার এমপি নির্বাচিত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডলি, প্রধানমন্ত্রী কার্নির অভিনন্দন Logo কমলগঞ্জে সড়ক উন্নয়ন ও খাল খনন কাজের উদ্বোধন Logo সরকার কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে- নাসির উদ্দিন মিঠু এমপি Logo জুড়ীতে অবৈধভাবে মজুত করা ১৪ শ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ Logo জ্বালানি সংকটে বিয়ের অনুষ্ঠানে চমক, উপহার হিসেবে অকটেন পেলেব বর

চায়নিজ গভর্নমেন্ট বৃত্তি পেলেন বুটেক্সের সাত শিক্ষার্থী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:০৫:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / 60

চায়নিজ গভর্নমেন্ট বৃত্তি পেলেন বুটেক্সের সাত শিক্ষার্থী। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ও বহুমুখী একাডেমিক প্রোগ্রামের পাশাপাশি চীন সরকার প্রতিবছর বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নানা ধরনের বৃত্তি দেয়। এগুলোর মধ্যে অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ হলো চায়নিজ গভর্নমেন্ট স্কলারশিপ (সিজিএস)। এটি চায়না স্কলারশিপ কাউন্সিলের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই বৃত্তি চীনের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ দেয়। বৃত্তির আওতায় টিউশন ফি, আবাসন, মাসিক ভাতা, স্বাস্থ্যবিমাসহ সব ব্যয় চীন সরকার বহন করে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশ থেকে ৮০ জন শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) সাত শিক্ষার্থী রয়েছেন।

বুটেক্সের ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৪তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী সৈয়দ নাজমুস জাওয়াদ। তিনি সিএসসির টাইপ ‘এ’ বৃত্তি পেয়ে উহান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্টে ই-কমার্স ম্যানেজমেন্টে স্নাতকোত্তর করার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘উহান বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বমানের শিক্ষা এবং গবেষণার কেন্দ্র। আমার আগ্রহ ই-কমার্স ম্যানেজমেন্টে থাকায় আমি টেক্সটাইলের পথে যাইনি। সবকিছুতে আবেদন করেছি, কোনো এজেন্সির সহায়তা নিইনি।’

চীনের সিএসসি টাইপ ‘এ’ বৃত্তি পেয়ে উহান টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর করার সুযোগ পেয়েছেন মো. মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বুটেক্সের অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৮ সালের পঞ্চম স্থানধারী সাবেক শিক্ষার্থী। মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘চীন বিশ্বের টেক্সটাইলের কেন্দ্র। এখানে উন্নত ল্যাব, টেকসই ফাইবার, ফাংশনাল ম্যাটেরিয়াল এবং স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিং নিয়ে আধুনিক গবেষণার সুযোগ রয়েছে। এই জ্ঞান দিয়ে দেশের টেক্সটাইল শিল্পকে আরও আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক করতে চাই।’

বুটেক্সের ফ্যাব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪২তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী মো. ফরহাদ হোসেন। তিনি সিএসসি টাইপ ‘বি’ বৃত্তি পেয়ে উহান টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর করার সুযোগ পেয়েছেন। স্নাতক শেষ করে তিনি এসকিউ গ্রুপে এক বছরের বেশি সময় কাজ করেছেন। এরপর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে প্রভাষক হিসেবে এবং বুটেক্সে গেস্ট শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বলেন, ‘উহান টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাওয়া গর্বের। ভবিষ্যতে অর্জিত জ্ঞান শিক্ষাদান ও গবেষণায় প্রয়োগ করতে চাই।’

মো. ইসহাক বুটেক্সের অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী, সিএসসি টাইপ ‘এ’ বৃত্তি পেয়ে ডংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ অব টেক্সটাইলসে স্নাতকোত্তর করার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি টেক্সটাইল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করেছি এবং চীনা সহযোগিতায় নতুন উদ্ভাবনী পণ্য তৈরি করেছি। এই স্নাতকোত্তর প্রোগ্রাম বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্পকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।’

বুটেক্সের ফ্যাব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী মো. আবদুল্লাহ আল রাহাদ। তিনি ডংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ অব টেক্সটাইলস অনুষদে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে স্নাতকোত্তর করার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে গবেষণামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থেকে লক্ষ করেছি, চীনা গবেষকেরা এ ক্ষেত্রে প্রাধান্য রাখেন। সিএসসি বৃত্তি আমাকে বিশ্বমানের ল্যাব সুবিধা ও শিক্ষকমণ্ডলীর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ দেবে।’

তানভীর সিকদার বুটেক্সের ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৩৯তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী। তিনি সিএসসি টাইপ ‘বি’ বৃত্তি নিয়ে ডংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর করার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সিএসসি বৃত্তির ভালো দিক হলো চীনা সরকার টিউশন, আবাসন ও চিকিৎসা খরচ বহন করে। পড়াশোনার পাশাপাশি নিজেকে ভালো গবেষক হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।’

অনিক কুমার দাস সিএসসির টাইপ ‘এ’ বৃত্তি নিয়ে সাংহাই জিয়াও টং বিশ্ববিদ্যালয়ে ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে স্নাতকোত্তর করার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি বুটেক্সের অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৪৩তম ব্যাচ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। তিনি বলেন, ‘শিক্ষাজীবনে সব সময় ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্সে আগ্রহ ছিল। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা অর্জন সম্ভব হবে।’

