০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ৫২ বিজিবির খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা প্রদান Logo কুলাউড়ায় অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সরকারি চাল বিতরণ Logo পাহাড়ি ঢলে গোগালী ছড়া বাঁধ ভাঙন: ১৫ গ্রাম প্লাবিত, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি Logo প্রবাসীর বাড়িতে সংঘবদ্ধ ডাকাতির চেষ্টাকালে ডাকাত নিহত Logo কুলাউড়ায় পাবলিক লাইব্রেরী পুনঃস্থাপনের দাবিতে ইউএনও বরাবরে স্মারকলিপি Logo লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস’র ল্যান্সবারী ওয়ার্ডে ‘আস্থা ও ভরসার’ প্রতীক কায়ছল ইসলাম Logo কুলাউড়ায় ৯ লাখ টাকার বেশি মূল্যের ভারতীয় সিগারেট জব্দ Logo চাতলাপুর সীমান্তে বিজিবির কঠোর তৎপরতা: নিয়মবহির্ভূত মালামাল জব্দ Logo ‘পিয়াজু-মুড়ি’ দিয়েই বাজিমাত: মাস্টারশেফ ইউকে-র কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সাবিনা খান Logo বড়লেখায় খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

আজকাল কেউ কেউ চুল সাদা করছেন শখ করে। অনেকেই আবার নিজের মাথায় একটা সাদা চুল দেখলেও আঁতকে ওঠেন। বয়স বাড়লে চুল পাকবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু অনেকের অকালেই চুল পেকে যায় কেন?

অকালে চুল পেকে যাওয়া কিসের ইঙ্গিত

স্বাস্থ্য ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫
  • / 521

সাধারণত ২০-৩০ বছর বয়সের আগে চুল পাকলে অকালে চুল পাকা বলে ধরা হয়

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্বশেষ খবর জানতে ভিজিট করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চুল কেন পাকে

সাধারণত ২০-৩০ বছর বয়সের আগে চুল পাকলে অকালে চুল পাকা বলে ধরা হয়। চুল পাকে মূলত মেলানিন উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলে। এই মেলানিন একধরনের প্রাকৃতিক রঞ্জক, যা আমাদের ত্বক, চুল ও চোখের রং নির্ধারণ করে। ব্রিটিশ জার্নাল অব ডার্মাটোলজিতে প্রকাশিত ২০১২ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৪৫-৬৫ বছর বয়সে ৭৪ শতাংশ মানুষেরই চুলে পাক ধরে। আর এ সময়ের মধ্যে পেকে যায় মাথার ২৭ ভাগ চুল। তবে ব্যক্তিভেদে তারতম্য তো হয়ই। প্রশ্ন হলো অকালে কেন চুল পাকে? এর পেছনে লুকিয়ে থাকা কারণগুলো কী?

১. বংশগত কারণ

অকালে চুল পাকার একটি বড় কারণ জিনগত প্রভাব। ডার্মাটোলজির ক্লিনিক্যাল অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ও ‘ফরগেট দ্য ফেসলিফট’ বইয়ের লেখক ডরিস ডে বলেন, ‘আপনার মা–বাবার চুল অল্প বয়সে পেকে গেলে আপনার ক্ষেত্রেও তেমনটা হওয়ার আশঙ্কা বেশি।’ এ ছাড়া ২০১৬ সালে নেচার কমিউনিকেশনস জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, একটি নির্দিষ্ট জিনের কারণে অকালে চুল পেকে যায়।

২. অটোইমিউন রোগের প্রভাব

কিছু নির্দিষ্ট রোগ অকালে চুল পাকার কারণ হতে পারে। অ্যালোপেসিয়া অ্যারিয়াটা নামের এক অটোইমিউন রোগের কারণে চুলের নির্দিষ্ট অংশ পড়ে যেতে পারে। আবার সেখানে নতুন চুল গজালে, তা সাদা বা ধূসর হয়ে গজাতে পারে। ন্যাশনাল অ্যালোপেসিয়া অ্যারিয়াটা ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে, এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মাথার নির্দিষ্ট অংশে গোলাকার এবং মসৃণ চুলহীন অংশ তৈরি হয়। অনেক সময় পুরো মাথার বা শরীরের সব চুলও ঝরে যেতে পারে। ডরিস ডে এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এই রোগ হলে শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা চুলের ফলিকলগুলোর ওপর আক্রমণ করে। ফলে চুল পড়ে যায়। নতুন চুল গজালে তা সাদা হয়ে যায়।’ হঠাৎ চুল পড়া বা টাক পড়ার সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই কোনো চর্মবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৩. দূষিত পরিবেশের প্রভাব

