০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিশ্বকাপের মঞ্চে সিলেটের সঞ্জয় Logo বড়লেখা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন Logo সরকার এবারের বাজেটে শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রেখেছে- নাসির উদ্দিন আহমেদ Logo মৌলভীবাজারে ঘুমন্ত নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: দুই আসামি গ্রেপ্তার Logo সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের প্রতিবাদে ফুলতলা বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ Logo সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হলেন কয়েস লোদী Logo কুলাউড়ায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত Logo বড়লেখায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘ব্রাজিল বাড়ি’ Logo চার বছরের অপেক্ষার অবসান, ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ

সেনাবাহিনীর অভিযানের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি, বড়লেখায় যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আটক

খোর্শেদ আলম, জুড়ী:
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৭:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 111
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় সেনাবাহিনীর নাম ভাঙিয়ে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী। পরে তাদের বড়লেখা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই ব্যবসায়ী মোঃ সালমান হোসেন বাদী হয়ে রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বড়লেখা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বড়লেখা উপজেলার গাজীটেকা আইলাপুর গ্রামের মৃত ফয়জুর রহমানের ছেলে ও বড়লেখা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নজমুল ইসলাম (৪৬), গাজীটেকা গ্রামের মৃত মজির উদ্দিনের ছেলে বড়লেখা সদর ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব আবু হানিফ জাকারিয়া (৩২) এবং গাজীটেকা গ্রামের মোস্তফা উদ্দিনের ছেলে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোঃ রাজু আহমদ (২৭)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, তালিমপুর ইউনিয়নের মোঃ বদর উদ্দিনের ছেলে মোঃ সালমান হোসেন বড়লেখা হাজীগঞ্জ বাজারে ‘বদরউদ্দিন স্টোর’ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। গত ২ ফেব্রুয়ারি ব্যবসায়ী মোঃ সালমান হোসেনের বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলমের সন্ধানে সেনাবাহিনীর একটি দল তাদের বাড়িতে অভিযান চালায়। তবে অভিযানের সময় জাহাঙ্গীর আলমকে পাওয়া যায়নি।

পরদিন ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে তালিমপুর বড় মসজিদের সামনের রাস্তায় জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে দেখা করে ১নং আসামি নজমুল ইসলাম ও ৩নং আসামি রাজু আহমদ। তারা জানান, ২নং আসামি আবু হানিফ জাকারিয়ার মাধ্যমে সেনাবাহিনীর সঙ্গে বিষয়টি ‘সমাধান’ করে দেওয়া যাবে এর জন্য ৩ লাখ টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে ‘অপূরণীয় ক্ষতি’ হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয় বাদীর ভাইকে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ৪ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ২টার দিকে ১নং আসামি তার মোবাইল নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপ কলে ২নং আসামিসহ বাদীর ভাইয়ের কাছে ৩ লাখ টাকা পাঠানোর জন্য চাপ প্রয়োগ করে। পরদিন ৫ ফেব্রুয়ারি পুনরায় হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অন্তত ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে বলে তাগিদ দেওয়া হয় এবং জানানো হয়, তাদের সঙ্গে আরও ২-৩ জন সহযোগী রয়েছে।

বাদীর ভাই পুরো কথোপকথন তাঁর মোবাইলে রেকর্ড করে রাখেন। পরে বিষয়টি বড়লেখা সেনা ক্যাম্পকে অবহিত করা হলে সেনাবাহিনী অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্তদের আটক করে থানায় সোপর্দ করে। পরে এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই ব্যবসায়ী মোঃ সালমান হোসেন বাদী হয়ে রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বড়লেখা থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয় বড়লেখা থানার ওসি মনিরুজ্জামান খান রবিবার রাতে বলেন, তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সূত্র : জুড়ীর সময়

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সেনাবাহিনীর অভিযানের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি, বড়লেখায় যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আটক

আপডেট সময় : ০৩:৪৭:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় সেনাবাহিনীর নাম ভাঙিয়ে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী। পরে তাদের বড়লেখা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই ব্যবসায়ী মোঃ সালমান হোসেন বাদী হয়ে রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বড়লেখা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বড়লেখা উপজেলার গাজীটেকা আইলাপুর গ্রামের মৃত ফয়জুর রহমানের ছেলে ও বড়লেখা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নজমুল ইসলাম (৪৬), গাজীটেকা গ্রামের মৃত মজির উদ্দিনের ছেলে বড়লেখা সদর ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব আবু হানিফ জাকারিয়া (৩২) এবং গাজীটেকা গ্রামের মোস্তফা উদ্দিনের ছেলে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোঃ রাজু আহমদ (২৭)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, তালিমপুর ইউনিয়নের মোঃ বদর উদ্দিনের ছেলে মোঃ সালমান হোসেন বড়লেখা হাজীগঞ্জ বাজারে ‘বদরউদ্দিন স্টোর’ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। গত ২ ফেব্রুয়ারি ব্যবসায়ী মোঃ সালমান হোসেনের বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলমের সন্ধানে সেনাবাহিনীর একটি দল তাদের বাড়িতে অভিযান চালায়। তবে অভিযানের সময় জাহাঙ্গীর আলমকে পাওয়া যায়নি।

পরদিন ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে তালিমপুর বড় মসজিদের সামনের রাস্তায় জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে দেখা করে ১নং আসামি নজমুল ইসলাম ও ৩নং আসামি রাজু আহমদ। তারা জানান, ২নং আসামি আবু হানিফ জাকারিয়ার মাধ্যমে সেনাবাহিনীর সঙ্গে বিষয়টি ‘সমাধান’ করে দেওয়া যাবে এর জন্য ৩ লাখ টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে ‘অপূরণীয় ক্ষতি’ হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয় বাদীর ভাইকে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ৪ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ২টার দিকে ১নং আসামি তার মোবাইল নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপ কলে ২নং আসামিসহ বাদীর ভাইয়ের কাছে ৩ লাখ টাকা পাঠানোর জন্য চাপ প্রয়োগ করে। পরদিন ৫ ফেব্রুয়ারি পুনরায় হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অন্তত ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে বলে তাগিদ দেওয়া হয় এবং জানানো হয়, তাদের সঙ্গে আরও ২-৩ জন সহযোগী রয়েছে।

বাদীর ভাই পুরো কথোপকথন তাঁর মোবাইলে রেকর্ড করে রাখেন। পরে বিষয়টি বড়লেখা সেনা ক্যাম্পকে অবহিত করা হলে সেনাবাহিনী অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্তদের আটক করে থানায় সোপর্দ করে। পরে এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই ব্যবসায়ী মোঃ সালমান হোসেন বাদী হয়ে রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বড়লেখা থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয় বড়লেখা থানার ওসি মনিরুজ্জামান খান রবিবার রাতে বলেন, তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সূত্র : জুড়ীর সময়