০১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ১০০ কোটির মালিক, তবু যাতায়াত অটোয়, ভাইরাল মুম্বইয়ের ব্যবসায়ীর জীবনযাত্রার পোস্ট! Logo ফ্রান্সের অরলিয়ন্সে বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রথম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত Logo ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে মৌলভীবাজারের যুবক নিহত Logo জামায়াত এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি Logo জুড়ীতে প্রধান শিক্ষক নিখোঁজ, মোটরসাইকেল ও জামাকাপড় উদ্ধার Logo বড়লেখায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু, লাশ উদ্ধার Logo শিক্ষার্থীদের জন্য রেজিস্ট্রেশন শুরু, শেষ সময় ২৭ এপ্রিল Logo সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, বড়লেখা-জুড়ীতে উচ্ছ্বাস Logo কুলাউড়ায় রাস্তার উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি শওকতুল ইসলাম Logo এসএসসি সমমান পরীক্ষার্থীদের নিয়ে বড়লেখায় ছাত্রশিবিরের দোয়া মাহফিল

সিলেট বিআরটিএ অফিসে দুদকের অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৭:৪২:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫
  • / 213
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রায় ৫০ কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগের ভিত্তিতে বিআরটিএ সিলেট অফিসে অভিযান চালিয়ে হকিস্টিক, মোবাইল ও ব্ল্যাংক চেক উদ্ধার করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বিআরটিএর এক কর্মকর্তাকে ঘুষ না দিলে সেবাগ্রহীতাদের হকিস্টিক দিয়ে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হতো বলে অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (০৭ মে) দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত দুদক সিলেট অফিসের কর্মকর্তারা সিলেট বিআরটিএ অফিসে এই ‘এনফোর্সমেন্ট অপারেশন’ পরিচালনা করেন।

অভিযানে মোটরযান পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেনের কক্ষ থেকে ৫টি ব্ল্যাংক চেক, ৩টি মোবাইল ফোন ও একটি হকিস্টিক উদ্ধার করেছেন। এছাড়া রেকর্ড কিপার আব্দুর রাজ্জাকের কাছ থেকে একটি আবেদনপত্রের সঙ্গে গ্রাহকের দেওয়া ৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

দুদকের দাবি, এই হকিস্টিক ব্যবহার করে দেলোয়ার হোসেন সেবাগ্রহীতাদের শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া দুদকের সহকারী পরিচালক আশরাফ উদ্দিন জানান, সিলেট বিআরটিএ অফিসে ৫০ কোটি টাকার ঘুষ লেনদেনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা এই অভিযান চালিয়েছি। মোটরযান পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেনের কক্ষ থেকে জব্দ করা ব্ল্যাংক চেক ও মোবাইল ফোনগুলো অবৈধ কার্যকলাপে ব্যবহৃত হতো বলে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, উদ্ধারকৃত হকিস্টিক দিয়ে বিভিন্ন সময় সেবাগ্রহীতাদের ওপর অত্যাচার করা হতো।

এদিকে জব্দকৃত মোবাইল ফোনগুলো সিলেট বিআরটিএ অফিসের পরিচালকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আব্দুর রাজ্জাকের কাছ থেকে উদ্ধার করা টাকা ও আবেদনপত্রসহ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনার জন্য কমিশনে পাঠানো হবে।

মোটরযান পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জব্দ করা মোবাইল ফোনগুলো বিভিন্ন সময়ে দালালদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। আমার কক্ষ থেকে পাওয়া হকিস্টিকটি আমার নয় এবং ঘুষ বাণিজ্যের সঙ্গেও আমি জড়িত নই।

নিউজটি শেয়ার করুন

সিলেট বিআরটিএ অফিসে দুদকের অভিযান

আপডেট সময় : ০৭:৪২:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

প্রায় ৫০ কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগের ভিত্তিতে বিআরটিএ সিলেট অফিসে অভিযান চালিয়ে হকিস্টিক, মোবাইল ও ব্ল্যাংক চেক উদ্ধার করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বিআরটিএর এক কর্মকর্তাকে ঘুষ না দিলে সেবাগ্রহীতাদের হকিস্টিক দিয়ে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হতো বলে অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (০৭ মে) দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত দুদক সিলেট অফিসের কর্মকর্তারা সিলেট বিআরটিএ অফিসে এই ‘এনফোর্সমেন্ট অপারেশন’ পরিচালনা করেন।

অভিযানে মোটরযান পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেনের কক্ষ থেকে ৫টি ব্ল্যাংক চেক, ৩টি মোবাইল ফোন ও একটি হকিস্টিক উদ্ধার করেছেন। এছাড়া রেকর্ড কিপার আব্দুর রাজ্জাকের কাছ থেকে একটি আবেদনপত্রের সঙ্গে গ্রাহকের দেওয়া ৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

দুদকের দাবি, এই হকিস্টিক ব্যবহার করে দেলোয়ার হোসেন সেবাগ্রহীতাদের শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া দুদকের সহকারী পরিচালক আশরাফ উদ্দিন জানান, সিলেট বিআরটিএ অফিসে ৫০ কোটি টাকার ঘুষ লেনদেনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা এই অভিযান চালিয়েছি। মোটরযান পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেনের কক্ষ থেকে জব্দ করা ব্ল্যাংক চেক ও মোবাইল ফোনগুলো অবৈধ কার্যকলাপে ব্যবহৃত হতো বলে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, উদ্ধারকৃত হকিস্টিক দিয়ে বিভিন্ন সময় সেবাগ্রহীতাদের ওপর অত্যাচার করা হতো।

এদিকে জব্দকৃত মোবাইল ফোনগুলো সিলেট বিআরটিএ অফিসের পরিচালকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আব্দুর রাজ্জাকের কাছ থেকে উদ্ধার করা টাকা ও আবেদনপত্রসহ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনার জন্য কমিশনে পাঠানো হবে।

মোটরযান পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জব্দ করা মোবাইল ফোনগুলো বিভিন্ন সময়ে দালালদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। আমার কক্ষ থেকে পাওয়া হকিস্টিকটি আমার নয় এবং ঘুষ বাণিজ্যের সঙ্গেও আমি জড়িত নই।