পরিবেশের দূষণও অকালে চুল পাকার একটি বড় কারণ হতে পারে। লাইব্রেরি অব কংগ্রেসের তথ্যমতে, বায়ুদূষণ এবং বিষাক্ত পদার্থ চুলের মেলানিন উৎপাদন প্রক্রিয়াকে বাধা দেয়। এতে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস তৈরি হয়, যাতে অকালে চুল ধূসর হয়ে যায়। এ ব্যাপারে ডক্টর ডে বলেন, ‘চুল একবার ফলিকল থেকে বেরিয়ে গেলে তা মৃত কোষে পরিণত হয়। তাই ফলিকলের স্তরে পৌঁছানো বিষাক্ত উপাদানগুলোই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করতে পারে। যদিও পরিবেশগত বিষয়ের প্রভাবও রয়েছে, তবে মানসিক চাপ বা স্ট্রেসের প্রভাব আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

৪. অতিরিক্ত চাপের প্রভাব

প্রচণ্ড চাপ কি সত্যিই অকালে চুল পাকার কারণ হতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে আছে ভিন্নমত। তবে ডরিস ডে মনে করেন, স্ট্রেস জিনগত প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে। উদাহরণ হিসেবে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার চুলের পরিবর্তনের কথা মনে করিয়ে দেন তিনি। মার্কিন মুলুকের দায়িত্ব নেওয়ার সময় বারাক ওবামার চুল ছিল গাঢ় কালো, কিন্তু পাঁচ বছর পর তা সম্পূর্ণ ধূসর হয়ে গিয়েছিল। শুধু চাপের কারণে অকালে চুল পাকে না বটে; তবে জিনগতভাবে অকালে চুল পাকার প্রবণতা থাকলে অতিরিক্ত মানসিক চাপ তা আরও ত্বরান্বিত করতে পারে। মানে আপনার মা–বাবার অল্প বয়সে চুল পাকলে এবং আপনি বেশি মানসিক চাপে থাকলে আপনার চুল অকালে পেকে যেতে পারে।

৫. ধূমপানের প্রভাব

আপনি ধূমপান করুন বা ধূমপায়ীদের সংস্পর্শে থাকুন—উভয় ক্ষেত্রেই অকালে চুল পাকার ঝুঁকি বাড়ে। ইন্ডিয়ান ডার্মাটোলজি অনলাইন জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে অকালে চুল পাকার হার আড়াই গুণ। কারণ, ধূমপানের ফলে প্রচুর ফ্রি-র‌্যাডিক্যাল উৎপন্ন হয়, যা চুলের মেলানিন উৎপাদন ব্যাহত করে। তাই চুলের স্বাভাবিক রং ধরে রাখতে ধূমপান ত্যাগ করা জরুরি। যাঁরা ধূমপান করেন, তাঁদের আশপাশে থাকাও ক্ষতিকর।

৬. হরমোনের পরিবর্তন

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে নানা হরমোনের পরিবর্তন হয়। এসব হরমোন চুলের রং, ঘনত্ব ও টেক্সচারে প্রভাব ফেলে। মোটামুটি ৩০ বছর বয়সের পর থেকে অনেকেই এসব পরিবর্তন লক্ষ করতে শুরু করেন। বিশেষজ্ঞরা এখনো নিশ্চিত নন যে কীভাবে ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন এবং কর্টিসল হরমোন চুল পাকার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। তবে এটি শুধু বয়সের বিষয় নয়। ৫০ বছর বয়সেও অনেক নারীর মাথায় সাদা চুল দেখা যায় না। তার মানে জিন, পরিবেশ এবং হরমোন—এই তিনটি একত্রে চুল পাকার সময় নির্ধারণ করে।

