কাঠালতলীতে নির্বাচনী জনসভায় আমিনুল ইসলামের প্রতি আস্থা পুনর্ব্যক্ত
বড়লেখায় ৪০ চা-শ্রমিকসহ শতাধিক মানুষের জামায়াতে যোগদান
- আপডেট সময় : ১২:৪২:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
- / 55
মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলামের সমর্থনে বড়লেখার ৮নং দক্ষিণভাগ উত্তর ইউনিয়নের কাঠালতলী বাজারে গত ৭ ডিসেম্বর এক ব্যতিক্রমধর্মী নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় কেরামতনগর ও লক্ষিছড়া চা-বাগানের ৪০ জনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতাধিক মানুষ মাওলানা আমিনুল ইসলামের হাত ধরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। এ যোগদানকে কেন্দ্র করে এলাকায় নতুন করে নির্বাচনী আলোচনার সৃষ্টি হয়।
জনসভায় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল। নতুন যোগদানকারীদের ফুলের তোড়া ও মালা পরিয়ে বরণ করেন প্রধান অতিথি ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, আনন্দ ও পরিবর্তনের প্রত্যাশা।
প্রধান অতিথি মাওলানা আমিনুল ইসলাম বলেন, “মানুষ পরিবর্তন চায়, ন্যায় ও অধিকার চায়। আপনাদের এই স্বতঃস্ফূর্ত যোগদানই প্রমাণ করে দাঁড়িপাল্লার প্রতি মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় হচ্ছে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকব।”
তিনি আরও বলেন, দেশের সব শ্রেণির মানুষের জন্য সমান সুযোগ, ন্যায়বিচার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে জামায়াতে ইসলামী দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।
জামায়াতে ইসলামীর দক্ষিণভাগ উত্তর ইউনিয়নের সভাপতি লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি আব্দুস সালামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এমাদুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ফয়সাল আহমদ, যুব বিভাগের উপজেলা সেক্রেটারি জুবায়ের আহমদ শিমুল, জামায়াতের উপজেলা সুরা সদস্য ও ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাওলানা আলিম উদ্দিন, ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ সভাপতি আব্দুল আহাদ রুফুল, ইউনিয়ন টিম সদস্য সাইদুল ইসলাম এবং পেশাজীবী পরিষদের ইউনিয়ন সভাপতি কামারুজ্জামান মুক্তা।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্রশিবির বড়লেখা দক্ষিণ শাখার সভাপতি জেবুল আহমদসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন শিবির নেতৃবৃন্দ এবং ওয়ার্ডের বিভিন্ন দায়িত্বশীল নেতারা।
অতিথিরাও নির্বাচনী পরিস্থিতি, ইউনিয়নের উন্নয়ন সম্ভাবনা, শ্রমিকদের জীবনমান, ন্যায়বিচার ও জনকল্যাণভিত্তিক রাজনীতি বিষয়ে বক্তব্য রাখেন।























