তারেক রহমান যেদিন দেশে আসবেন সেদিন দেশে নতুন এক ইতিহাস সৃষ্টি হবে- জিকে গউছ
- আপডেট সময় : ০১:৫৩:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫
- / 158
বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জিকে গউছ বলেছেন, এরশাদ জোর করে রাষ্ট্র ক্ষমতা নিয়েছিল, তখন হাসিনা সমর্থন দিয়েছিল। ৮৬ সালের নির্বাচনে শেখ হাসিনা-জামায়াত এরশাদকে বৈধতা দিয়েছিল। বেগম খালেদা জিয়া তখন আপোষ করেননি। এজন্য আমরা তাকে আপোষহীন নেত্রী বলি। আমরা তাকে মায়ের আসনে বসিয়েছি। হাসিনার চক্রান্তের শিকার হয়ে তিনি অসুস্থ হয়েছেন। তিনি নিজের গুণে, নিজের যোগ্যতায় মানুষের মনে থাকবেন। আওয়ামী লীগ যেখানে ব্যর্থ বিএনপি বার বার সেখানে সফল হয়েছে। তারেক রহমান লন্ডনে থেকে দলকে এবং দলের মানুষকে রক্ষা করছেন। তারই নির্দেশনা ও নেতৃত্বে আমরা জীবনবাজী রেখে রাজপথ দখলে রেখেছিলাম। তিনি যেদিন দেশে আসবেন সেদিন দেশে নতুন এক ইতিহাস সৃষ্টি হবে। ঝড়-বৃষ্টিসহ সব কিছু উপেক্ষা করে সারাদেশের বিএনপি নেতাকর্মীরা তাকে বরণ করতে ঢাকায় ছুটে যাবে।
রোববার (১৭ আগস্ট) দুপুর ২ টায় মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন- হাসিনা মুক্ত বাংলাদেশে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাড়াবাড়ি ছাড়া আজ জুড়ীতে সম্মেলন করছি। হাসিনা একেক সময় একেক কথা বলেছে। কখনো ২১ সাল কখনো ৪১ সাল। কিন্তু মানুষের জীবন যে ক্ষণস্থায়ী সেটা আওয়ামী লীগ বুঝে না। আমাদেরকে দোয়া মাহফিলও করতে দেয়নি। আল্লাহর চোখ ফাঁকি দেয়া যায় না। তারা বলেছিল হাসিনা পালায় না। এমন পালানো পালাইছে হাসিনা পরিবারের একটি লোকও দেশে নাই।
পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন- পুলিশ আমাদের প্রতিপক্ষ না, পুলিশ জনগণের সেবক। তারা আজকে রাষ্ট্রের পুলিশ হিসেবে কাজ করছে। এর আগে হাসিনার পুলিশ হিসেবে কাজ করতো। হাসিনা পালানোর আগে অনেক থানার পুলিশ তাকে রেখে পালিয়েছে।
দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন- বিএনপি বার বার জনগণের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছে। এখানে মানুষের অভাব নেই। হামলা, মামলা, খুন করেও বিএনপিকে আটকাতে পারেনি। তাই অন্য কোনো দলের লোককে আশ্রয় দেয়া যাবে না। ভুল করলে খেসারত দিতে হবে। মাঠের মানুষকে নেতা নির্বাচন করতে হবে এটা তারেক রহমানের কথা।
তিনি বলেন- আগামী ত্রয়োদশ নির্বাচনে জনগণের মেন্ডেট নিয়ে আমরা সরকার গঠন করব। তবে নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে। ফেব্রুয়ারীতে যদি নির্বাচন না হয় তাহলে সবচেয়ে বেশি সুবিধা ভোগ করবে আওয়ামী লীগ। কিছু সংখ্যক আওয়ামী লীগ পালালেও অসংখ্য আওয়ামী লীগ দেশে রয়ে গেছে। তাই সতর্ক থাকতে হবে।
সম্মেলন উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ূন। উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডাঃ মুস্তাকিম হোসেন বাবুল এর সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য এম নাসের রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা, মিজানুর রহমান মিজান, নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু, এম এ মুকিত। উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা শরিফুল হক সাজু, জেলা বিএনপির সদস্য বকসি মিছবাহুর রহমান, মতিন বকস, কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক রেদওয়ান খান।
