৭. বয়সের কারণ

আপনি চাইলেও চুলের স্বাভাবিক বয়সজনিত পরিবর্তন এড়াতে পারবেন না। চুলের রং নির্ধারণকারী মেলানিন উৎপাদন বয়সের সঙ্গে সঙ্গে কমতে থাকে। লাইব্রেরি অব কংগ্রেসের তথ্যানুসারে, ৩০ বছর বয়স পার হওয়ার পর প্রতি ১০ বছরে চুল পাকার হার ১০-২০ শতাংশ বেড়ে যায়। অনেকের ক্ষেত্রে এটি ধীরে হয়, আবার কারও কারও বেলায় তুলনামূলক দ্রুত চুল পেকে যায়। তবে সবার চুলই একসময় পেকে যায়, শুধু আগে আর পরে।


সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আজকাল কেউ কেউ চুল সাদা করছেন শখ করে। অনেকেই আবার নিজের মাথায় একটা সাদা চুল দেখলেও আঁতকে ওঠেন। বয়স বাড়লে চুল পাকবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু অনেকের অকালেই চুল পেকে যায় কেন?

অকালে চুল পেকে যাওয়া কিসের ইঙ্গিত

আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫

চুল কেন পাকে

সাধারণত ২০-৩০ বছর বয়সের আগে চুল পাকলে অকালে চুল পাকা বলে ধরা হয়। চুল পাকে মূলত মেলানিন উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলে। এই মেলানিন একধরনের প্রাকৃতিক রঞ্জক, যা আমাদের ত্বক, চুল ও চোখের রং নির্ধারণ করে। ব্রিটিশ জার্নাল অব ডার্মাটোলজিতে প্রকাশিত ২০১২ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৪৫-৬৫ বছর বয়সে ৭৪ শতাংশ মানুষেরই চুলে পাক ধরে। আর এ সময়ের মধ্যে পেকে যায় মাথার ২৭ ভাগ চুল। তবে ব্যক্তিভেদে তারতম্য তো হয়ই। প্রশ্ন হলো অকালে কেন চুল পাকে? এর পেছনে লুকিয়ে থাকা কারণগুলো কী?

১. বংশগত কারণ

অকালে চুল পাকার একটি বড় কারণ জিনগত প্রভাব। ডার্মাটোলজির ক্লিনিক্যাল অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ও ‘ফরগেট দ্য ফেসলিফট’ বইয়ের লেখক ডরিস ডে বলেন, ‘আপনার মা–বাবার চুল অল্প বয়সে পেকে গেলে আপনার ক্ষেত্রেও তেমনটা হওয়ার আশঙ্কা বেশি।’ এ ছাড়া ২০১৬ সালে নেচার কমিউনিকেশনস জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, একটি নির্দিষ্ট জিনের কারণে অকালে চুল পেকে যায়।

২. অটোইমিউন রোগের প্রভাব

কিছু নির্দিষ্ট রোগ অকালে চুল পাকার কারণ হতে পারে। অ্যালোপেসিয়া অ্যারিয়াটা নামের এক অটোইমিউন রোগের কারণে চুলের নির্দিষ্ট অংশ পড়ে যেতে পারে। আবার সেখানে নতুন চুল গজালে, তা সাদা বা ধূসর হয়ে গজাতে পারে। ন্যাশনাল অ্যালোপেসিয়া অ্যারিয়াটা ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে, এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মাথার নির্দিষ্ট অংশে গোলাকার এবং মসৃণ চুলহীন অংশ তৈরি হয়। অনেক সময় পুরো মাথার বা শরীরের সব চুলও ঝরে যেতে পারে। ডরিস ডে এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এই রোগ হলে শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা চুলের ফলিকলগুলোর ওপর আক্রমণ করে। ফলে চুল পড়ে যায়। নতুন চুল গজালে তা সাদা হয়ে যায়।’ হঠাৎ চুল পড়া বা টাক পড়ার সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই কোনো চর্মবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৩. দূষিত পরিবেশের প্রভাব

