বড়লেখায় ‘বৃক্ষবন্ধু নার্সারি’ পরিদর্শন করলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা
- আপডেট সময় : ০৫:৫৬:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫
- / 271
মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার সরকারি ডিগ্রি কলেজ রোড সংলগ্ন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত নার্সারী ‘বৃক্ষবন্ধু নার্সারি’ পরিদর্শন করেছেন মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মো. ফরহাদ মিয়া।
বুধবার (৯ এপ্রিল) বিকালে পরিদর্শনকালে তিনি নার্সারির বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং এর পরিচর্যা ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি বলেন, এ ধরনের নার্সারি পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শুরু হতে যাচ্ছে গাছ লাগানোর উপযুক্ত সময়। উন্নত জাতের ফলজ ও ঔষধি চারা রোপনের জন্য মানুষকে উৎসাহিত করতে নার্সারিগুলো বিভিন্ন কার্যক্রমের উদ্যোগ নেয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও সবুজায়নের ক্ষেত্রে এটি একটি দৃষ্টান্ত হতে পারে।এসময় তিনি সজিনা পাতাসহ বিভিন্ন ঔষধি প্রজাতির চারা লাগানোর জন্য উপস্থিত ক্রেতাদেরকে পরামর্শ দেন। এবং কমদামে নিম্নমানের চারা না লাগানোর জন্য ক্রেতাদের আহবান করেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন, উপ- সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিপুল দাস ও আহমদ সাদিক চৌধুরী।
এসময় বৃক্ষবন্ধু নার্সারির পরিচালক আইনুল ইসলাম বলেন, জেলা কৃষি কর্মকর্তা আমাদের নার্সারিতে এসেছেন এবং পরিদর্শন করেছেন। এর জন্য আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এভাবে কর্মকর্তাগণ নিয়মিত পরিদর্শন করলে নার্সারিগুলোর কার্যক্রম আরোও বৃদ্ধি পাবে।

আইনুল ইসলাম বলেন, বর্ষাকাল বৃক্ষ রোপণের উপযুক্ত সময়। এ সময়ে যেসব ফলজ চারা লাগানো প্রয়োজন সে বিষয়ে তিনি পরামর্শ দেন তিনি বলেন, বর্তমানে যেসব ফলজ গাছের চারা রোপনের সময় তার মধ্যে কিং অফ চাকাপাত আম, সূর্য ডিম আম, রেড পালমা আম, রেড আইবিরি আম, নাম ডকমাই আম, আলফান্সো আম, কিউজাই আম, ব্যানানা ম্যাংগো, কাটিমন আম, গৌরমতি আম, বারি ৪ আম, বারি ১১ আম, হাড়িবাঙ্গা, আম রুপালি, ভিয়েতনামি মাল্টা, বারি ১ মাল্টা, বারমাসি কাঠাল, থাই বারমাসি আমড়া, থাই সফেদা, থাই সরিফা, আতাফল, ডালিম, মাধবি পেয়ারা, থাই ৭ পেয়ারা, সুপার ১০পেয়ারা, দার্জিলিং কমলা , দেশি কমলা, থাই জাম্বুরা, চায়না ৩ লিচ , জি ৯ কলা লাগানো যেতে পারে।
উল্লেখ্য, ‘বৃক্ষবন্ধু নার্সারি’ উপজেলা পর্যায়ে বৃক্ষ মেলায় বেশ কয়েকবার পুরুষ্কৃত হয়েছে। এছাড়াও ২০১৮ সালে বৃক্ষ রোপণে বিভাগীয় পর্যায়ে এবং ২০১৯ সালে জাতীয় পর্যায়ে দেশসেরা পুরুষ্কারে ভূষিত হয়।

