এই সাত শিক্ষার্থীর অর্জন বুটেক্সের শিক্ষার মান এবং দেশের শিক্ষাব্যবস্থার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে ধরা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চায়নিজ গভর্নমেন্ট বৃত্তি পেলেন বুটেক্সের সাত শিক্ষার্থী

আপডেট সময় : ০৮:০৫:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ও বহুমুখী একাডেমিক প্রোগ্রামের পাশাপাশি চীন সরকার প্রতিবছর বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নানা ধরনের বৃত্তি দেয়। এগুলোর মধ্যে অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ হলো চায়নিজ গভর্নমেন্ট স্কলারশিপ (সিজিএস)। এটি চায়না স্কলারশিপ কাউন্সিলের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই বৃত্তি চীনের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ দেয়। বৃত্তির আওতায় টিউশন ফি, আবাসন, মাসিক ভাতা, স্বাস্থ্যবিমাসহ সব ব্যয় চীন সরকার বহন করে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশ থেকে ৮০ জন শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) সাত শিক্ষার্থী রয়েছেন।

বুটেক্সের ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৪তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী সৈয়দ নাজমুস জাওয়াদ। তিনি সিএসসির টাইপ ‘এ’ বৃত্তি পেয়ে উহান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্টে ই-কমার্স ম্যানেজমেন্টে স্নাতকোত্তর করার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘উহান বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বমানের শিক্ষা এবং গবেষণার কেন্দ্র। আমার আগ্রহ ই-কমার্স ম্যানেজমেন্টে থাকায় আমি টেক্সটাইলের পথে যাইনি। সবকিছুতে আবেদন করেছি, কোনো এজেন্সির সহায়তা নিইনি।’

চীনের সিএসসি টাইপ ‘এ’ বৃত্তি পেয়ে উহান টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর করার সুযোগ পেয়েছেন মো. মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বুটেক্সের অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৮ সালের পঞ্চম স্থানধারী সাবেক শিক্ষার্থী। মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘চীন বিশ্বের টেক্সটাইলের কেন্দ্র। এখানে উন্নত ল্যাব, টেকসই ফাইবার, ফাংশনাল ম্যাটেরিয়াল এবং স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিং নিয়ে আধুনিক গবেষণার সুযোগ রয়েছে। এই জ্ঞান দিয়ে দেশের টেক্সটাইল শিল্পকে আরও আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক করতে চাই।’

বুটেক্সের ফ্যাব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪২তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী মো. ফরহাদ হোসেন। তিনি সিএসসি টাইপ ‘বি’ বৃত্তি পেয়ে উহান টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর করার সুযোগ পেয়েছেন। স্নাতক শেষ করে তিনি এসকিউ গ্রুপে এক বছরের বেশি সময় কাজ করেছেন। এরপর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে প্রভাষক হিসেবে এবং বুটেক্সে গেস্ট শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বলেন, ‘উহান টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাওয়া গর্বের। ভবিষ্যতে অর্জিত জ্ঞান শিক্ষাদান ও গবেষণায় প্রয়োগ করতে চাই।’

মো. ইসহাক বুটেক্সের অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী, সিএসসি টাইপ ‘এ’ বৃত্তি পেয়ে ডংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ অব টেক্সটাইলসে স্নাতকোত্তর করার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি টেক্সটাইল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করেছি এবং চীনা সহযোগিতায় নতুন উদ্ভাবনী পণ্য তৈরি করেছি। এই স্নাতকোত্তর প্রোগ্রাম বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্পকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।’

বুটেক্সের ফ্যাব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী মো. আবদুল্লাহ আল রাহাদ। তিনি ডংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ অব টেক্সটাইলস অনুষদে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে স্নাতকোত্তর করার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে গবেষণামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থেকে লক্ষ করেছি, চীনা গবেষকেরা এ ক্ষেত্রে প্রাধান্য রাখেন। সিএসসি বৃত্তি আমাকে বিশ্বমানের ল্যাব সুবিধা ও শিক্ষকমণ্ডলীর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ দেবে।’

তানভীর সিকদার বুটেক্সের ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৩৯তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী। তিনি সিএসসি টাইপ ‘বি’ বৃত্তি নিয়ে ডংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর করার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সিএসসি বৃত্তির ভালো দিক হলো চীনা সরকার টিউশন, আবাসন ও চিকিৎসা খরচ বহন করে। পড়াশোনার পাশাপাশি নিজেকে ভালো গবেষক হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।’

অনিক কুমার দাস সিএসসির টাইপ ‘এ’ বৃত্তি নিয়ে সাংহাই জিয়াও টং বিশ্ববিদ্যালয়ে ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে স্নাতকোত্তর করার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি বুটেক্সের অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৪৩তম ব্যাচ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। তিনি বলেন, ‘শিক্ষাজীবনে সব সময় ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্সে আগ্রহ ছিল। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা অর্জন সম্ভব হবে।’

এই সাত শিক্ষার্থীর অর্জন বুটেক্সের শিক্ষার মান এবং দেশের শিক্ষাব্যবস্থার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে ধরা হচ্ছে।