০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কাগজে কলমে লাইনম্যান হলেও সে যেন অলিখিত জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার, নেপথ্যে কারা… Logo দেশে আসছে পেপাল, কার্ড পাবেন ২ লাখ ফ্রিল্যান্সার Logo শাশুড়ি হত্যা: বস্তাবন্দি লাশ ফেলে ‘নিখোঁজ’ নাটক, পুত্রবধূর চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি Logo সিলেট প্রেসক্লাবে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন আহ্বান Logo তনু হত্যা মামলা: ১০ বছর পর প্রথম গ্রেপ্তার ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর ৩ দিনের রিমান্ডে Logo ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম Logo কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ পরিচয়ে অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার করলে দ্রুত বিচার আইনে ব্যবস্থা Logo বড়লেখায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থী ৩৮৩০, প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৫ জন Logo জুড়ীতে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি শুরু Logo ১০০ কোটির মালিক, তবু যাতায়াত অটোয়, ভাইরাল মুম্বইয়ের ব্যবসায়ীর জীবনযাত্রার পোস্ট!

সেনাবাহিনীর অভিযানের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি, বড়লেখায় যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আটক

খোর্শেদ আলম, জুড়ী:
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৭:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 91
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় সেনাবাহিনীর নাম ভাঙিয়ে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী। পরে তাদের বড়লেখা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই ব্যবসায়ী মোঃ সালমান হোসেন বাদী হয়ে রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বড়লেখা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বড়লেখা উপজেলার গাজীটেকা আইলাপুর গ্রামের মৃত ফয়জুর রহমানের ছেলে ও বড়লেখা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নজমুল ইসলাম (৪৬), গাজীটেকা গ্রামের মৃত মজির উদ্দিনের ছেলে বড়লেখা সদর ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব আবু হানিফ জাকারিয়া (৩২) এবং গাজীটেকা গ্রামের মোস্তফা উদ্দিনের ছেলে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোঃ রাজু আহমদ (২৭)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, তালিমপুর ইউনিয়নের মোঃ বদর উদ্দিনের ছেলে মোঃ সালমান হোসেন বড়লেখা হাজীগঞ্জ বাজারে ‘বদরউদ্দিন স্টোর’ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। গত ২ ফেব্রুয়ারি ব্যবসায়ী মোঃ সালমান হোসেনের বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলমের সন্ধানে সেনাবাহিনীর একটি দল তাদের বাড়িতে অভিযান চালায়। তবে অভিযানের সময় জাহাঙ্গীর আলমকে পাওয়া যায়নি।

পরদিন ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে তালিমপুর বড় মসজিদের সামনের রাস্তায় জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে দেখা করে ১নং আসামি নজমুল ইসলাম ও ৩নং আসামি রাজু আহমদ। তারা জানান, ২নং আসামি আবু হানিফ জাকারিয়ার মাধ্যমে সেনাবাহিনীর সঙ্গে বিষয়টি ‘সমাধান’ করে দেওয়া যাবে এর জন্য ৩ লাখ টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে ‘অপূরণীয় ক্ষতি’ হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয় বাদীর ভাইকে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ৪ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ২টার দিকে ১নং আসামি তার মোবাইল নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপ কলে ২নং আসামিসহ বাদীর ভাইয়ের কাছে ৩ লাখ টাকা পাঠানোর জন্য চাপ প্রয়োগ করে। পরদিন ৫ ফেব্রুয়ারি পুনরায় হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অন্তত ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে বলে তাগিদ দেওয়া হয় এবং জানানো হয়, তাদের সঙ্গে আরও ২-৩ জন সহযোগী রয়েছে।

বাদীর ভাই পুরো কথোপকথন তাঁর মোবাইলে রেকর্ড করে রাখেন। পরে বিষয়টি বড়লেখা সেনা ক্যাম্পকে অবহিত করা হলে সেনাবাহিনী অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্তদের আটক করে থানায় সোপর্দ করে। পরে এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই ব্যবসায়ী মোঃ সালমান হোসেন বাদী হয়ে রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বড়লেখা থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয় বড়লেখা থানার ওসি মনিরুজ্জামান খান রবিবার রাতে বলেন, তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সূত্র : জুড়ীর সময়

নিউজটি শেয়ার করুন

সেনাবাহিনীর অভিযানের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি, বড়লেখায় যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আটক

আপডেট সময় : ০৩:৪৭:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় সেনাবাহিনীর নাম ভাঙিয়ে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী। পরে তাদের বড়লেখা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই ব্যবসায়ী মোঃ সালমান হোসেন বাদী হয়ে রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বড়লেখা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বড়লেখা উপজেলার গাজীটেকা আইলাপুর গ্রামের মৃত ফয়জুর রহমানের ছেলে ও বড়লেখা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নজমুল ইসলাম (৪৬), গাজীটেকা গ্রামের মৃত মজির উদ্দিনের ছেলে বড়লেখা সদর ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব আবু হানিফ জাকারিয়া (৩২) এবং গাজীটেকা গ্রামের মোস্তফা উদ্দিনের ছেলে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোঃ রাজু আহমদ (২৭)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, তালিমপুর ইউনিয়নের মোঃ বদর উদ্দিনের ছেলে মোঃ সালমান হোসেন বড়লেখা হাজীগঞ্জ বাজারে ‘বদরউদ্দিন স্টোর’ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। গত ২ ফেব্রুয়ারি ব্যবসায়ী মোঃ সালমান হোসেনের বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলমের সন্ধানে সেনাবাহিনীর একটি দল তাদের বাড়িতে অভিযান চালায়। তবে অভিযানের সময় জাহাঙ্গীর আলমকে পাওয়া যায়নি।

পরদিন ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে তালিমপুর বড় মসজিদের সামনের রাস্তায় জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে দেখা করে ১নং আসামি নজমুল ইসলাম ও ৩নং আসামি রাজু আহমদ। তারা জানান, ২নং আসামি আবু হানিফ জাকারিয়ার মাধ্যমে সেনাবাহিনীর সঙ্গে বিষয়টি ‘সমাধান’ করে দেওয়া যাবে এর জন্য ৩ লাখ টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে ‘অপূরণীয় ক্ষতি’ হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয় বাদীর ভাইকে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ৪ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ২টার দিকে ১নং আসামি তার মোবাইল নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপ কলে ২নং আসামিসহ বাদীর ভাইয়ের কাছে ৩ লাখ টাকা পাঠানোর জন্য চাপ প্রয়োগ করে। পরদিন ৫ ফেব্রুয়ারি পুনরায় হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অন্তত ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে বলে তাগিদ দেওয়া হয় এবং জানানো হয়, তাদের সঙ্গে আরও ২-৩ জন সহযোগী রয়েছে।

বাদীর ভাই পুরো কথোপকথন তাঁর মোবাইলে রেকর্ড করে রাখেন। পরে বিষয়টি বড়লেখা সেনা ক্যাম্পকে অবহিত করা হলে সেনাবাহিনী অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্তদের আটক করে থানায় সোপর্দ করে। পরে এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই ব্যবসায়ী মোঃ সালমান হোসেন বাদী হয়ে রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বড়লেখা থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয় বড়লেখা থানার ওসি মনিরুজ্জামান খান রবিবার রাতে বলেন, তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সূত্র : জুড়ীর সময়