আজ শুভ দীপাবলি ও শ্যামাপূজা
- আপডেট সময় : ০৯:২৫:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
- / 232
আজ শুভ দীপাবলি। সহস্র প্রদীপ জ্বালিয়ে দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উদযাপন করবেন দীপাবলি উৎসব ও শ্যামাপূজা। অন্ধকার, অন্যায় দূর করে শুভ ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় এ উপলক্ষে আলোকসজ্জায় সেজে উঠেছে মন্দির প্রাঙ্গণ। আজ গৃহকোণ আলোকিত হবে মাটির প্রদীপের স্নিগ্ধ আলোয়।
সনাতন ধর্মগ্রন্থ পুরাণ মতে, অন্যায়-অত্যাচার দূর করতেই মা কালীর মর্তে আগমন। দুষ্টের দমন শিষ্টের পালনের বার্তা দিতে আসেন দেবী। কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে শ্যামাপূজা বা কালীপূজা অনুষ্ঠিত হয়। দীপাবলির সন্ধ্যায় মন্দির প্রাঙ্গণ, বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সেজে ওঠে সারি সারি প্রদীপ আর মোমের স্নিগ্ধ আলোয়।
অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে শুভ শক্তির বিজয়ের প্রতীক দীপাবলি। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে তাই শ্যামা দেবী শান্তি, সংহতি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সংগ্রামের প্রতীক।শ্যামাপূজার রাতে মন্দির ও বাড়িতে চলে বিশেষ পূজা, চণ্ডীপাঠ, আরতি ও হোম। ভক্তরা উপবাস ও ব্রত পালন করেন, দেবীর কৃপা লাভের আশায়।
অন্যদিকে, দীপাবলি বা দীপাবলি উৎসব আলোর প্রতীক। হিন্দু পুরাণ অনুসারে, এই দিনে ভগবান রামচন্দ্র ১৪ বছরের বনবাস শেষে অযোধ্যায় ফিরে আসেন, আর সেই আনন্দে নগরবাসী ঘরবাড়ি প্রদীপে সাজিয়ে তোলে। দীপাবলির রাতে ঘরবাড়ি, মন্দির ও রাস্তা আলোকমালায় সেজে ওঠে। পরিবার-পরিজন একত্রিত হয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেন, মিষ্টি বিতরণ ও আতশবাজি পোড়ানো হয়।
এই দুই উৎসবের মূল বার্তা—আলো দিয়ে অন্ধকার দূর করা, শুভ দিয়ে অশুভকে জয় করা। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সমাজে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও মানবিক মূল্যবোধের বিস্তার ঘটে।


