পরিবেশের দূষণও অকালে চুল পাকার একটি বড় কারণ হতে পারে। লাইব্রেরি অব কংগ্রেসের তথ্যমতে, বায়ুদূষণ এবং বিষাক্ত পদার্থ চুলের মেলানিন উৎপাদন প্রক্রিয়াকে বাধা দেয়। এতে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস তৈরি হয়, যাতে অকালে চুল ধূসর হয়ে যায়। এ ব্যাপারে ডক্টর ডে বলেন, ‘চুল একবার ফলিকল থেকে বেরিয়ে গেলে তা মৃত কোষে পরিণত হয়। তাই ফলিকলের স্তরে পৌঁছানো বিষাক্ত উপাদানগুলোই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করতে পারে। যদিও পরিবেশগত বিষয়ের প্রভাবও রয়েছে, তবে মানসিক চাপ বা স্ট্রেসের প্রভাব আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

৪. অতিরিক্ত চাপের প্রভাব

প্রচণ্ড চাপ কি সত্যিই অকালে চুল পাকার কারণ হতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে আছে ভিন্নমত। তবে ডরিস ডে মনে করেন, স্ট্রেস জিনগত প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে। উদাহরণ হিসেবে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার চুলের পরিবর্তনের কথা মনে করিয়ে দেন তিনি। মার্কিন মুলুকের দায়িত্ব নেওয়ার সময় বারাক ওবামার চুল ছিল গাঢ় কালো, কিন্তু পাঁচ বছর পর তা সম্পূর্ণ ধূসর হয়ে গিয়েছিল। শুধু চাপের কারণে অকালে চুল পাকে না বটে; তবে জিনগতভাবে অকালে চুল পাকার প্রবণতা থাকলে অতিরিক্ত মানসিক চাপ তা আরও ত্বরান্বিত করতে পারে। মানে আপনার মা–বাবার অল্প বয়সে চুল পাকলে এবং আপনি বেশি মানসিক চাপে থাকলে আপনার চুল অকালে পেকে যেতে পারে।

৫. ধূমপানের প্রভাব

আপনি ধূমপান করুন বা ধূমপায়ীদের সংস্পর্শে থাকুন—উভয় ক্ষেত্রেই অকালে চুল পাকার ঝুঁকি বাড়ে। ইন্ডিয়ান ডার্মাটোলজি অনলাইন জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে অকালে চুল পাকার হার আড়াই গুণ। কারণ, ধূমপানের ফলে প্রচুর ফ্রি-র‌্যাডিক্যাল উৎপন্ন হয়, যা চুলের মেলানিন উৎপাদন ব্যাহত করে। তাই চুলের স্বাভাবিক রং ধরে রাখতে ধূমপান ত্যাগ করা জরুরি। যাঁরা ধূমপান করেন, তাঁদের আশপাশে থাকাও ক্ষতিকর।

৬. হরমোনের পরিবর্তন

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে নানা হরমোনের পরিবর্তন হয়। এসব হরমোন চুলের রং, ঘনত্ব ও টেক্সচারে প্রভাব ফেলে। মোটামুটি ৩০ বছর বয়সের পর থেকে অনেকেই এসব পরিবর্তন লক্ষ করতে শুরু করেন। বিশেষজ্ঞরা এখনো নিশ্চিত নন যে কীভাবে ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন এবং কর্টিসল হরমোন চুল পাকার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। তবে এটি শুধু বয়সের বিষয় নয়। ৫০ বছর বয়সেও অনেক নারীর মাথায় সাদা চুল দেখা যায় না। তার মানে জিন, পরিবেশ এবং হরমোন—এই তিনটি একত্রে চুল পাকার সময় নির্ধারণ করে।

৭. বয়সের কারণ

আপনি চাইলেও চুলের স্বাভাবিক বয়সজনিত পরিবর্তন এড়াতে পারবেন না। চুলের রং নির্ধারণকারী মেলানিন উৎপাদন বয়সের সঙ্গে সঙ্গে কমতে থাকে। লাইব্রেরি অব কংগ্রেসের তথ্যানুসারে, ৩০ বছর বয়স পার হওয়ার পর প্রতি ১০ বছরে চুল পাকার হার ১০-২০ শতাংশ বেড়ে যায়। অনেকের ক্ষেত্রে এটি ধীরে হয়, আবার কারও কারও বেলায় তুলনামূলক দ্রুত চুল পেকে যায়। তবে সবার চুলই একসময় পেকে যায়, শুধু আগে আর পরে।


সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট