১২:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কুলাউড়ায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যার দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন Logo প্রাথমিক শিক্ষা পদক/ জুড়ীর অনিক জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ সহকারি শিক্ষক নির্বাচিত Logo জুড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এমপি পরিবারের ঔষধ সহায়তা Logo ফ্রী-ফায়ার গেম নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২ Logo শাবিপ্রবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক খায়রুল ইসলাম Logo ঢাবি ছাত্র ইউনিয়নের নতুন নেতৃত্বে দূর্জয়-মোস্তাকিম Logo বিসিবি নির্বাচনে বিনা ভোটে আসছেন ৪ পরিচালক, জমজমাট লড়াই ক্লাব ক্যাটাগরিতে Logo জুড়ীর বেলাগাঁও-কন্টিনালা নদী ভাঙন রোধে চলমান কাজ পরিদর্শনে এমপি নাসির উদ্দিন আহমেদ Logo কমলগঞ্জে বজ্রপাতে একজন চা-শ্রমিকের মৃত্যু, আহত পাঁচ Logo স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ের ১ম বর্ষ শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির আবেদন শুরু

রঙে রঙিন মাকড়সা। ছবি: অজিত রবিদাস

প্রকৃতির এক বিস্ময়কর নির্মাতা হচ্ছে মাকড়সা। ছোট্ট এই প্রাণীটিকে আমরা অনেক সময় ভয় পাই, অথচ এর জীবন ও গঠন সম্পর্কে জানলে বিস্ময়ের শেষ থাকে না।

মাকড়সা আসলে পতঙ্গ নয় এটাই অনেকের অজানা। পতঙ্গদের মতো ছয় পা নয়, মাকড়সার আছে আটটি পা। তাদের দেহও দুই ভাগে বিভক্ত, এবং শরীরে নেই কোনো অ্যানটেনা বা পাখা। এ কারণেই তারা আলাদা এক শ্রেণির সদস্য- অ্যারাকনিডা।

মাকড়সার সবচেয়ে আশ্চর্য দিক হলো তার জাল। এই জাল টানলে অনেক দূর পর্যন্ত প্রসারিত হতে পারে, কিন্তু সহজে ছিঁড়ে না এমনকি এর স্থিতিস্থাপকতা স্টিলের চেয়েও বেশি! আর জালের ওপর হেঁটে চলার সময় তারা নিজেরাই এতে আটকে যায় না। এর পেছনে আছে তাদের পায়ের গঠন ও এক বিশেষ রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য।

পৃথিবীতে প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশি প্রজাতির মাকড়সা রয়েছে। তবে মজার বিষয় হলো তারা দূরের জিনিস স্পষ্ট দেখতে পায় না। চলাফেরার ক্ষেত্রেও মাকড়সা একেবারেই আলাদা। অন্যান্য প্রাণীর মতো শুধুমাত্র পেশির উপর নির্ভর না করে, তারা ‘হাইড্রোলিক পাওয়ার’ ব্যবহার করে। শরীরের ভেতরের তরলের চাপের মাধ্যমে তাদের পা নড়াচড়া করে যা এক অভিনব প্রক্রিয়া।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মাকড়সা আমাদের জন্য উপকারী। তারা অসংখ্য পোকামাকড় খেয়ে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখে। যদি মাকড়সা না থাকত, তবে ক্ষতিকর পোকামাকড়ের সংখ্যা অনেক বেড়ে যেত।

তাই ভয় নয়, বরং মাকড়সাকে দেখা উচিত প্রকৃতির এক নীরব সহায়ক হিসেবে যে নিঃশব্দে আমাদের পরিবেশকে সুরক্ষিত রাখছে।

লেখা ও ছবি: অজিত রবিদাস